Showing posts with label লাইফ স্টাইল. Show all posts
অসাবধানতায় কোন কাপড়ে দাগ লেগে যেতেই পারে আবার বাচ্চাদের জন্য কাপড়ে দাগ লাগানো নিত্যনৈমিত্তিক ঘটনা। এখন আর দাগ তোলার জন্য আপনাকে ঘন্টার...
কাপড় থেকে যে কোন দাগ তোলার সহজ উপায়
অসাবধানতায় কোন কাপড়ে দাগ লেগে যেতেই পারে আবার বাচ্চাদের জন্য কাপড়ে দাগ লাগানো নিত্যনৈমিত্তিক ঘটনা। এখন আর দাগ তোলার জন্য আপনাকে ঘন্টার পর ঘন্টা সোডা আর গরম পানিতে কাপড় ভিজিয়ে রাখতে হবে না। সহজ কিছু টিপস জেনে নিন আর স্বাচ্ছন্দ্যে তুলুন কাপড়ের দাগ।
কলারে দাগঃ
ঘামের কারণে শার্ট বা টি-শার্টের কলারে হলদে দাগ হয়ে যায়। এই দাগ দূর করতে দারুণ কার্যকর শ্যাম্পু। যেকোনো শ্যাম্পু নিয়ে কলারে লাগিয়ে ভালোভাবে ঘষে নিতে হবে। এরপর ভালোভাবে কাপড় ধুয়ে ফেলতে হবে।
সুপের দাগ দূর করার উপায়ঃ
সুন্দর পোশাক পরে দাওয়াতে যাওয়ার পর অনেক সময় অসাবধানতার কারণে কাপড়ে সুপ বা খাবার পড়ে দাগ লেগে যেতেই পারে। এতে দুশ্চিন্তা করার কিছু নেই। হাতের কাছে ক্লাব সোডা বা সোডাপানীয় থাকলে তাতে একটি পরিষ্কার কাপড় ভিজিয়ে দাগের উপর ঘষে নিলে দাগ অনেকটাই উঠে যাবে।
ঘাসের দাগঃ
মাঠে খেলাধুলার করতে গিয়ে বা বসে আড্ডা দিয়ে ওঠার সময় খেয়াল করলেন কাপড়ে ঘাসের দাগ বসে গেছে। এই দাগ দূর করতে বেশ কসরত করতে হয়। তবে একটি পুরানো টুথব্রাশ এবং সাদা পেস্ট ব্যবহার করেই এই দাগ দূর করা যায়। প্রথমে দাগের উপর কিছুটা টুথপেস্ট নিয়ে ভেজা ব্রাশ দিয়ে দাগের উপর ঘষে নিতে হবে। যতক্ষণ না পুরোপুরি দাগ উঠে যাচ্ছে ততক্ষণ একই প্রক্রিয়ায় চেষ্টা করে যেতে হবে। এরপর সাধারণভাবে কাপড়টি ধুয়ে ফেললেই দাগ চলে যাবে।
রক্তের দাগঃ
হঠাৎ কেটে গেলে বা কোনো ক্ষত থেকে কাপড়ে রক্ত লাগতেই পারে। যা শুকিয়ে গেলে ওঠাতে বেশ বেগ পেতে হয়। ওষুধ বা কেমিকলের দোকান থেকে থ্রি পার্সেন্ট হাইড্রোজেইন পারঅক্সাইড যোগাড় করুন। প্রথমে দাগ লাগা কাপড়টি হাইড্রোজেন পারঅক্সাইডে ভিজিয়ে রাখতে হবে। এরপর নখ বা মাখন লাগানোর ছুরি দিয়ে দাগের অংশটি ঘষে নিতে হবে। এরপর আরও খানিকটা হাইড্রোজেন পারঅক্সাইড দিয়ে ধুয়ে নিতে হবে। রক্ত শুকিয়ে যাওয়ার আগে ধুয়ে ফেললে ভালোভাবে দাগ উঠে যাবে। এছাড়া আরেকটি উপায় হচ্ছে, দাগ লাগা কাপড়টি পানিতে ভিজিয়ে দাগের উপর লবণ ছড়িয়ে দিন। ভালোভাবে ঘষে নিলে লবণ দাগ দূর করতে সাহায্য করবে। এরপর সাধারণ সাবান বা ডিটারজেন্ট দিয়ে কাপড় ধুয়ে ফেলতে হবে।
লিপস্টিকের দাগঃ
মেইকআপের সময় অসাবধানতায় কাপড়ে লিপস্টিকের দাগ লেগে যেতে পারে। এরজন্য একটি সাদা রুটি নিয়ে ভিতরের সাদা অংশ গুঁড়া করে নিন। তারপর রুটির গুঁড়া লিপস্টিকের দাগের উপর ঘষে নিতে হবে। একটা সময় লিপস্টিক পুরোটাই উঠে আসবে। উঠে গেলে কাপড়ে লেগে থাকা গুঁড়া ঝেড়ে ফেলুন।
গ্রিজের দাগঃ
কাপড়ে গ্রিজ লেগে গেলে দাগের উপরে কর্নফ্লাওয়ার ছড়িয়ে দিন। কিছুক্ষণ এভাবেই রাখুন যেন কর্নফ্লাওয়ার গ্রিজ শুষে নিতে পারে। তারপর কর্নফ্লাওয়ার ঝেরে ভালোভাবে ধুয়ে ফেললেই হবে।
তেলের দাগঃ
মাথায় তেল দিয়ে ঘুমালে বা খাবার খাওয়ার সময় কয়েক ফোঁটা তেল পড়ে সাধের বালিশের কভার বা কাপড় নষ্ট হয়েছে। চিন্তা নেই। আছে সহজ উপাদান। বালিশের কভারে লেগে থাকা তেলের দাগ দূর করতে সাধারণ শ্যাম্পু দিয়ে ধুয়ে ফেললেই হবে। পোশাকেও তাই।
এছাড়া মাথায় তেল দিয়ে ঘুমানোর সময় বালিশের উপর আলাদা একটি কাপড় দিয়ে ঘুমালে বালিশের কভারে তেলের দাগ লেগে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকবে না।
