LightBlog
Showing posts with label মেয়েদের স্বাস্থ্যসেবা. Show all posts

আপনার বাচ্চাকে কিভাবে খাওয়াবেন সে বিষয়টি আগে থেকেই ভেবে রাখা উচিত। বর্তমানে অধিকাংশ নারী বুকের দুধ খাওয়ানোকেই বেছে নেন। আপনার বাচ্চা...


আপনার বাচ্চাকে কিভাবে খাওয়াবেন সে বিষয়টি আগে থেকেই ভেবে রাখা উচিত। বর্তমানে অধিকাংশ নারী বুকের দুধ খাওয়ানোকেই বেছে নেন।
আপনার বাচ্চার জন্য বুকের দুধই একমাত্র প্রাকৃতিক খাবার।
বুকের দুধ আপনার বাচ্চাকে বিভিন্ন ইনফেকশন ও রোগবালাই থেকে রক্ষা করে।
বুকের দুধ শিশুর স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী।
শিশুকে বুকের দুধ খাওয়ানো মায়ের স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী।
এটি বিনামুল্যে পাওয়া যায়।
যখন এবং যেখানে শিশুর খাওয়ার প্রয়োজন এটি পাওয়া যায়।
এটি সঠিক তাপমাত্রায় থাকে।
এটি মা ও সন্তানের মাঝে একটি মজবুত স্বাস্থ্যগত ও আবেগিক বন্ধন তৈরী করে।
এটি আপনাকে একটি চমৎকার অর্জনমূলক অনুভুতি প্রদান করে।

সাধারন কিছু ভুল ধারণা
বুকের দুধ খাওয়ানো নিয়ে বহু মিথ বা অতিকথন এবং গল্প আমাদের পরিবার পরিজনদের মাঝে বিদ্যমান, কিন্তু এগুলোর মাঝে কিছু ভুল অথবা সেকেলে ধারণা রয়েছে। দেখুন আপনি কত ভুল তথ্য শুনেছেন এবং প্রকৃত সত্য থেকে দূরে থেকেছেনঃ
মিথ ১: “বুকের দুধ খাওয়ানোর ফলে স্তন অসমভাবে ঝুলে যায়’’
প্রকৃত সত্য: বুকের দুধ খাওয়ানোর ফলে স্তন ঝুলে যায়না, তবে বয়স হয়ে যাওয়া এবং ওজন হ্রাস পাওয়া এক্ষেত্রে প্রভাব ফেলে।
মিথ ২: “বুকের দুধ এবং ইনফ্যান্ট ফর্মুলা মূলত একই’’
প্রকৃত সত্য: ইনফ্যান্ট ফর্মুলা কখনোই বুকের দুধের সমতুল্য নয়। এটিতে কোন প্রাকৃতিক উপাদান নেই, সুতরাং অ্যান্টিবডি, জীবন্ত কোষ, এনজাইম অথবা হরমোন বিদ্যমান থাকেনা; যেগুলো আপনার শিশুকে পরবর্তী জীবনে বিভিন্ন ইনফেকশন ও রোগ থেকে সুরক্ষা করতে পারে।
মিথ ৩: “নারীদের প্রকাশ্যে বাচ্চাকে বুকের দুধ খাওয়ানোকে লোকজন অপছন্দ করে’’
প্রকৃত সত্য: জরিপের মাধ্যমে দেখা যায়, অধিকাংশ জনগন প্রকাশ্যে বুকের খাওয়ানোকে মোটেও অপছন্দ করেন না। এটি বেশি বেশি ঘটতে থাকলে তা স্বাভাবিক ঘটনায় পরিণত হবে।
মিথ ৪: “কিছু নারীর ক্ষেত্রে বুকের দুধ খাওয়ানো সহজ, কিন্তু কারো কারো পর্যাপ্ত দুধ উৎপন্ন হয়না‘’
প্রকৃত সত্য: শারীরিকভাবে প্রায় সকল নারীই বুকের দুধ খাওয়ানোর ক্ষেত্রে সক্ষম। এটি বিশেষ এক ধরনের দক্ষতা যা শেখা এবং অভ্যাস গ্রহণের মাধ্যমে নারীদের জন্য সহজ হয়। কারো ক্ষেত্রে অন্যদের তুলনায় খুব সহজে এটি করা সম্ভব, তবে প্রায় সকল নারীই তাদের সন্তানের প্রয়োজন অনুযায়ী বুকের দুধ সরবরাহ করতে সক্ষম।
মিথ ৫: “বাচ্চাকে বুকের দুধ খাওয়ালে যৌনমিলন করা যাবেনা’’
প্রকৃত সত্য: সন্তান জন্মের পর কখন যৌনমিলন করবেন এ বিষয়ে আপনাকে সিদ্ধান্ত নিতে হবে। শিশুর জন্য বুকের দুধ নির্গত হওয়ার ক্ষেত্রে যে হরমোন(oxytocin) সাহায্য করে একই হরমোন যৌনমিলনের সময় তৈরী হয়। যৌনমিলনের সময় সামান্য পরিমান দুধ নির্গত হতে পারে। তবে  এটি একটি স্বাভাবিক ঘটনা।

বোতলের পরিবর্তে বুকের দুধ খাওয়ানো
যদি আপনি ইতিমধ্যে কিছুদিন যাবৎ বাচ্চাকে সম্পুরক খাবার (ফর্মুলা) খাওয়ান, কিন্তু আপনার চিন্তায় পরিবর্তন হওয়ার ফলে যদি বুকের দুধ খাওয়াতে চান; তাহলে কিভাবে বুকের দুধের সরবরাহ বৃদ্ধি করা যায় সে বিষয়ে যত দ্রুত সম্ভব চিকিৎসক অথবা স্বাস্থ্য পরিদর্শকের সাথে কথা বলুন।

