LightBlog
Showing posts with label বাচ্চাদের স্বাস্থ্যসেবা. Show all posts

আপনার বাচ্চাকে কিভাবে খাওয়াবেন সে বিষয়টি আগে থেকেই ভেবে রাখা উচিত। বর্তমানে অধিকাংশ নারী বুকের দুধ খাওয়ানোকেই বেছে নেন। আপনার বাচ্চা...


আপনার বাচ্চাকে কিভাবে খাওয়াবেন সে বিষয়টি আগে থেকেই ভেবে রাখা উচিত। বর্তমানে অধিকাংশ নারী বুকের দুধ খাওয়ানোকেই বেছে নেন।
আপনার বাচ্চার জন্য বুকের দুধই একমাত্র প্রাকৃতিক খাবার।
বুকের দুধ আপনার বাচ্চাকে বিভিন্ন ইনফেকশন ও রোগবালাই থেকে রক্ষা করে।
বুকের দুধ শিশুর স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী।
শিশুকে বুকের দুধ খাওয়ানো মায়ের স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী।
এটি বিনামুল্যে পাওয়া যায়।
যখন এবং যেখানে শিশুর খাওয়ার প্রয়োজন এটি পাওয়া যায়।
এটি সঠিক তাপমাত্রায় থাকে।
এটি মা ও সন্তানের মাঝে একটি মজবুত স্বাস্থ্যগত ও আবেগিক বন্ধন তৈরী করে।
এটি আপনাকে একটি চমৎকার অর্জনমূলক অনুভুতি প্রদান করে।

সাধারন কিছু ভুল ধারণা
বুকের দুধ খাওয়ানো নিয়ে বহু মিথ বা অতিকথন এবং গল্প আমাদের পরিবার পরিজনদের মাঝে বিদ্যমান, কিন্তু এগুলোর মাঝে কিছু ভুল অথবা সেকেলে ধারণা রয়েছে। দেখুন আপনি কত ভুল তথ্য শুনেছেন এবং প্রকৃত সত্য থেকে দূরে থেকেছেনঃ
মিথ ১: “বুকের দুধ খাওয়ানোর ফলে স্তন অসমভাবে ঝুলে যায়’’
প্রকৃত সত্য: বুকের দুধ খাওয়ানোর ফলে স্তন ঝুলে যায়না, তবে বয়স হয়ে যাওয়া এবং ওজন হ্রাস পাওয়া এক্ষেত্রে প্রভাব ফেলে।
মিথ ২: “বুকের দুধ এবং ইনফ্যান্ট ফর্মুলা মূলত একই’’
প্রকৃত সত্য: ইনফ্যান্ট ফর্মুলা কখনোই বুকের দুধের সমতুল্য নয়। এটিতে কোন প্রাকৃতিক উপাদান নেই, সুতরাং অ্যান্টিবডি, জীবন্ত কোষ, এনজাইম অথবা হরমোন বিদ্যমান থাকেনা; যেগুলো আপনার শিশুকে পরবর্তী জীবনে বিভিন্ন ইনফেকশন ও রোগ থেকে সুরক্ষা করতে পারে।
মিথ ৩: “নারীদের প্রকাশ্যে বাচ্চাকে বুকের দুধ খাওয়ানোকে লোকজন অপছন্দ করে’’
প্রকৃত সত্য: জরিপের মাধ্যমে দেখা যায়, অধিকাংশ জনগন প্রকাশ্যে বুকের খাওয়ানোকে মোটেও অপছন্দ করেন না। এটি বেশি বেশি ঘটতে থাকলে তা স্বাভাবিক ঘটনায় পরিণত হবে।
মিথ ৪: “কিছু নারীর ক্ষেত্রে বুকের দুধ খাওয়ানো সহজ, কিন্তু কারো কারো পর্যাপ্ত দুধ উৎপন্ন হয়না‘’
প্রকৃত সত্য: শারীরিকভাবে প্রায় সকল নারীই বুকের দুধ খাওয়ানোর ক্ষেত্রে সক্ষম। এটি বিশেষ এক ধরনের দক্ষতা যা শেখা এবং অভ্যাস গ্রহণের মাধ্যমে নারীদের জন্য সহজ হয়। কারো ক্ষেত্রে অন্যদের তুলনায় খুব সহজে এটি করা সম্ভব, তবে প্রায় সকল নারীই তাদের সন্তানের প্রয়োজন অনুযায়ী বুকের দুধ সরবরাহ করতে সক্ষম।
মিথ ৫: “বাচ্চাকে বুকের দুধ খাওয়ালে যৌনমিলন করা যাবেনা’’
প্রকৃত সত্য: সন্তান জন্মের পর কখন যৌনমিলন করবেন এ বিষয়ে আপনাকে সিদ্ধান্ত নিতে হবে। শিশুর জন্য বুকের দুধ নির্গত হওয়ার ক্ষেত্রে যে হরমোন(oxytocin) সাহায্য করে একই হরমোন যৌনমিলনের সময় তৈরী হয়। যৌনমিলনের সময় সামান্য পরিমান দুধ নির্গত হতে পারে। তবে  এটি একটি স্বাভাবিক ঘটনা।