তেলের দাগ তোলার জন্য একটি টিস্যু পেপারের সাহায্যে কাপড় থেকে বাড়তি তেল শুষে নিন ভালো করে। এরপর কাপড়টি পানি দিয়ে ভিজিয়ে নিয়ে এতে লিক্যুইড ডিটারজেন্ট বা ডিটারজেন্টের পেস্ট তৈরি করে লাগিয়ে রাখুন ১৫-২০ মিনিট। এরপর গরম পানিতে ভালো করে ধুয়ে নিন।
কালির দাগঃ
কলমের কালি কাপড়ে লেগেছে! এই কালি দূর করতে অ্যালকহল ঘষে নিন। তাছাড়া একটি স্পঞ্জ দুধে ভিজিয়ে স্পঞ্জটি দাগের উপর ঘষে নিলেও কালির দাগ উঠে যাবে। কিংবা কলমের দাগ তুলতে পারেন টমেটোর রস দিয়ে। এক টুকরো কাপড়ে কাঁচা টমেটোর রস লাগিয়ে নিন। এরপর ওই কাপড় দিয়ে দাগওয়ালা কাপড়টি কিছুক্ষণ ঘষুন। এক ঘণ্টার মতো রেখে দিন। তারপর প্রচুর পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন।। কার্পেট বা সোফায় কালির দাগ পড়লে প্রথমে দাগের ওপর অল্প তরল দুধ ঢেলে দিন। এরপর ভেজানো তুলা দিয়ে ঘষুন। কিছুক্ষণের মধ্যে দাগ উঠে যাবে।
চায়ের দাগঃ
অসাবধানতায় কাপড়ে চা পড়ে যেতেই পারে। তবে খানিকটা চিনি ব্যবহার করেই এ বেপরোয়া দাগ দূর করা যায়। খানিকটা পানিতে বেশি করে চিনি গুলিয়ে, এই পানি কাপড় বা টেবিলের যেখানে চা পড়েছে সেখানে ছড়িয়ে কিছুক্ষণ ভিজিয়ে রাখতে হবে। যতটা বেশি চিনি ব্যবহার করা হবে তত জলদি দাগ উঠে আসবে। এরপর সাধারণ সাবান বা ডিটারজেন্ট দিয়ে কাপড় ধুয়ে ফেলতে হবে।
রঙিন কাপড়ের দাগ তোলার পদ্ধতিঃ
রঙিন কাপড় বা সিল্ক ফ্যাব্রিকের দাগ তুলতে হলে কাপড়টি বোরেঙ্ সলিউশনের মধ্যে ভিজিয়ে রাখুন। এ ছাড়া লবণ ও লেবুর রস একত্রে মিশিয়ে কাপড়ের ওপর লাগিয়ে রাখুন। কিছুক্ষণ পর ধুয়ে ফেলুন। ভিনেগার ও মুলতানি মাটির পেস্টও দাগ তোলার কাজে ব্যবহার করতে পারেন। দাগের ওপর লাগিয়ে রাখুন। শুকিয়ে যাওয়ার পর ভেজা কাপড় দিয়ে দাগের ওপর ঘষুন। দাগ উঠে যাবে।
চা, কফি, সফট ড্রিংকস ও জুস ধরণের জিনিসের দাগ তোলার পদ্ধতিঃ
এই ধরণের দাগ খুবই জেদী হয়ে থাকে, সহজে উঠতে চায় না। এই ধরণের দাগ লাগলে কাপড়টি ১০ মিনিট পানিতে ভালো করে ভিজিয়ে রাখুন। এরপর কাপড় ধোয়ার সাবান বা লিক্যুইড ডিটারজেন্ট বা ডিজারজেন্টের পেস্ট তৈরি করুন পানির সাহায্যে। এরপর এই পেস্টটি কাপড়ের দাগের উপর লাগিয়ে রাখুন। হালকা শুকিয়ে উঠলে কাপড়টি গরম পানিতে ডিটারজেন্ট দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। দাগ উঠে যাবে।
মেহেদীর দাগ তোলার পদ্ধতিঃ
মেহেদী লাগাতে গিয়ে কাপড়ে দাগ লেগে গেলে মন খারাপ করবেন না। পানি ও বেকিং সোডা মিশিয়ে পেস্টের মতো তৈরি করে দাগের উপরে দিন। শুকিয়ে গেলে ঠাণ্ডা পানি দিয়ে ঘষে ঘষে তুলে ফেলুন। এতেও মেহেদীর দাগ অনেকটাই চলে যাবে।
চকলেটের দাগ তোলার পদ্ধতিঃ
চকলেটের দাগ তোলার জন্য প্রথমেই তা যতোটা সম্ভব তুলে ফেলার চেষ্টা করুন। এরপর ডিটারজেন্ট মেশানো গরম পানিতে কাপড়টি ভিজিয়ে রাখুন। যদি এরপরও বাদামী দাগ থেকে যায় কাপড়ে তাহলে পানিতে সামান্য স্যানিটাইজার মিশিয়ে আরও খানিকক্ষণ ভিজিয়ে রাখুন। এরপর গরম পানি দিয়েই কাপড় ধুয়ে নিন।
মেকআপের দাগ তোলার পদ্ধতিঃ
মেকআপের দাগ যদি কাপড়ে পড়ে থাকে তাহলে সামান্য পানিতে ডিটারজেন্ট মিশিয়ে পেস্ট তৈরি করে দাগের উপরে লাগিয়ে রাখুন। এরপর শুকিয়ে উঠলে নরম করে ঘষে তুলে ফেলুন। দাগ উঠে যাবে।
ঘামের দাগ তোলার পদ্ধতিঃ
ঘামের দাগ তোলার জন্য ১/৪ মগ পানিতে ৪ টেবিল চামচ বেকিং সোডা দিয়ে মিশ্রন তৈরি করুন। এই মিশ্রণটি কাপড়ের ঘামের দাগের অংশে ভালো করে লাগিয়ে নিন এবং একটি পুরোনো টুথব্রাশ দিয়ে ঘষে নিন। ১ ঘণ্টা এভাবেই কাপড়টি রেখে মিশ্রণটি সেট হতে দিন। এরপর সাধারণ নিয়মে কাপড় ধুয়ে ফেলুন। শুকিয়ে গেলে ঘামের দাগ একেবারেই থাকবে না কাপড়ে।
প্লাস্টিকের কাপে চা খান? জেনে নিন কী সর্বনাশ হচ্ছে আপনার ! কাজের চাপ কাটাতে হোক বা অবসরের আড্ডায়, চা-কফির কোনও বিকল্প হয় না। আর বাড়...