বুকের দুধ না খাওয়ানোর কিছু স্বাস্থ্যগত কারন
মাঝে মাঝে বুকের দুধ না খাওয়ানোর কিছু স্বাস্থ্যগত কারন দেখা যায়। যেমন আপনি যদি HIV তে আক্রান্ত হন অথবা এমন ধরনের ঔষধ গ্রহণ করেন যা শিশুর স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর তাহলে বুকের দুধ খাওয়ানো উচিত নয়। এই রকম অবস্থায় যখন কোন উপায় থাকেনা, চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী ইনফ্যান্ট ফর্মুলার দ্বারা বোতলে খাওয়াতে পারেন। যদি আপনি বাচ্চাকে বুকের দুধ খাওয়ানোর বিষয়ে নিশ্চিত না হতে পারেন, তাহলে তথ্য ও সাহায্যের জন্য চিকিৎসক অথবা স্বাস্থ্য পরিদর্শকের সাথে কথা বলুন। এছাড়াও সাহায্যের জন্য আপনি আমাদের শিশুকে বুকের দুধ খাওয়ানো  বিষয়ক সাহায্য এবং তথ্য বিভাগে অনুসন্ধান করুন।

সম্পূরক খাবার(formula) খাওয়ানো
আপনি যদি সম্পুরক খাবার বা ফর্মুলা মিল্ক খাওয়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়ে থাকেন তাহলে আমাদের এ বিষয়ক বিভাগে দেখুন কিভাবে ব্যবহারিক ও গুরুত্বপুর্ণ তথ্যের দ্বারা ফর্মুলা ফিডিং এর ঝুঁকি হ্রাস করা যায়।

বিয়ের পূর্বে শারীরিক সম্পর্ক নারীর জীবনে ডেকে আনতে পারে যে ৮টি মারাত্বক সমস্যা ! বিয়ের পূর্বে শারীরিক সম্পর্ক নারীর জীবনে ডেকে আনতে ...

বিয়ের পূর্বে শারীরিক সম্পর্ক নারীর জীবনে ডেকে আনতে পারে যে ৮টি মারাত্বক সমস্যা !