বোতলের পরিবর্তে বুকের দুধ খাওয়ানো
যদি আপনি ইতিমধ্যে কিছুদিন যাবৎ বাচ্চাকে সম্পুরক খাবার (ফর্মুলা) খাওয়ান, কিন্তু আপনার চিন্তায় পরিবর্তন হওয়ার ফলে যদি বুকের দুধ খাওয়াতে চান; তাহলে কিভাবে বুকের দুধের সরবরাহ বৃদ্ধি করা যায় সে বিষয়ে যত দ্রুত সম্ভব চিকিৎসক অথবা স্বাস্থ্য পরিদর্শকের সাথে কথা বলুন।

বুকের দুধ না খাওয়ানোর কিছু স্বাস্থ্যগত কারন
মাঝে মাঝে বুকের দুধ না খাওয়ানোর কিছু স্বাস্থ্যগত কারন দেখা যায়। যেমন আপনি যদি HIV তে আক্রান্ত হন অথবা এমন ধরনের ঔষধ গ্রহণ করেন যা শিশুর স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর তাহলে বুকের দুধ খাওয়ানো উচিত নয়। এই রকম অবস্থায় যখন কোন উপায় থাকেনা, চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী ইনফ্যান্ট ফর্মুলার দ্বারা বোতলে খাওয়াতে পারেন। যদি আপনি বাচ্চাকে বুকের দুধ খাওয়ানোর বিষয়ে নিশ্চিত না হতে পারেন, তাহলে তথ্য ও সাহায্যের জন্য চিকিৎসক অথবা স্বাস্থ্য পরিদর্শকের সাথে কথা বলুন। এছাড়াও সাহায্যের জন্য আপনি আমাদের শিশুকে বুকের দুধ খাওয়ানো  বিষয়ক সাহায্য এবং তথ্য বিভাগে অনুসন্ধান করুন।

সম্পূরক খাবার(formula) খাওয়ানো
আপনি যদি সম্পুরক খাবার বা ফর্মুলা মিল্ক খাওয়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়ে থাকেন তাহলে আমাদের এ বিষয়ক বিভাগে দেখুন কিভাবে ব্যবহারিক ও গুরুত্বপুর্ণ তথ্যের দ্বারা ফর্মুলা ফিডিং এর ঝুঁকি হ্রাস করা যায়।

শিশুর অপুষ্টিতে স্বাস্থ্য বৃদ্ধির জন্য যা খাওয়াবেন !! কলা, ছোলা আর চিনাবাদাম দিয়ে তৈরি খাবার অপুষ্টিতে ভোগা শিশুদের স্বাস্থ্যের উন...