প্লাস্টিকের কাপে চা খান? জেনে নিন কী সর্বনাশ হচ্ছে আপনার !
প্লাস্টিকের কাপে চা খান? জেনে নিন কী সর্বনাশ হচ্ছে আপনার !
কাজের চাপ কাটাতে হোক বা অবসরের আড্ডায়, চা-কফির কোনও বিকল্প হয় না। আর বাড়ির বাইরে রাস্তার ধারের দোকানে দাঁড়িয়ে চা-কফি খাওয়া মানেই বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই প্লাস্টিকের কাপে খাওয়া।
মাটির ভাঁড়ের দামের তুলনায় এর দাম অনেকটাই কম। তাই মাটির ভাঁড়ের সহজলভ্য বিকল্প হয়ে উঠেছে প্লাস্টিকের কাপ। কিন্তু চিকিত্সকদের মতে, প্লাস্টিকের কাপে চা খাওয়া একেবারেই ঠিক নয়।
তাঁদের মতে, প্লাস্টিকের তৈরি জলের বোতল ও শিশুদের দুধের বোতল, প্লাস্টিকের পাত্রের খাবার মাইক্রোওয়েভ অভেনে গরম করা, প্লাস্টিক মোড়কে বিক্রি হওয়া খাবার, প্রসেস্ড ফুড, ইনস্ট্যান্ট নুডল্স
এমন বহু জিনিসের ব্যবহার ডেকে আনছে এমন নানা রোগ।গবেষকদের মতে, প্লাস্টিকের মধ্যে থাকা বিসফেনল-এ নামের টক্সিক এ ক্ষেত্রে বড় ঘাতক। গরম খাবার বা পানীয় প্লাস্টিকের সংস্পর্শে এলে ওই রাসায়নিক খাবারের সঙ্গে মেশে। এটি নিয়মিত শরীরে ঢুকলে মহিলাদের ইস্ট্রোজেন হরমোনের কাজের স্বাভাবিকতা বিঘ্নিত হয়।
পুরুষদের ক্ষেত্রে শুক্রাণু কমে যায়। হার্ট, কিডনি, লিভার, ফুসফুস এবং ত্বকও মারাত্মক ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। এমনকী, স্তন ক্যানসার হওয়ার আশঙ্কাও থাকে।গবেষণায় জানা গিয়েছে, প্লাস্টিকের কাপ বানাতে সাধারণত যে যে উপাদান ব্যবহার করা হয়, সেগুলি বেশি মাত্রায় শরীরে প্রবেশ করলে ক্লান্তি, হরমোনের ভারসাম্যতা হারানো, মস্তিষ্কের ক্ষমতা কমে যাওয়া-সহ একাধিক রোগে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। যেমন, বোতল বা পাত্র তৈরিতে ব্যবহৃত পলিভিনাইল ক্লোরাইডকে (পিভিসি) নরম করা হয় থ্যালেট ব্যবহার করে। এই থ্যালেট আমাদের শরীরের পক্ষে বিষ
বিদেশের একাধিক গবেষণায় দেখা গিয়েছে, শরীরে এই রাসায়নিক নিয়মিত ঢুকতে থাকলে শ্বাসকষ্ট, স্থূলতা, টাইপ ২ ডায়াবিটিস, কম বুদ্ধাঙ্ক, অটিজম, ব্রেস্ট ক্যানসারের মতো অসুখ শরীরে বাসা বাঁধে।সম্প্রতি একটি আন্তর্জাতিক সমীক্ষায় উঠে আসছে এ ভারতে ক্যানসারের বিস্তারের ভয়াবহ ছবিটা। এই রোগে আক্রান্তের দিক থেকে চিন এবং আমেরিকার পরেই ভারতের স্থান। ওই সমীক্ষায় বলা হয়েছে, এ দেশে প্রতি বছর ক্যানসারে আক্রান্তের সংখ্যা বৃদ্ধি পাচ্ছে ৪.৫ থেকে ৫ শতাংশ হারে। তাই দীর্ঘদিন সুস্থ শরীরে বাঁচতে এখই বর্জন করুন, এড়িয়ে চলুন প্লাস্টিকের কাপ, গ্লাস, পাত্র।
পাকিস্তানিদের পনির খাওয়া বন্ধ করছেন ইমরান খান!
পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে ক্ষমতা গ্রহণের পর নানা চমক দেখিয়ে আসছিলেন ইমরান খান । এবার দেশটির পানির সমস্যা মেটাতে অর্থ সাহায্যের আবেদন করেন প্রবাসী পাকিস্তানিদের কাছে। যাতে সেই অর্থ দিয়ে পাকিস্তানের বাঁধ ও জলাধারগুলোর সংস্কার করে উন্নতি সাধন করা যায়। আর এবার তিনি দাবি করছেন যে, পাকিস্তান ঋণের বোঝায় আক্রান্ত। আর সেই ঋণ থেকে মুক্তি পেতে পাকিস্তানে নিষিদ্ধ হয়ে যেতে পারে পনির!