বিয়ের পূর্বে শারীরিক সম্পর্ক নারীর জীবনে ডেকে আনতে পারে যে ৮টি মারাত্বক সমস্যা !
আমাদের সমাজে এমন অনেক পুরুষ রয়েছেন যারা শুধুমাত্র নারীদেহ ভোগ করার উদ্দেশ্যেই প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তোলেন এবং কাজ হাসিল হয়ে গেলে সম্পর্কের দায়ভার নিতে চান না। নারীরাও যে এমন করে না তা নয়, তবে তুলনামূলকভাবে এমন নারীর সংখ্যা কম। আশংকার ব্যাপার হচ্ছে আজকাল অনেক উঠতি বয়সী মেয়েই এই ধরণের শারীরিক সম্পর্ককে আধুনিকতা মনে করে থাকে।
অথচ বিয়ের আগে শারীরিক সম্পর্কের ফলে যে সমস্যা দেখা দেয়, তা পোহাতে হয় নারীদেরকেই! মোদ্দাকথা হলো, বিয়ের আগে শারীরিক সম্পর্ক নারীদের ঠেলে দিতে পারে ঝুঁকির মুখে, তাদের জীবনে ডেকে আনতে পারে নানাবিধ মারাত্মক সমস্যা। তাই সাবধান হোন এবং জেনে নিন অনাকাঙ্খিত সমস্যাগুলো সম্পর্কে।
অনাকাঙ্খিত গর্ভধারণ
বিয়ের আগে শারীরিক সম্পর্কের সবচেয়ে ভয়াবহ যে সমস্যাটি হতে পারে তা হলো অনাকাঙ্খিত গর্ভধারণ। নিরোধক ব্যবহারের পূর্ব পরিকল্পনা না থাকা, আবেগের বশে হঠাত্‍ করেই যৌন সম্পর্ক করা ইত্যাদি এর অন্যতমত কারণ। শারীরিক সম্পর্কের চিহ্ন ধারণ করে সাধারণত মেয়েরাই। কোনো মেয়ের শারীরিক সম্পর্ক হয়েছে কি না তা ডাক্তারি পরীক্ষার মাধ্যমে সনাক্ত করা যায়, কিন্তু ছেলেদের যায় না। একইভাবে গর্ভধারণের যাবতীয় সমস্যার মধ্য দিয়ে যেতে হয় শুধু মেয়েদেরই। এর ফলে পরিবার, সমাজ এবং নিজের কাছে অপরাধী হতে হয় নারীদের।
ঝুঁকিপূর্ণ গর্ভপাত
বিয়ের আগে শারীরিক সম্পর্কের ফলে গর্ভধারণ করে ফেললে তখন গর্ভপাত করা ছাড়া আর কোনো উপায় থাকে না। গর্ভপাত একটি ঝুঁকিপূর্ণ প্রক্রিয়া। এতে যেমন শারীরিক ক্ষতি হয় তেমনি মানসিক ক্ষতির সম্মুখীনও হতে হয়। গর্ভপাতের সময় অতিরিক্ত রক্তক্ষরণসহ নানা ধরনের শারীরিক সমস্যা হতে পারে। এর দীর্ঘমেয়াদী কুফলও রয়েছে। যেমন পরবর্তীতে গর্ভধারণে সমস্যা হওয়া বা গর্ভধারণ করতে না পারা ইত্যাদি। প্রথম সন্তান জন্মদানের আগে গর্ভপাতের ঘটনা ঘটলে পরবর্তীতে বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই সন্তান ধারনে সমস্যা দেখা দেয়। গর্ভপাতের মানসিক ক্ষতিও কম নয়। সন্তান হারিয়ে অনেকে মানসিকভাবে বিপর্যস্ত হয়ে পড়ে। এমনকি অনেকে বিকারগ্রস্ত পর্যন্ত হয়ে পড়ে।
জন্মনিয়ন্ত্রণের পিল ও অন্যান্য ঝুঁকি
বিয়ের আগে শারীরিক সম্পর্কের কারণে অনেকেই জন্মনিয়ন্ত্রণের পিল বা অন্যান্য ওষুধ গ্রহণ করে থাকে। অনবরত জন্মনিয়ন্ত্রণের পিল গ্রহণ অনাকাঙ্খিত গর্ভধারণ রোধ করলেও ডেকে আনতে পারে মারাত্মক সব সমস্যা। এর মধ্যে অন্যতম হলো সন্তানধারণের ক্ষমতা হারানো। প্রথম সন্তান জন্মের আগেই দীর্ঘদিন পিল গ্রহণের ফলে পরবর্তীতে গর্ভধারণে ঝুঁকি হতে পারে, হতে পারে বারবার গর্ভপাতের সমস্যা। এছাড়া হরমোনের সমস্যা, মুটিয়ে যাওয়া, খাবারে অনীহা,সন্তান উৎপাদনে অক্ষম হয়ে যাওয়া ইত্যাদি সমস্যাও দেখা দিতে পারে।
অপ্রাপ্ত বয়সে শারীরিক সম্পর্কে জড়ানোর ঝুঁকি
বয়ঃসন্ধিকাল থেকেই কিশোর-কিশোরীদের মধ্যে শারীরিক বিষয়াবলির প্রতি আকর্ষণ জন্মায়। ফলে প্রেমের সম্পর্কে কোনো কিছু না ভেবেই শারীরিক সম্পর্কে জড়িয়ে যাওয়ার প্রবণতা তাদের মধ্যে দেখা যায় বেশি। কিন্তু অপরিণত বয়সে শারীরিক সম্পর্কের পরিণতি হতে পারে মারাত্মক। এর ফলে হতে পারে যৌনসংক্রমণ, ক্যানসারের মতো ভয়াবহ সব রোগ। বিশেষ করে কমবয়সী মেয়েরা থাকে হুমকির মুখে। জরায়ুমুখ সংক্রমণ ও জরায়ুমুখ ক্যানসারের ঝুঁকি থাকে সর্বোচ্চ।
মানসিক ভীতি
বিয়ের আগে শারীরিক সম্পর্ক মানে প্রথমবারের মতো যৌন সম্পর্ক স্থাপন। আমাদের দেশের প্রেক্ষাপটে এই কাজটি প্রেমিক যুগলেরা করে থাকে লুকিয়ে, যা পরবর্তীতে একজন নারীর জন্য মানসিক ভীতি বা বিকারের কারণ হয়ে দাঁড়াতে পারে। বিশেষ করে অনেক ক্ষেত্রেই প্রেমিকেরা অপ্রাপ্ত বয়স্ক প্রেমিকাকে চাপ প্রয়োগ করে মিলিত হয়ে থাকে। পরে সম্পর্কটি ভেঙে গেলে এসব অনেক মেয়ের ওপর এমন মানসিক চাপ ফেলে, যা ক্রমশ বিকারে রূপ নেয়। যেমন শারীরিক সম্পর্কে অনীহা বা ভীতি, বিবাহভীতি, পুরুষদের প্রতি ঘৃণা বা ভয় ইত্যাদি। এর ফলে যেমন প্রেমের সম্পর্ক ভেঙে যেতে পারে, তেমনি ভাঙন আসতে পারে বিয়ের সম্পর্কেও।
বিয়ের পর দাম্পত্যে সমস্যা
বিয়ের আগে প্রেমিকের সাথে শারীরিক সম্পর্কে জড়ালে দাম্পত্যজীবনেও দেখা দিতে পারে নানা সমস্যা। নারীরা হতে পারেন স্বামীর অবিশ্বাসের পাত্র। এমনকি প্রেমিকের সাথে বিয়ে হলেও তিনি করতে পারেন নানা রকমের দোষারোপ, করতে পারেন চরিত্র নিয়ে সন্দেহ। ঝগড়ার সময় হয়তো কথায় কথায় বলে বসতে পারেন যে, তার সাথে যেহেতু বিয়ের আগে শারীরিক সম্পর্ক ছিল এমনি হয়তো আরো অনেকের সাথেই ছিল। মোটকথা, দাম্পত্যের প্রতিটি পদে নারীকে শুনতে হতে পারে নানা রকমের কটু কথা।
দাম্পত্যে আকর্ষণ হারানো
অনেক ভালোবাসার সম্পর্ক পায় বিয়ের পরিণতি। যেহেতু স্বামীর সঙ্গে বিয়ের আগে থেকেই শারীরিক সম্পর্ক থাকে, তাই অনেকেই দাম্পত্যজীবনে হারিয়ে ফেলতে পারেন আকর্ষণ। স্বামী-স্ত্রী পরস্পরের কাছ থেকে নতুন কিছু পাবার থাকে না বলে বিয়ের সম্পর্কে বাজতে পারে ভাঙনের সুর। অনেকে বাগদান বা আংটি বদল সম্পন্ন করে একটি দৃঢ় বন্ধন তৈরি হয়েছে ভেবে শারীরিক সম্পর্কে জড়িয়ে যান। বাগদানের পর বিয়ে ভাঙার ঝুঁকি তো থাকেই, সাথে রয়ে যায় দাম্পত্য আকর্ষণহীন হয়ে যাবার শঙ্কাটাও।
সামাজিক লাঞ্ছনা

বিয়ের আগে শারীরিক সম্পর্কের কথা জানাজানি হলে নারীরা হন নানা রকম লাঞ্ছনা-গঞ্জনার শিকার। সমাজ তাকে অপরাধীর দৃষ্টিতে দেখে। তার জীবন হয়ে ওঠে বিষময়। অনাকাঙ্খিত গর্ভধারণ করলে এবং সেটার কথা জানাজানি হলে ফলাফল হয় ভয়াবহ। মেয়েটি সামাজিকভাবে হয়ে যায় একঘরে। পরিবার, আত্মীয়স্বজন, বন্ধুবান্ধব সকলেই দূরে চলে যায়, তাকে পাপীর দৃষ্টিতে দেখে। ফলে সুষ্ঠুভাবে বাকি জীবন কাটানো অসম্ভব হয়ে যায়, জীবন হয়ে ওঠে দুর্বিসহ।

যে ১১টি কারণে ধ্বংস হচ্ছে আমাদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা !! যে ১১টি কারণে ধ্বংস হচ্ছে আমাদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা !! স্বাস্থ্যকর খাদ্য...