শিশুর অপুষ্টিতে স্বাস্থ্য বৃদ্ধির জন্য যা খাওয়াবেন !!
কলা, ছোলা আর চিনাবাদাম দিয়ে তৈরি খাবার অপুষ্টিতে ভোগা শিশুদের স্বাস্থ্যের উন্নতি করে বলে এক গবেষণায় বলা হয়। বাংলাদেশে চালানো এক মার্কিন গবেষণায় জানা যায়, এসব খাদ্য শিশুদের পাকস্থলীতে স্বাস্থ্যবর্ধক ব্যাকটেরিয়ার বৃদ্ধিতে সহায়ক হয়। শিশুর হাড়, মস্তিষ্ক এবং শারীরিক বিকাশে এই খাবারগুলো খুবই কার্যকর বলে গবেষকরা জানতে পেরেছেন
যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটন বিশ্ববিদ্যালয় ঢাকার আন্তর্জাতিক উদরাময় গবেষণা কেন্দ্র আইসিডিডিবিআর এর বিজ্ঞানীরা যৌথভাবে এই গবেষণা চালান।
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বলছে, সারা বিশ্বে ১৫ কোটি শিশু এখন অপুষ্টিতে ভুগছে। এসব শিশু যেমন শারীরিকভাবে দুর্বল হয়, আকারে ছোট হয়, তেমনি এদের পাকস্থলীতে যে স্বাস্থ্যবর্ধক ‘ভালো’ ব্যাকটেরিয়া থাকে তাদের সংখ্যাও থাকে কম। ওয়াশিংটন বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজ্ঞানীরা বিশ্বাস করেন, দেহের দুর্বলতার জন্যও এসব ব্যাকটেরিয়ার অভাব অনেকাংশে দায়ী।
গবেষণায় বিজ্ঞানীরা বাংলাদেশের সুস্থ শিশুদের পাকস্থালীতে যেসব প্রধান ব্যাকটেরিয়া থাকে তার পরীক্ষা করেন। পাকস্থলীর ভাল ব্যাকটেরিয়াগুলিকে মাইক্রোবাইওম নামে ডাকা হয়।
এরপর ইঁদুর এর ওপর পরীক্ষা করে দেখেন যে কোন ধরনের খাবার দিলে এসব ব্যাকটেরিয়ার সংখ্যা বৃদ্ধি পায়। এরপর এক মাসব্যাপী এক পরীক্ষায় অপুষ্টিতে ভোগা ৬৮টি বাংলাদেশি শিশুকে বিভিন্ন ধরনের ডায়েট খেতে দেন।
শিশুদের অপুষ্টি কেটে গেলে তারা দেখেন এক ধরনের ডায়েট তাদের স্বাস্থ্যের জন্য সবচেয়ে উপকারী।
আর তা হলো কলা, সয়া, চিনাবাদামের গুড়া আর ছোলার গুড়ার তৈরি বিশেষ মিশ্রণ।
এই খাদ্য ব্যবহারে শিশুদের হাড়ের বৃদ্ধি ও মস্তিষ্কের ক্ষমতা যেমন বৃদ্ধি পায়, তেমনি শিশুর রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতাও বেড়ে যায় বলে গবেষণার ফলাফলে জানা যায়।সূত্র: বিবিসি বাংলা

শিশুর মাথা ব্যথা অবহেলা করবেন না !! শিশুর মাথা ব্যথা অবহেলা করবেন না !! কোনো শিশু যখন মাথা ব্যথার কথা বলে তখন স্বভাবতই বাবা-মা ...

শিশুর মাথা ব্যথা অবহেলা করবেন না !!