রয়টার্সে প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, পাকিস্তানের ইকোনমিক অ্যাডভাইজরি কাউন্সিল এক আলোচনায় সিদ্ধান্ত নিয়েছে যে, বিভিন্ন বিলাসবহুল জিনিসের আমদানি বন্ধ করা হবে পাকিস্তানে। আর এসব জিনিসের তালিকায় রয়েছে স্মার্টফোন ও পনির। আচমকা পনির নিষিদ্ধ হওয়ার কথায় ব্যাপক প্রতিক্রিয়া তৈরি হয়েছে পাকিস্তানিদের মধ্যে।
পনির নিষিদ্ধ করে কীভাবে ঘুরে দাঁড়াবে পাকিস্তানের অর্থনীতি, সেটাই ভেবে পাচ্ছেন না অনেকে। ওমর কুরেশি নামে এক পাকিস্তানি রীতিমত হিসেব-নিকেশ কষে দেখিয়ে দিয়েছেন, পাকিস্তানের ২০১৭-১৮ অর্থবর্ষের বাণিজ্য ঘাটতির পরিমাণ ৩৭.৭ বিলিয়ন ডলার। আর পাকিস্তানের মোট পনির আমদানি হয় ১৩ মিলিয়ন ডলারের, যা নাকি ঘাটতির তুলনায় মাত্র ০.০৩৪৪ শতাংশ। তাই পনির ব্যান করে পাকিস্তান কতটুকু লাভের মুখ দেখবে, কার্যত সেই প্রশ্নই তুলে ধরেছেন তিনি
এদিকে, এক পাকিস্তানি অর্থনীতিবিদ আশফাক হাসান খান বলেন, ‘পাকিস্তানের প্রচুর বিদেশি পনির আসছে। বাজার ভরে গিয়েছে বিদেশি পনিরে। যে দেশের কাছে ডলার নেই, সেই দেশের পক্ষে কি বিদেশি পনির খাওয়াটা মানায়?’
এদিকে, দেশটিতে নতুন বাঁধ ও জলাধার নির্মাণের জন্য প্রয়োজন বিপুল অঙ্কের অর্থ। যা পাকিস্তান সরকারের হাতে নেই। সেই অর্থাভাব মেটাতেই ইমরান খানের সাহায্যের এই আরজি বলে মত বিশেষজ্ঞদের।
পাকিস্তানের পানির সমস্যা মেটাতে ও কৃষিকাজে গতি আনতে বেশ কয়েকটি বাঁধ নির্মাণ অত্যন্ত জরুরি বলে মনে করা হচ্ছে। আর সেজন্যই প্রবাসী নাগরিকদের কাছে সাহায্যের আবেদন করেছেন পাক প্রধানমন্ত্রী।
সম্প্রতি পাকিস্তানের এক জাতীয় সংবাদমাধ্যমে সাক্ষাতকারে তিনি বলেন, বাঁধ ও জলাধার নির্মাণ করতে গেলে এখন পাকিস্তানের প্রয়োজন কয়েক বিলিয়ন ডলার। যার জন্য তাঁর ভরসা প্রবাসী পাকিস্তানিরা। তাদের প্রত্যেকের কাছে তিনি অনুরোধ জানিয়েছেন যে, পাকিস্তানকে যেন তাঁরা অর্থ সাহায্য করেন। এর আগে, পাক প্রধানমন্ত্রী জানিয়ে ছিলেন, পাকিস্তানের নাগরিকদের জীবনযাত্রার মানোন্নয়ন তার সরকারের অন্যতম লক্ষ্য। সেই লক্ষ্যে কাজ করতে চাইছে পাক সরকার।
বিয়ের পূর্বে শারীরিক সম্পর্ক নারীর জীবনে ডেকে আনতে পারে যে ৮টি মারাত্বক সমস্যা ! বিয়ের পূর্বে শারীরিক সম্পর্ক নারীর জীবনে ডেকে আনতে ...
বিয়ের পূর্বে শারীরিক সম্পর্ক নারীর জীবনে ডেকে আনতে পারে যে ৮টি মারাত্বক সমস্যা !
বিয়ের পূর্বে শারীরিক সম্পর্ক নারীর জীবনে ডেকে আনতে পারে যে ৮টি মারাত্বক সমস্যা !
বিয়ের পূর্বে শারীরিক সম্পর্ক নারীর জীবনে ডেকে আনতে পারে যে ৮টি মারাত্বক সমস্যা !