যে ১১টি কারণে ধ্বংস হচ্ছে আমাদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা !!


যে ১১টি কারণে ধ্বংস হচ্ছে আমাদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা !!

স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস এবং নিয়মিত শরীর চর্চা এসব আমাদের রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থাকে শক্তিশালী রাখে। তেমনি এমন কিছু বিষয় আছে যেগুলো আপনার অজান্তেই আপনার রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থাকে ধ্বংস করছে।
আমাদেরকে অবশ্যই বুঝতে হবে যে, সুস্বাস্থ্য ছাড়া আমরা আমাদের জীবনটাকে পুরোপুরি উপভোগ করতে পারব না। আসুন জেনেও নেওয়া যাক কোন অভ্যাসগুলো অজান্তেই রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা ধ্বংস করছে।
১. মদপান
নিয়মিত মদপান করলে রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থা দুর্বল হয়ে পড়ে। অ্যালকোহলে থাকা টক্সিন বা বিষ শরীরে প্রবেশ করে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা ধ্বংস করতে থাকে। মদ্যপানের ফলে যেসব সমস্যার সৃষ্টি হয়
অ্যালকোহলিক লিভার ডিজিস (এএলডি) তার অন্যতম। এই রোগে আক্রান্ত হলে লিভারের কোষসমূহ ক্রমান্বয়ে ধ্বংস হয়ে যায়।
২. অতিরিক্ত ভ্রমণ
আজকাল যেন দুনিয়াটা ঘুরে দেখা একটি রীতিতে পরিণত হয়েছে। আর যে যত বেশি স্থান দেখতে পারবে ততই যেন খ্যাতি। কিন্তু আপনি যদি প্রায়ই ভ্রমণ করেন তাহলে আপনার রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থা দুর্বল হয়ে পড়বে। কারণ নতুন নতুন প্রাকৃতিক পরিবেশ, জলবায়ু, পানি এবং খাদ্য এবং বিশ্রামহীনতার কারণে আপনার রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থার ওপর চাপ পড়ে।
৩. দেহের অতিরিক্ত ওজন
শরীরে অতিরিক্ত চর্বি হওয়া মানেই হচ্ছে শরীরে রোগের ছড়াছড়ি। আর এক্ষেত্রে ডায়াবেটিস, উচ্চ রক্তচাপ, রক্তে চর্বি, হৃদরোগসহ নানা রোগে আক্রান্ত হয়ার ঝুঁকি বাড়ে। আর তার ফলে রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থা দুর্বল হয়ে পড়ে।
৪. দীর্ঘমেয়াদি মানসিক চাপ
অতিরিক্ত ওজনের মতোই দীর্ঘমেয়াদের স্ট্রেস বা মানসিক চাপে আক্রান্ত হলেও রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থা দুর্বল হয়ে পড়ে। স্ট্রেসের ফলে দেহে স্ট্রেস হরমোন কর্টিসোল এর মাত্রা বেড়ে যায়। কর্টিসোল এর মাত্রা বেড়ে গেলে তা রোগ-বালাই সৃষ্টিকারী উপাদানের বিরুদ্ধে দেহের লড়াই করার সক্ষমতা নষ্ট করে।
৫. নিঃসঙ্গতা
এমন অনেকে আছেন যারা তাদের জীবনের বেশিরভাগ সময় ঘরে একাকি কাটিয়ে দিতে পছন্দ করেন। এতে মস্তিষ্কে ডোপামিনের মাত্রা কমে যায়। কেননা একাকি থাকার ফলে নিঃসঙ্গতার বোধ এবং অবসাদ বেড়ে যায়। মস্তিষ্কে ডোপামিন এর মতো উপকারী হরমোন নিঃসরনের হার কমে গেলে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাও কমে যায়।
৬. আবেগ দমন করা
আপনি যদি এমন কেউ হন যিনি রাগ, দুঃখ, উত্তেজনা প্রকাশ না করে অবদমন করেন তাহলে আপনি আপনার রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থাকে ধ্বংস করছেন। কারণ গবেষণায় প্রমাণিত হয়েছে, আবেগ দমন করলে দেহে কর্টিসোল এর মাত্রা বেড়ে যায়। যার ফলে রোগপ্রতিরোধ ব্যবস্থা দুর্বল হয়ে পড়ে।
৭. অপুষ্টি
আপনি যদি এমন একটি ভারসাম্যপূর্ণ খাদ্যাভ্যাস মেনে না চলেন যাতে সব ধরনের জরুরি পুষ্টি উপাদানগুলো থাকে, যেমন, ভিটামিন, প্রোটিন, খনিজ, স্বাস্থ্যকর চর্বি, আঁশ, ইত্যাদি তাহলে আপনার শরীরে পুষ্টির ঘাটতি দেখা দিবে বা আপনি অপুষ্টিতে আক্রান্ত হবেন। এতে আপনার রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা দুর্বল হয়ে পড়বে। সুতরাং সুস্থ্য থাকতে চাইলে পুষ্টিকর খাবার খেতে হবে।
৮. অ্যান্টিবায়োটিকের অতিরিক্ত ব্যবহার
অহেতুক এবং অনিয়ন্ত্রিত অ্যান্টিবায়োটিকের ব্যবহারের ফলে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা নষ্ট হয়। যদি সঠিক পরিমাণে এবং পর্যাপ্ত সময় ধরে অ্যান্টিবায়োটিক ব্যবহার না করা হয় তাহলে ব্যাক্টেরিয়া পুরোপুরি ধ্বংস হয় না এবং বেঁচে যাওয়া ব্যাকটেরিয়াগুলো আরও শক্তিশালী হয়ে ওঠে। ফলে এই ব্যাক্টেরিয়ার বিরুদ্ধে উক্ত অ্যান্টিবায়োটিক আর কাজ করে না। এ অবস্থাকে অ্যান্টিবায়োটিক রেজিস্ট্যান্স বলে।
৯. পানিশুন্যতা
আপনি যদি প্রতিদিন অন্তত দুই লিটার পানি না পান করেন তাহলেই আপনার দেহে পানিশুন্যতা দেখা দিবে। যার ফলে নানা রোগ-বালাই আক্রমণ করবে। পানিশুন্যতা আপনার রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থাকেও দুর্বল করে দিবে। কেননা পানির অভাবে রক্তের শ্বেতকণিকাগুলো শুকিয়ে যায়।
১০. অপর্যাপ্ত ঘুম
পৃথিবীর মোট জনসংখ্যার এক তৃতীয়াংশ দিনে ৫ থেকে ৬ ঘণ্টা বা তার চেয়ে কম ঘুমান। ফলে তাদের শরীর, মন ও মস্তিষ্কে এর অত্যন্ত ক্ষতিকর প্রভাব পড়ে এবং ধীরে ধীরে দেহের রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থা নাজুক হতে শুরু করে। যারা দিনে আট ঘণ্টার কম ঘুমান, তাদের অকাল মৃত্যুর ঝুঁকি ক্রমশ বাড়ছে
১১. অনলাইনে অতিরিক্ত সময় কাটানো
সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমগুলো ব্রাউজিংয়ে অতিরিক্ত সময় ব্যয় করলে তা স্মৃতিকে আঘাত করে, এমনকি ব্যক্তি তার গুরুত্বপূর্ণ তথ্যটিও ভুলে যেতে পারেন বা হারাতে পারেন। আর এ কথা নিশ্চিয়ই আপনার জানা আছে যে, মস্তিষ্ক সুস্থ না থাকা মানে দেহের বিভিন্ন অঙ্গ দুর্বল হয়ে পড়া। দুর্বল অঙ্গে প্রতিরোধহীন ভাবেই রোগ আক্রমণ করবে এটাই কি স্বাভাবিক নয়!