শিশুর মাথা ব্যথা অবহেলা করবেন না !!
কোনো শিশু যখন মাথা ব্যথার কথা বলে তখন স্বভাবতই বাবা-মা বা স্কুলের শিক্ষকরা সব সময় বিশ্বাস করতে চান না। অনেক ক্ষেত্রে শিশুদের স্কুল ফাঁকি অথবা হোমওয়ার্ক এড়ানোর অজুহাত হিসেবে দেখা হয়। এব্যাপারে ডিম্যাগিও চিলড্রেন হাসপাতালের পেডিয়াট্রিক নিউরোলজিস্ট ড.ডায়ানা মার্টিনেজ এক গবেষণায় উল্লেখ করেছেন, শিশুদের মাথা ব্যথা আর বড়দের মাথা ব্যথা এক ধরনের নয়। এই বিশেষজ্ঞের মতে, শিশুদের মাথা ব্যথা হলে কখনো অবহেলা করা উচিত নয়। অথবা শিশুকে ভুল বুঝা উচিত নয়।
শিশুর মাথায় হতে পারে ব্রেইন টিউমার অথবা চিয়ারি ম্যালফরমেশনের মত জটিল মস্তিষ্কের সমস্যা। মাথা ব্যথার সাথে শিশুর যদি ঘাড় ব্যথা হয় অথবা বমি করে তাহলে সমস্যাটিকে মোটেও হালকাভাবে দেখা যাবে না। এছাড়া মাথা ব্যথার কারণে যদি শিশুর ঘুম ভেঙে যায় অথবা প্রত্যুষে উঠে পড়ে তাহলে অবশ্যই কোনো সংশ্লিষ্ট চিকিত্সককে দেখাতে হবে।
এব্যাপারে মাউন্ট সাইনাই মেডিক্যাল সেন্টারের নিউরোলজি ডিভিশনের প্রধান ড. অ্যালেন কানট্রোয়েজ মনে করেন শিশুর মাথা ব্যথার ক্ষেত্রে অনেক সময় শিশু যে মিথ্যা বলে না তা নয়। তবে তা অভিভাবক ও চিকিত্সকরা বুঝতে পারেন। তবে চিয়ারি ম্যালফরমেশন বা মস্তিষ্কের গঠনগত ত্রুটির কারণে যদি মাথা ব্যথা হয়ে থাকে তবে এধরনের মাথা ব্যথা বারবার হতে পারে
এমনকি একটু শব্দ করে হাসলে অথবা কাশি দিলেও মাথা ব্যথা হতে পারে। তাই শিশুর বার বার মাথা ব্যথা হলে অবশ্যই অবহেলা করা যাবে না। অবশ্যই কোনো চিকিত্সকের কাছে নেবেন।
লেখক: ডা. মোড়ল নজরুল ইসলাম
চুলপড়া, এলার্জি, চর্ম ও যৌন রোগ বিশেষজ্ঞ

শীতে কিভাবে নিবেন শিশুর যত্ন শিশুদের ত্বক বড়দের তুলনায় খুবই নাজুক ও স্পর্শকাতর হয়ে থাকে।  আর এই শীতের সময়ে শিশুদের স্পর্শকাতর ত্বক হয়...

শীতে কিভাবে নিবেন শিশুর যত্ন
শিশুদের ত্বক বড়দের তুলনায় খুবই নাজুক ও স্পর্শকাতর হয়ে থাকে। আর এই শীতের সময়ে শিশুদের স্পর্শকাতর ত্বক হয়ে উঠে শুষ্ক ও রুক্ষ। এছাড়াও এই সময়ে শিশুদের ঠান্ডা, জ্বর, সর্দি, কাশি লেগেই থাকে।তাই শীতকালে শিশুদের সুস্থ্য রাখার জন্য চাই বিশেষ কিছু যত্ন.আপনাদের জন্য আজকে নিয়ে আসছি শীতকালে আপনার শিশুকে সুস্থ্য রাখতে কিছু গুরুত্বপূর্ন টিপস।




1। গোসল- নিয়মিত অনেক বাবা-ই মনে করে শীতে শিশুকে প্রতিদিন গোসল মা করালে ঠান্ডা লেগে যাবে। ঠান্ডা পানি দিয়ে গোসল করালে যেমন ঠান্ডা লেগে যাবার ভয় থাকে তেমনি গোসল না করালেও শিশুর ত্বকের আর্দ্রতা হারিয়ে যাবে । তাই শীতে শিশুকে গোসল করাতে হবে হালকা কুসুম গরম পানি দিয়ে । শীতে শিশুদের পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন রাখতেই গোসল অপরিহার্য।

২। ব্যবহার- সাবান আপানর শিশুকে সাবান ব্যবহারের ক্ষেত্র্রে সতর্ক থাকুন.শরীর পরিস্কারে অবশ্যই বেবী সোপ ব্যবহার করুন। কিছুতেই শিশুদের ক্ষেত্রে বড়দের সাবান ব্যবহার করবেন না। বড়দের সাবান ব্যবহারে আপনার শিশুর ত্বক শুষ্ক হয়ে

3। করা- শ্যাম্পু আপনার শিশুর চুলে একদিন পর পর শ্যাম্পু লাগিয়ে দিন। শ্যাম্পু লাগানোর সময় মাথার ত্বক আপনার আঙ্গুলের ডগা-ময়লা জমে চুলে খুশকি জমতে না পারে।