আমাদের সমাজে এমন অনেক পুরুষ রয়েছেন যারা শুধুমাত্র নারীদেহ ভোগ করার উদ্দেশ্যেই প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তোলেন এবং কাজ হাসিল হয়ে গেলে সম্পর্কের দায়ভার নিতে চান না। নারীরাও যে এমন করে না তা নয়, তবে তুলনামূলকভাবে এমন নারীর সংখ্যা কম। আশংকার ব্যাপার হচ্ছে আজকাল অনেক উঠতি বয়সী মেয়েই এই ধরণের শারীরিক সম্পর্ককে আধুনিকতা মনে করে থাকে।
অথচ বিয়ের আগে শারীরিক সম্পর্কের ফলে যে সমস্যা দেখা দেয়, তা পোহাতে হয় নারীদেরকেই! মোদ্দাকথা হলো, বিয়ের আগে শারীরিক সম্পর্ক নারীদের ঠেলে দিতে পারে ঝুঁকির মুখে, তাদের জীবনে ডেকে আনতে পারে নানাবিধ মারাত্মক সমস্যা। তাই সাবধান হোন এবং জেনে নিন অনাকাঙ্খিত সমস্যাগুলো সম্পর্কে।
অনাকাঙ্খিত গর্ভধারণ
বিয়ের আগে শারীরিক সম্পর্কের সবচেয়ে ভয়াবহ যে সমস্যাটি হতে পারে তা হলো অনাকাঙ্খিত গর্ভধারণ। নিরোধক ব্যবহারের পূর্ব পরিকল্পনা না থাকা, আবেগের বশে হঠাত্ করেই যৌন সম্পর্ক করা ইত্যাদি এর অন্যতমত কারণ। শারীরিক সম্পর্কের চিহ্ন ধারণ করে সাধারণত মেয়েরাই। কোনো মেয়ের শারীরিক সম্পর্ক হয়েছে কি না তা ডাক্তারি পরীক্ষার মাধ্যমে সনাক্ত করা যায়, কিন্তু ছেলেদের যায় না। একইভাবে গর্ভধারণের যাবতীয় সমস্যার মধ্য দিয়ে যেতে হয় শুধু মেয়েদেরই। এর ফলে পরিবার, সমাজ এবং নিজের কাছে অপরাধী হতে হয় নারীদের।
ঝুঁকিপূর্ণ গর্ভপাত
বিয়ের আগে শারীরিক সম্পর্কের ফলে গর্ভধারণ করে ফেললে তখন গর্ভপাত করা ছাড়া আর কোনো উপায় থাকে না। গর্ভপাত একটি ঝুঁকিপূর্ণ প্রক্রিয়া। এতে যেমন শারীরিক ক্ষতি হয় তেমনি মানসিক ক্ষতির সম্মুখীনও হতে হয়। গর্ভপাতের সময় অতিরিক্ত রক্তক্ষরণসহ নানা ধরনের শারীরিক সমস্যা হতে পারে। এর দীর্ঘমেয়াদী কুফলও রয়েছে। যেমন পরবর্তীতে গর্ভধারণে সমস্যা হওয়া বা গর্ভধারণ করতে না পারা ইত্যাদি। প্রথম সন্তান জন্মদানের আগে গর্ভপাতের ঘটনা ঘটলে পরবর্তীতে বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই সন্তান ধারনে সমস্যা দেখা দেয়। গর্ভপাতের মানসিক ক্ষতিও কম নয়। সন্তান হারিয়ে অনেকে মানসিকভাবে বিপর্যস্ত হয়ে পড়ে। এমনকি অনেকে বিকারগ্রস্ত পর্যন্ত হয়ে পড়ে।
জন্মনিয়ন্ত্রণের পিল ও অন্যান্য ঝুঁকি
বিয়ের আগে শারীরিক সম্পর্কের কারণে অনেকেই জন্মনিয়ন্ত্রণের পিল বা অন্যান্য ওষুধ গ্রহণ করে থাকে। অনবরত জন্মনিয়ন্ত্রণের পিল গ্রহণ অনাকাঙ্খিত গর্ভধারণ রোধ করলেও ডেকে আনতে পারে মারাত্মক সব সমস্যা। এর মধ্যে অন্যতম হলো সন্তানধারণের ক্ষমতা হারানো। প্রথম সন্তান জন্মের আগেই দীর্ঘদিন পিল গ্রহণের ফলে পরবর্তীতে গর্ভধারণে ঝুঁকি হতে পারে, হতে পারে বারবার গর্ভপাতের সমস্যা। এছাড়া হরমোনের সমস্যা, মুটিয়ে যাওয়া, খাবারে অনীহা,সন্তান উৎপাদনে অক্ষম হয়ে যাওয়া ইত্যাদি সমস্যাও দেখা দিতে পারে।
অপ্রাপ্ত বয়সে শারীরিক সম্পর্কে জড়ানোর ঝুঁকি
বয়ঃসন্ধিকাল থেকেই কিশোর-কিশোরীদের মধ্যে শারীরিক বিষয়াবলির প্রতি আকর্ষণ জন্মায়। ফলে প্রেমের সম্পর্কে কোনো কিছু না ভেবেই শারীরিক সম্পর্কে জড়িয়ে যাওয়ার প্রবণতা তাদের মধ্যে দেখা যায় বেশি। কিন্তু অপরিণত বয়সে শারীরিক সম্পর্কের পরিণতি হতে পারে মারাত্মক। এর ফলে হতে পারে যৌনসংক্রমণ, ক্যানসারের মতো ভয়াবহ সব রোগ। বিশেষ করে কমবয়সী মেয়েরা থাকে হুমকির মুখে। জরায়ুমুখ সংক্রমণ ও জরায়ুমুখ ক্যানসারের ঝুঁকি থাকে সর্বোচ্চ।
মানসিক ভীতি
বিয়ের আগে শারীরিক সম্পর্ক মানে প্রথমবারের মতো যৌন সম্পর্ক স্থাপন। আমাদের দেশের প্রেক্ষাপটে এই কাজটি প্রেমিক যুগলেরা করে থাকে লুকিয়ে, যা পরবর্তীতে একজন নারীর জন্য মানসিক ভীতি বা বিকারের কারণ হয়ে দাঁড়াতে পারে। বিশেষ করে অনেক ক্ষেত্রেই প্রেমিকেরা অপ্রাপ্ত বয়স্ক প্রেমিকাকে চাপ প্রয়োগ করে মিলিত হয়ে থাকে। পরে সম্পর্কটি ভেঙে গেলে এসব অনেক মেয়ের ওপর এমন মানসিক চাপ ফেলে, যা ক্রমশ বিকারে রূপ নেয়। যেমন শারীরিক সম্পর্কে অনীহা বা ভীতি, বিবাহভীতি, পুরুষদের প্রতি ঘৃণা বা ভয় ইত্যাদি। এর ফলে যেমন প্রেমের সম্পর্ক ভেঙে যেতে পারে, তেমনি ভাঙন আসতে পারে বিয়ের সম্পর্কেও।