কুচকে যাওয়া চামড়া টানটান করার সহজ পদ্ধতি আপনি চাইলে ঘরে বসে খুব সহজ কিছু উপায়েই আপনার কুঁচকে ও ঝুলে যাওয়া ত্বককে করে ফেলতে পারেন অন...

কুচকে যাওয়া চামড়া টানটান করার সহজ পদ্ধতি


আপনি চাইলে ঘরে বসে খুব সহজ কিছু উপায়েই আপনার কুঁচকে ও ঝুলে যাওয়া ত্বককে করে ফেলতে পারেন অনেকটাই টান টান ও যৌবন দীপ্ত। কীভাবে? চলুন, জেনে নিই তিনটি জাদুকরী কৌশল।
অ্যালোভেরা
অ্যালোভেরা আমাদের অসংখ্য ত্বকের সমস্যার জন্য একটি চমৎকার উপাদান। অ্যালোভেরা প্রাকৃতিক ভাবেই আপনার কুঁচকে ও ঝুলে যাওয়া ত্বকের বলিরেখা দূর করে একে করে তোলে টান টান। আপনি মুখ থেকে শুরু করে স্তন, বাহু, পেট বা শরীরের যে কোন স্থানে ব্যবহার করতে পারবেন এই অ্যালোভেরা জেল।
তাজা অ্যালোভেরা জেল মাখুন শরীরের সমস্যা আক্রান্ত এলাকায়। আলতো হাতে ম্যাসাজ করুন। আপনি চাইলে সম্পূর্ণ শরীরই এই জেল দিয়ে ম্যাসাজ করতে পারেন। ম্যাসাজ করা হলে ২০ মিনিট পর ধুয়ে ফেলুন। বাজারের প্যাকেটজাত অ্যালোভেরা জেল ব্যবহার করতে পারেন। তবে সদ্য গাছ থেকে সংগ্রহ করা জেল হলে ফল পাবেন খুবই দ্রুত। আর হ্যাঁ, রোজ ব্যবহার করবেন।
গোলাপ জল
অসাধারণ এই উপাদানটি আপনার সৌন্দর্যের বন্ধু। গোলাপ জল আপনার ত্বককে টানটান করে ও বলিরেখা ও রোমকূপকে অদৃশ্য রেখে আপনাকে করে তোলে লাবণ্যময়। রাতের বেলা শরীরের প্রয়োজনীয় স্থানে তুলো দিয়ে গোলাপ জল লাগান। চাইলে গোলাপ জল দিয়ে স্থানটি ধুয়েও নিতে পারেন।
তারপর স্থানবতি শুকিয়ে গেলে এভাবেই রাখুন সারা রাত। সকালে সাধারণ পানি দিয়ে ধুয়ে নিন। তবে এক্ষেত্রে ১০০ ভাগ বিশুদ্ধ গোলাপ জল হতে হবে। চিন্তা নেই, সাধারণ এই জিনিসটি আপনি তৈরি করতে পারবেন বাড়িতেই!
ডিমের সাদা অংশ
দুটি ডিমের সাদা অংশ নিন, একে ভালো করে বিট করে ফোম করে নিন। তারপর মুখ সহ অন্যান্য স্থানে মাখুন। শুকিয়ে গেলে পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। সপ্তাহে ৩/৪ বার নিয়মিত ব্যবহারে ত্বক হয়ে উঠবে টান টান।
কীভাবে কাজ করে?
এখানে যেসব উপাদান আমরা ব্যবহার করবো, সেগুলো সবই প্রাকৃতিক গুনাবলীতে পরিপূর্ণ। এই উপাদানগুলো আপনার ত্বকের ইলাসটিন ও কোলাজেনের উৎপাদন বৃদ্ধি করে, ফলে প্রাকৃতিকভাবেই ত্বক হয়ে ওঠে টান টান। এই তিনটি উপায় থেকে যে কোন দুটি বা তিনটিই নিয়মিত ব্যবহার করুন। আর ফিরে পান নিজের হারানো যৌবন!