4। ধোয়া- হাত আমাদের মধ্যে অনেকেই আছি যারা শীতের সময় বাচ্চাদের পানি ব্যবহারের পরিমান কমিয়ে দেই কারন বাচ্চার ঠান্ডা লেগে যেতে পারে এই ভয়ে। কিন্তু এই সময়ে সংক্রামন রোগের মূল পথ হচ্ছে। তাই আপনার বাচ্চাকে হাত ধোয়া শেখান প্রতিটি খাবার

5। শীতকালীন পোষাক ধোয়া- নিয়মিতভাবে আমরা অনেকেই মনে করি শীতকালে কম ঘাম হয় তাই এটি শীঘ্রই ধুয়ে দিতে হবে না। কিন্তু উলের পোষাকে ধুলি-কনা আকৃষ্ট করার প্রবনতা বেশি। যা থেকে বাচ্চার অ্যালার্জি ও হাপাঁনি হতে পারে। তাই আপনার বাচ্চার শীতের পোষাক নিয়মিত পরিস্কার পরিচ্ছন্ন

6। ব্যবহার- সানস্ক্রীন শীতকালে আপনার সন্তান বাহিরে বের হলেই উদারভাবে সানস্ক্রীন ব্যবহার করতে ভুলবেন না।

7। ব্যবহারে সাবধানতা- ডায়াপার নবজাতককে ডায়াপার পরালে অবশ্যই নিয়মিত তা বদলানোর কাজটি মনোযোগ দিয়ে করতে হবে। ভেজা ডায়াপার থেকে শিশুদের দ্রুত ঠান্ডা লেগে যেতে

8। নাক পরিস্কার- নিযমিত শীতের সময়ে আপনার বাচ্চার ঠান্ডা লেগে নাক বন্ধ হয়ে যেতে পারে, এক্ষেত্রে একটু উষ্ণ জলে কটন বাড ভিজিয়ে নাকের। এছাড়াও নরসল ড্রপ দিনে দুইবার দেয়া যেতে পারে, এতে কোন পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া নেই।

9। পরামর্শ্ ছাড়া ঔষধ ব্যবহার না করা- ডাক্তারের অনেক মায়েরা প্রায়ই জিজ্ঞেস করে গতবার জ্বরের সময় ডাক্তার এই ঔষধটি দিয়েছিল, এখন কি আমি এটা ব্যবহার করতে পারি? উত্তর হবে এক কথায় না, কারন আপনার সন্তানের সংক্রামন এজেন্ডা আলাদা হতে পারে। তাই যে কোন ঔষধ ব্যবহার করার আগে দয়া


10। ঘুম- শীতকালে আপনার সন্তানকে সুস্থ্য রাখতে বিশেষভাবে অবদান রাখে একটি আরামদায়ক পরিপূর্ন্ ঘুম। তাই আপনার সন্তানের ঘুমের দিকে বিশেষভাবে খেয়াল রাখতে। আপনার সন্তানের প্রতিদিন কতটুকু ঘুম প্রয়োজন তা যদি, একবার দেখে নিতে পারেন-

  • · 1 বছরের কম বয়সী শিশুর প্রতিদিন 1২-18 ঘন্টা ঘুম প্রয়োজন       
  • · 1 থেকে 3 বছর বয়সের শিশুর প্রতিদিন 1২-14 ঘন্টা ঘুম প্রয়োজন।      
  • · 3 থেকে 5 বছর বয়সের শিশুর প্রতিদিন 11-13 ঘন্টা ঘুম প্রয়োজন।      
  • · 5 থেকে 10 বছর বয়সের শিশুর প্রতিদিন 10-11 ঘন্টা ঘুম প্রয়োজন।      


আপনার সন্তানের সুস্থ্যতার জন্য এই টিপসগুলো  (স্বাস্থ্য টিপস)  মেনে চলুন। আমি মনে করি এই স্বাস্থ্যবিধি বা টিপসগুলো অনুসরন করা খুব একটা কঠিন নয় । একটু কষ্ট করে হলেও উপরোক্ত (স্বাস্থ্য টিপস)   টিপসগুলো মেনে চলুন এবং আপনার সন্তানকে সুস্থ্য রেখে তাদের সাথে শীতকালটা উপভোগ করুন । 10 গুরুত্বপূর্ণ টিপস শীতের সময় আপনার শিশুর স্বাস্থ্য রাখার)