বিয়ের পর দাম্পত্যে সমস্যা
বিয়ের আগে প্রেমিকের সাথে শারীরিক সম্পর্কে জড়ালে দাম্পত্যজীবনেও দেখা দিতে পারে নানা সমস্যা। নারীরা হতে পারেন স্বামীর অবিশ্বাসের পাত্র। এমনকি প্রেমিকের সাথে বিয়ে হলেও তিনি করতে পারেন নানা রকমের দোষারোপ, করতে পারেন চরিত্র নিয়ে সন্দেহ। ঝগড়ার সময় হয়তো কথায় কথায় বলে বসতে পারেন যে, তার সাথে যেহেতু বিয়ের আগে শারীরিক সম্পর্ক ছিল এমনি হয়তো আরো অনেকের সাথেই ছিল। মোটকথা, দাম্পত্যের প্রতিটি পদে নারীকে শুনতে হতে পারে নানা রকমের কটু কথা।
দাম্পত্যে আকর্ষণ হারানো
অনেক ভালোবাসার সম্পর্ক পায় বিয়ের পরিণতি। যেহেতু স্বামীর সঙ্গে বিয়ের আগে থেকেই শারীরিক সম্পর্ক থাকে, তাই অনেকেই দাম্পত্যজীবনে হারিয়ে ফেলতে পারেন আকর্ষণ। স্বামী-স্ত্রী পরস্পরের কাছ থেকে নতুন কিছু পাবার থাকে না বলে বিয়ের সম্পর্কে বাজতে পারে ভাঙনের সুর। অনেকে বাগদান বা আংটি বদল সম্পন্ন করে একটি দৃঢ় বন্ধন তৈরি হয়েছে ভেবে শারীরিক সম্পর্কে জড়িয়ে যান। বাগদানের পর বিয়ে ভাঙার ঝুঁকি তো থাকেই, সাথে রয়ে যায় দাম্পত্য আকর্ষণহীন হয়ে যাবার শঙ্কাটাও।
সামাজিক লাঞ্ছনা
বিয়ের আগে শারীরিক সম্পর্কের কথা জানাজানি হলে নারীরা হন নানা রকম লাঞ্ছনা-গঞ্জনার শিকার। সমাজ তাকে অপরাধীর দৃষ্টিতে দেখে। তার জীবন হয়ে ওঠে বিষময়। অনাকাঙ্খিত গর্ভধারণ করলে এবং সেটার কথা জানাজানি হলে ফলাফল হয় ভয়াবহ। মেয়েটি সামাজিকভাবে হয়ে যায় একঘরে। পরিবার, আত্মীয়স্বজন, বন্ধুবান্ধব সকলেই দূরে চলে যায়, তাকে পাপীর দৃষ্টিতে দেখে। ফলে সুষ্ঠুভাবে বাকি জীবন কাটানো অসম্ভব হয়ে যায়, জীবন হয়ে ওঠে দুর্বিসহ।
যে ১১টি কারণে ধ্বংস হচ্ছে আমাদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা !! যে ১১টি কারণে ধ্বংস হচ্ছে আমাদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা !! স্বাস্থ্যকর খাদ্য...
যে ১১টি কারণে ধ্বংস হচ্ছে আমাদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা !!
যে ১১টি কারণে ধ্বংস হচ্ছে আমাদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা !!
যে ১১টি কারণে ধ্বংস হচ্ছে আমাদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা !!
স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস এবং নিয়মিত শরীর চর্চা এসব আমাদের রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থাকে শক্তিশালী রাখে। তেমনি এমন কিছু বিষয় আছে যেগুলো আপনার অজান্তেই আপনার রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থাকে ধ্বংস করছে।
আমাদেরকে অবশ্যই বুঝতে হবে যে, সুস্বাস্থ্য ছাড়া আমরা আমাদের জীবনটাকে পুরোপুরি উপভোগ করতে পারব না। আসুন জেনেও নেওয়া যাক কোন অভ্যাসগুলো অজান্তেই রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা ধ্বংস করছে।
১. মদপান
নিয়মিত মদপান করলে রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থা দুর্বল হয়ে পড়ে। অ্যালকোহলে থাকা টক্সিন বা বিষ শরীরে প্রবেশ করে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা ধ্বংস করতে থাকে। মদ্যপানের ফলে যেসব সমস্যার সৃষ্টি হয়
অ্যালকোহলিক লিভার ডিজিস (এএলডি) তার অন্যতম। এই রোগে আক্রান্ত হলে লিভারের কোষসমূহ ক্রমান্বয়ে ধ্বংস হয়ে যায়।
অ্যালকোহলিক লিভার ডিজিস (এএলডি) তার অন্যতম। এই রোগে আক্রান্ত হলে লিভারের কোষসমূহ ক্রমান্বয়ে ধ্বংস হয়ে যায়।
২. অতিরিক্ত ভ্রমণ
আজকাল যেন দুনিয়াটা ঘুরে দেখা একটি রীতিতে পরিণত হয়েছে। আর যে যত বেশি স্থান দেখতে পারবে ততই যেন খ্যাতি। কিন্তু আপনি যদি প্রায়ই ভ্রমণ করেন তাহলে আপনার রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থা দুর্বল হয়ে পড়বে। কারণ নতুন নতুন প্রাকৃতিক পরিবেশ, জলবায়ু, পানি এবং খাদ্য এবং বিশ্রামহীনতার কারণে আপনার রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থার ওপর চাপ পড়ে।