দি আপনি লক্ষ্য করেন যে, আপনার ত্বক শুকনো, নিস্তেজ এবং আর্দ্রতা হারিয়ে যাচ্ছে তাহলে বুঝে নিবেন শীত এসে গেছে।শীতল ছোঁয়া শরীরের জন্য আরামদায়ক ...

দি আপনি লক্ষ্য করেন যে, আপনার ত্বক শুকনো, নিস্তেজ এবং আর্দ্রতা হারিয়ে যাচ্ছে তাহলে বুঝে নিবেন শীত এসে গেছে।শীতল ছোঁয়া শরীরের জন্য আরামদায়ক হলেও ত্বকের জন্য মোটেও নয়।শীতে আপানর ত্বকে নিশ্চয়ই কিছু পরিবর্তন লক্ষ্য করেছেন। 
শীত বাড়ার সাথে সাথে ত্বকেও বাড়তে থাকে বিভিন্ন রকম সমস্যা।বিশেষ করে শুষ্ক ত্বকের জন্য শীত যেন এক ভয়ংকর দুঃস্বপ্ন।এ কারনে এ সময়ে ত্বকের বিশেষ যত্ন নিতে হয়।তাই শীতকালে সব ধরনের ত্বকের যত্নে কি করা উচিত এ নিয়ে আজকে আমরা গুরুত্বপূর্ন ১০ টি টিপস দিব (Top 10 Winter Skin Care Tips)।আশা করি এই ১০ টি টিপস আপনাদের কাজে লাগবে


১। পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতা- ত্বকের যত্নের প্রথম ধাপই হচ্ছে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা। শীতে অনেকেই গোসল এড়িয়ে চলেন আবার অনেকে অতিরিক্ত গরম পানি দিয়ে অনেকক্ষন গোসল করেন, এ দুটি অভ্যাসই ত্বকের জন্য ক্ষতিকর।এজন্য কুসুম গরম পানিতে গোসল করুন প্রতিদিন।গোসলের পানিতে কয়েক ফোটা গ্লিসারিন মিশিয়ে নিতে পারেন এতে করে ত্বকের আদ্রতা বজায় থাকবে অনেকক্ষন।

২। মুখের যত্ন- যখনি বাইরে থেকে আসবেন অবশ্যই ফেসওয়াস দিয়ে মুখ ধুয়ে নিবেন।মুখে সাবান ব্যবহার করবেননা একদমই।এরপর ভালো কোন ব্রান্ডের ময়েশ্চারাইজযুক্ত ক্রিম ব্যবহার করতে পারেন। যাদের মুখে ব্রনের সমস্যা আছে তারা ক্রিমের সংগে একটু পানি মিশিয়ে ব্যবহার করতে পারেন

৩। সানস্ক্রিন ক্রিম ব্যবহার- অনেকেই মনে করেন শীতকালে সানস্ক্রীন ক্রিম লাগানোর দরকার নেই। এটা একদম ভুল ধারনা। শীতকালেও বাইরে বের হওয়ার ৩০ মিনিট পূর্বে এসপিএফ30 থেকে 50 যুক্ত সানস্ক্রীন ব্যবহার করুন।

৪। পানি- শীতের শুষ্ক আবহাওয়া আমাদের শরীর থেকে প্রচুর পরিমান পানি শুষে নেয়।যার ফলে ত্বক হয়ে উঠে শুষ্ক ও রুক্ষ।তাই এ সময় প্রচুর পরিমাণ পানি পান করতে হবে।
৫। খাওয়া-দাওয়া- সঠিকভাবে খাওয়া-দাওয়া ত্বক ভালো রাখতে সাহায্য করে।তাই খাদ্য তালিকায় যোগ করুন শীতকালীন বিভিন্ন ফলমূল ও শাক সবজি।টমেটো, গাজর, ফুলকপি,আমলকি,কমলা এগুলো ভিটামিন সি এর ভালো উৎস।যা ত্বক ভালো রাখতে সাহায্য করে।এছাড়া প্রতিদিন সকালে এক চা-চামচ মধু খেতে পারেন এত করে আপনার ঠান্ডা যেমন লাগবে না আবার ত্বকের উজ্বলতাও বাড়াবে।

৬। পায়ের যত্ন- শীতে আমাদের একটি প্রধান সমস্যা হচ্ছে পা ফেটে যাওয়া। এ জন্য হালকা গরম পানি দিয়ে পা ভালো ভাবে ব্রাশ দিয়ে ঘসে পরিষ্কার করে ধুয়ে ভালোভাবে মুছে ফেলুন তারপর লোশন বা গ্লিসারিন লাগান। সবচেয়ে ভালো হয় রাতে শোয়ার আগে পায়ে ভালো করে ভ্যাসলিন মেখে মোজা পড়ে ঘুমান আহলে আর পা ফাটবেনা।