৩. দেহের অতিরিক্ত ওজন
শরীরে অতিরিক্ত চর্বি হওয়া মানেই হচ্ছে শরীরে রোগের ছড়াছড়ি। আর এক্ষেত্রে ডায়াবেটিস, উচ্চ রক্তচাপ, রক্তে চর্বি, হৃদরোগসহ নানা রোগে আক্রান্ত হয়ার ঝুঁকি বাড়ে। আর তার ফলে রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থা দুর্বল হয়ে পড়ে।
৪. দীর্ঘমেয়াদি মানসিক চাপ
অতিরিক্ত ওজনের মতোই দীর্ঘমেয়াদের স্ট্রেস বা মানসিক চাপে আক্রান্ত হলেও রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থা দুর্বল হয়ে পড়ে। স্ট্রেসের ফলে দেহে স্ট্রেস হরমোন কর্টিসোল এর মাত্রা বেড়ে যায়। কর্টিসোল এর মাত্রা বেড়ে গেলে তা রোগ-বালাই সৃষ্টিকারী উপাদানের বিরুদ্ধে দেহের লড়াই করার সক্ষমতা নষ্ট করে।
৫. নিঃসঙ্গতা
এমন অনেকে আছেন যারা তাদের জীবনের বেশিরভাগ সময় ঘরে একাকি কাটিয়ে দিতে পছন্দ করেন। এতে মস্তিষ্কে ডোপামিনের মাত্রা কমে যায়। কেননা একাকি থাকার ফলে নিঃসঙ্গতার বোধ এবং অবসাদ বেড়ে যায়। মস্তিষ্কে ডোপামিন এর মতো উপকারী হরমোন নিঃসরনের হার কমে গেলে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাও কমে যায়।
৬. আবেগ দমন করা
আপনি যদি এমন কেউ হন যিনি রাগ, দুঃখ, উত্তেজনা প্রকাশ না করে অবদমন করেন তাহলে আপনি আপনার রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থাকে ধ্বংস করছেন। কারণ গবেষণায় প্রমাণিত হয়েছে, আবেগ দমন করলে দেহে কর্টিসোল এর মাত্রা বেড়ে যায়। যার ফলে রোগপ্রতিরোধ ব্যবস্থা দুর্বল হয়ে পড়ে।
৭. অপুষ্টি
আপনি যদি এমন একটি ভারসাম্যপূর্ণ খাদ্যাভ্যাস মেনে না চলেন যাতে সব ধরনের জরুরি পুষ্টি উপাদানগুলো থাকে, যেমন, ভিটামিন, প্রোটিন, খনিজ, স্বাস্থ্যকর চর্বি, আঁশ, ইত্যাদি তাহলে আপনার শরীরে পুষ্টির ঘাটতি দেখা দিবে বা আপনি অপুষ্টিতে আক্রান্ত হবেন। এতে আপনার রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা দুর্বল হয়ে পড়বে। সুতরাং সুস্থ্য থাকতে চাইলে পুষ্টিকর খাবার খেতে হবে।
৮. অ্যান্টিবায়োটিকের অতিরিক্ত ব্যবহার
অহেতুক এবং অনিয়ন্ত্রিত অ্যান্টিবায়োটিকের ব্যবহারের ফলে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা নষ্ট হয়। যদি সঠিক পরিমাণে এবং পর্যাপ্ত সময় ধরে অ্যান্টিবায়োটিক ব্যবহার না করা হয় তাহলে ব্যাক্টেরিয়া পুরোপুরি ধ্বংস হয় না এবং বেঁচে যাওয়া ব্যাকটেরিয়াগুলো আরও শক্তিশালী হয়ে ওঠে। ফলে এই ব্যাক্টেরিয়ার বিরুদ্ধে উক্ত অ্যান্টিবায়োটিক আর কাজ করে না। এ অবস্থাকে অ্যান্টিবায়োটিক রেজিস্ট্যান্স বলে।
৯. পানিশুন্যতা
আপনি যদি প্রতিদিন অন্তত দুই লিটার পানি না পান করেন তাহলেই আপনার দেহে পানিশুন্যতা দেখা দিবে। যার ফলে নানা রোগ-বালাই আক্রমণ করবে। পানিশুন্যতা আপনার রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থাকেও দুর্বল করে দিবে। কেননা পানির অভাবে রক্তের শ্বেতকণিকাগুলো শুকিয়ে যায়।
১০. অপর্যাপ্ত ঘুম
পৃথিবীর মোট জনসংখ্যার এক তৃতীয়াংশ দিনে ৫ থেকে ৬ ঘণ্টা বা তার চেয়ে কম ঘুমান। ফলে তাদের শরীর, মন ও মস্তিষ্কে এর অত্যন্ত ক্ষতিকর প্রভাব পড়ে এবং ধীরে ধীরে দেহের রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থা নাজুক হতে শুরু করে। যারা দিনে আট ঘণ্টার কম ঘুমান, তাদের অকাল মৃত্যুর ঝুঁকি ক্রমশ বাড়ছে
১১. অনলাইনে অতিরিক্ত সময় কাটানো
সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমগুলো ব্রাউজিংয়ে অতিরিক্ত সময় ব্যয় করলে তা স্মৃতিকে আঘাত করে, এমনকি ব্যক্তি তার গুরুত্বপূর্ণ তথ্যটিও ভুলে যেতে পারেন বা হারাতে পারেন। আর এ কথা নিশ্চিয়ই আপনার জানা আছে যে, মস্তিষ্ক সুস্থ না থাকা মানে দেহের বিভিন্ন অঙ্গ দুর্বল হয়ে পড়া। দুর্বল অঙ্গে প্রতিরোধহীন ভাবেই রোগ আক্রমণ করবে এটাই কি স্বাভাবিক নয়!