৭। ঠোঁটের যত্ন- শীতে আর একটি প্রধান সমস্যা হচ্ছে ঠোঁট ফেটে যাওয়া। ঠোঁটের ত্বক অত্যন্ত পাতলা ও সংবেদনশীল তাই খুব দ্রুতই শীতে ঠোঁট আদ্রতা হারিয়ে ফেলে এবং ফেটে যায়।হালকা গরম পানিতে নরম টুথ ব্রাশ দিয়ে ঠোঁট ঘষে পরিষ্কার করে তারপার ভ্যাসলিন বা চ্যাপস্টিক ঠোঁটে হালকা করে লাগিয়ে দিন।দিনে ৩ থেকে ৪ বার চ্যাপস্টিক লাগাতে পারেন।ভুলেও জিভ দিয়ে বার বার ঠোঁট ভেজাবেন না। এতে ঠোঁট আরও শুষ্ক হয়ে ফেটে যাবে।

৮। চুলের যত্ন- শীতকালে ধুলা-বালি বেশি থাকে বলে অনেকের চুলেই খুশকির প্রভাব বেড়ে যায়। এক্ষেত্রে সপ্তাহে ৩ থেকে ৪ দিন চুলে এ্যান্টি ড্যানড্রাফ শ্যাম্পু লাগাতে পারেন।শ্যাম্পু করার সময় আঙ্গুলের ডগা দিয়ে ভালকরে ম্যাসাজ করে তারপার ধুয়ে ফেলতে হবে। এছাড়াও খুশকি মুক্ত থাকতে নিয়মিত কিটোকোনাজল শ্যাম্পু ব্যবহার করতে পারেন।
৯। শীতে মেক-আপ- শীতে মেকা-আপ নষ্ট হওয়ার ভয় থাকে না।তাই কালারফুল মেকা-আপে সাজিয়ে তুলুন নিজেকে।তবে মেক-আপ করার আগে অবশ্যই ময়েশ্চারাইজার লাগাতে হবে।শীতে ক্রিম বেসড মেক-আপ লাগানো ভালো।লিপিস্টিকের বদলে লাগাতে পারেন লিপগ্লস।

১০। ফেসপ্যাক- গরমে যে ধরনের ফেসপ্যাক ব্যবহার করেন সেগুলো শীতে ব্যবহার করা যাবে না।তাহলে ত্বক শুষ্ক হয়ে ফেটে যাবে।ময়দা, বেসন, চালের গুরা দিয়ে তৈরি ফেসপ্যাক লাগাবেন না।কারন এগুলো ত্বক শুষ্ক করে দেয়।

শীতে সব ধরনের ত্বকের উপযোগী কয়েকটি ফেসপ্যাক নিচে দেয়া হলো-

  • ·       পাকা কলা+মধু= ফেসপ্যাক।
  • ·       পাঁকা পেপে+মধু= ফেসপ্যাক।
  • ·       কোকো পাউডার+টক দই+মধু= ফেসপ্যাক।


আশা করি এ টিপসগুলো মেনে চললে আপনাদের ত্বক থাকবে সুন্দর ও সমস্যামুক্ত।তাই ত্বকের যত্ন নিন এখন থেকেই আর শীতেও থাকুন সজীব ও উজ্জ্বল।এর পরেও যদি ত্বকে কোন সমস্যা দেখা দেয় তবে দেরী না করে ডাক্তারের পরামর্শ্ নিন । আশা করি শীতকালটা আপনাদের ভালোই কাটবে।
(Top 10 Winter Skin Care Tips)

বতর্মান   সময়ে   বেশির   ভাগ   মানুষের   একটি   বড়   প্রশ্ন  “ কিভাবে   আমি   আমার   পেটের   মেদ   বা ভুরি   কমাতে   পারি ,  আমি   অনেক   ক...

বতর্মান সময়ে বেশির ভাগ মানুষের একটি বড় প্রশ্ন “কিভাবে আমি আমার পেটের মেদ বাভুরি কমাতে পারিআমি অনেক কিছু চেষ্টা করেছি কিন্তু কিছুই কাজ হয়নি” এর উত্তরহলো আপনি ভুল পদ্ধতি ব্যবহার করেছেননিয়ন্ত্রিত খাদ্যা-অভ্যাস এবং কিছু টিপস মেনেচললে আপনার পেটের মেদ বা ভুরি কমতে বাধ্য সাধারনত পুরুষদের ৪০ ইঞ্চি (১০২সেমিএবং মহিলাদের ৩৫ ইঞ্চি (৮৮ সেমিএর উপরে পেটের সাইজ হলে পেটে মেদ বাভুরি আছে বলে পরিচিত হয়অতিরিক্ত মেদ বা চর্বি আপনার শরীরে বিভিন্ন অসুখ বাসাবাধঁছে তাও নির্দেশ করেপেটের চর্বির সাথে যেহেতু লিভারকিডনি  অন্যান্যঅভ্যান্তরীন অংগের সাথে লেগে থাকে সেহেতু পেটের মেদ আপনার জন্য অনেক বড় বিপদেরকারন হয়ে দাড়াঁতে পারে তাই কিভাবে সাস্থ্যসম্মতভাবে আপনি আপনার পেটের মেদ বাভুরি কমাতে পারবেন তার ১০ টি সহজ উপায় নিচে তুলে ধরা হলো 



কাচাঁ রসুন খান- প্রতিদিন সকালে ঘুম থেকে উঠেই  থেকে  কোয়া রসুন চিবিয়েখানযারা কাচাঁ রসুন চিবিয়ে খেতে পারেন না তারা একটু পানি দিয়ে গিলে খেতে পারেনএর পর পান করুন এক গ্লাস লেবুর সরবতএতে করে আপনার পেটের মেদ বা ভুরি কমতেথাকবে দ্বিগুন দ্রুত গতিতেএছাড়া এটি আপনার রক্ত পরিস্কার করে রক্ত চলাচলকে আরোসহজ করবে

লেবুর রস- এক গ্লাস হালকা গরম পানিতে একটা লেবুর অর্ধেকটা পরিমান লেবু চিপেরস দিন এবং এক চিমটি লবন মিশিয়ে প্রতিদিন সকালে পান করুন চিনি দিবেন নাপেটেরমেদ বা ভুরি কমাতে এটি খুবই র্কাযকর একটি পদ্ধতি

চিনিযুক্ত খাবার ত্যাগ করুন- চিনি কে না বলুনযদি আপনি আপনার পেটের মেদ বাভুরি কমাতে চান তাহলে চিনিযুক্ত খাবার থেকে দুরে থাকাই হবে বুদ্ধিমানের কাজবিশেষকরে কোল্ড ড্রিংকস,চকলেটআইসক্রিমমিষ্টি থেকে দুরে থাকুনযখন আপনি অতিরিক্ত চিনিখেয়ে থাকেন তখন যকৃত ফ্রুক্টোজ দিয়ে ওভারলোড হয় এবং এগুলি চর্বিতে পরিনত হয়তবেচিনির পরিবর্তে মধু ব্যবহার করতে পারেন

প্রচুর পরিমান পানি পান করুন- যদি আপনি আপনার পেটের মেদ বা ভুরি কমাতে চানতাহলে দেরী না করে প্রতিদিন প্রচুর পরিমান পানি পান করা শুরু করুনপ্রচুর পানি পানকরার ফলে পানি আপনার দেহের মেটাবলিজম বাড়িয়ে ক্ষতিকর  বিষাক্ত পদার্থ প্রসাবেরসাথে বের করে দিবেমেটাবলিজম বাড়ার ফলে আপানর দেহে বাড়তি চর্বি জমতে পারবেনা

প্রতিদিন ফলমূল  শাক-সবজি খান- প্রতিদিন সকাল  সন্ধায় ফল  সবজি খাওয়ারঅভ্যাস তৈরি করুনবিশেষ করে টক জাতীয় ফল খানকারন টক জাতীয় ফলে প্রচুরপরিমান ভিটামিন সি থাকেআর ভিটামিন সি শরীরে কারনিটিন নামক একটি উপাদান তৈরিকরে যা চর্বি পোড়াতে সহায়তা করে থাকে

ধূমপান  অ্যালকোহল ত্যাগ করুন- আপনি চিন্তা করুন আপনি কি মদ্যপান করতেচান না আপানার পেটের চর্বি কমাতে চানযদি আপনি ধূমপান  অ্যালকোহল ত্যাগ করতেনা পারেন তাহলে আপনার পেটের মেদ বা চর্বি কমানোর কথা ভূলে যানকারন ধূমপান মদ্যপান শরীরের চর্বি পোড়াতে বাধাঁর সৃষ্টি করে এবং চর্বি জমাতে সাহায্য করে

চর্বিযুক্ত খাবার পরিহার করুন- যতটা সম্ভব চর্বিযুক্ত খাবার থেকে দূরে থাকুনউচ্চতৈলযুক্ত  মসলাযুক্ত খাবার খাবেন না এগুলো শরীরে মেদ জমিয়ে রাখেযতদিন পেটের মেদবা ভুরি না কমবে ততদিন মাংসদুধডিম খাওয়া বন্ধ করুন তবে সামুদ্রিক মাছচামড়া ফেলে দিয়ে খেতে পারেন

টিভি দেখার সময় খাওয়া পরিহার করুন- টিভি দেখতে দেখতে খাওয়া পরিহার করুনযারা টিভি দেখতে দেখতে খায় তারা অন্যদের চেয়ে ২৮৮ ক্যালরী বেশি খায়টেবিলে বসেখাবার অভ্যাস করুন খাটে বা বিছানায় বসে খাবার খাবেন নাডিনারে একটি নীল রঙেরছোট প্লেট ব্যবহার করুন স্টাডিজ দেখায় যে নীল রঙে একটি ক্ষুধা দমন প্রভাব রয়েছে

রাত জাগা পরিহার করুন- আপনার যদি রাত জাগার অভ্যাস থাকে তাহলে এখনিপরিহার করুনরাত জাগার ফলে আপনার শরীরে খাদ্যের চাহিদা বেড়ে যায় যা আপনারশরীরে চর্বি জমার প্রবনতা বৃদ্ধি করে

১০ব্যায়াম করুন- যোগ ব্যায়ামের একটি ক্লাস থেকে আপনি ৩৪৪ ক্যালোরি পযর্ন্ত র্বানকরতে পারেনযারা ব্যায়াম করার মত সুযোগ না পান তারা একটু অন্যভাবে চেষ্টা করতেপারেনযেমন আপনি সাতাঁর কাটতে পারেন বা বাসায় ফিরে আপনার সঙ্গীকে তারে কাজেসাহায্য করতে পারেন। তাছাড়া আপনার অফিসে যাবার সময় চেষ্টা করুন বাস থেকে একস্টপ আগে নামতে আর বাকি পথ হেটে যানলিফটের বদলে সিড়িঁ ব্যবহার করুন,মোটরসাইকেল ব্যবহার করলে মাঝে মাঝে সাইকেল চালানব্যায়াম চর্বি কমানোর জন্য খুবইকার্যকর একটি পদ্ধতি

উপরোক্ত টিপসগুলো মেনে চললে আপানর মেদ ভুরি কমানো এখন সময়ের ব্যাপার মাত্রসঠিক উপায়ে খাবার এবং ব্যায়াম হলো পেটের মেদ/চর্বি বা ভুরি কমানোর আদর্শ উপায়যদি উপরের টিপস গুলো আপনি ভাল ভাবে না পড়ে থাকেন তাহলে আরো একবার পড়েআসুন এবং টিপসগুলো মেনে চলুন।