সরিষার তেল ও কালিজিরার স্বাদের একেবারেই ভিন্নধর্মী একটি খিচুড়ি রেসিপি ! সরিষার তেল ও কালিজিরার স্বাদের একেবারেই ভিন্নধর্মী একটি খি...
সরিষার তেল ও কালিজিরার স্বাদের একেবারেই ভিন্নধর্মী একটি খিচুড়ি রেসিপি !
সরিষার তেল ও কালিজিরার স্বাদের একেবারেই ভিন্নধর্মী একটি খিচুড়ি রেসিপি !
সরিষার তেল ও কালিজিরার স্বাদের একেবারেই ভিন্নধর্মী একটি খিচুড়ি রেসিপি !
না, এটা কোন সাধারণ খিচুড়ি নয়, একেবারেই ভিন্ন স্বাদের একটি খিচুড়ি রেসিপি নিয়ে এসেছি আজ। যারা সরিষার তেল ভালোবাসেন, তাদের খুব ভালো লাগবে এই খিচুড়ি। অন্যদিকে যারা কালিজিরা এমনিতে খেতে পারেন না, তাঁদেরও ভালো লাগবে কালিজিরার স্বাদ। স্বাস্থ্য ও সুস্বাদ দুটি একসাথেই মিলবে ফারাহ তানজীন সুবর্ণার দারুণ এই রেসিপিতে।
উপকরণ
পোলাও চাল – ২ পট/কাপ
মুগ ডাল – ৩/৪ পট/কাপ
পেঁয়াজ বাটা – ১ টেবিল চামচ
আদা বাটা – ১ চা চামচ
জিরা গুঁড়া – ১/২ চা চামচ
হলুদ গুঁড়া – ১/৪ চা চামচ
মরিচ গুঁড়া – ১/৩ চা চামচ
পেঁয়াজ কুঁচি – ৩ টেবিল চামচ
রশুন কুঁচি – দেড় চা চামচ
আস্ত কালিজিরা – ১ চামচ
আস্ত জিরা – ১/২ চা চামচ
আস্ত মেথি – ১/২ চা চামচ (মেথি খেতে না চাইলে দেবেন না)
আস্ত গরম মশলা – দারচিনি, লবঙ্গ, এলাচ প্রতিটা ৩ টা করে
কাঁচা মরিচ – ৬/৭ টা
লবন – স্বাদ মত
সয়াবিন তেল – ১/৪ কাপ
সরিষার তেল – ১/২ কাপ
ফুটন্ত পানি – প্রয়োজন মত
মুগ ডাল – ৩/৪ পট/কাপ
পেঁয়াজ বাটা – ১ টেবিল চামচ
আদা বাটা – ১ চা চামচ
জিরা গুঁড়া – ১/২ চা চামচ
হলুদ গুঁড়া – ১/৪ চা চামচ
মরিচ গুঁড়া – ১/৩ চা চামচ
পেঁয়াজ কুঁচি – ৩ টেবিল চামচ
রশুন কুঁচি – দেড় চা চামচ
আস্ত কালিজিরা – ১ চামচ
আস্ত জিরা – ১/২ চা চামচ
আস্ত মেথি – ১/২ চা চামচ (মেথি খেতে না চাইলে দেবেন না)
আস্ত গরম মশলা – দারচিনি, লবঙ্গ, এলাচ প্রতিটা ৩ টা করে
কাঁচা মরিচ – ৬/৭ টা
লবন – স্বাদ মত
সয়াবিন তেল – ১/৪ কাপ
সরিষার তেল – ১/২ কাপ
ফুটন্ত পানি – প্রয়োজন মত
প্রণালী
-মুগ ডাল লাল করে টেলে নিয়ে ভাল করে ধুয়ে পানি ঝরিয়ে রাখতে হবে।পোলাওয়ের চাল-ও ধুয়ে পানি ঝরিয়ে রাখতে হবে।
-প্যানে সয়াবিন তেল আর অল্প সরিষার তেল গরম করে গরম মশলা দিয়ে হালকা ভেঁজে পেঁয়াজ আর আদা বাটা দিয়ে দিতে হবে। অল্প কষিয়ে নিয়ে হলুদ-মরিচ-জিরা গুঁড়া দিয়ে কষিয়ে নিয়ে পোলাওয়ের চাল আর মুগ ডাল দিয়ে ৪/৫ মিনিট ভাঁজতে হবে। তারপর প্রয়োজন মত ফুটন্ত পানি আর লবণ দিয়ে ঢেকে দিতে হবে।
-পানি আর চাল এক সমান হয়ে এলে চুলার আঁচ কমিয়ে প্যানের নিচে তাওয়া দিয়ে দমে বসিয়ে দিতে হবে। সাথে কাঁচা মরিচ গুলো ফালি করে দিয়ে দিতে হবে। ঝাল কম চাইলে আস্ত কাঁচা মরিচ-ও ব্যাবহার করতে পারেন।
-অন্য একটি ফ্রাইং প্যানে বাকি সরিষার তেল গরম করে তাতে কালিজিরা, মেথি আর জিরা ফোঁড়ন দিয়ে কুচোনো পেঁয়াজ আর রশুন সোনালি করে ভেজে তেল সহ হালকা হাতে খিচুড়িতে মিশিয়ে দিতে হবে।
-চাল-ডাল সেদ্ধ হয়ে গেলে নামিয়ে গরম গরম পরিবেশন করতে হবে ইলিশ মাছ ভাজা বা গরুর মাংস ভুনা বা ডিম ভাজা দিয়ে। সাথে একটু খানি আম বা মরিচের আচার দিতে ভুলবেন না যেন।
আধুনিক রুপচর্চা ও রান্না বান্না সম্পর্কিত সকল তথ্য জানতে লাইক দিন আমাদের পেইজে।
Subscribe to:
Posts (Atom)








Follow Us
Were this world an endless plain, and by sailing eastward we could for ever reach new distances