LightBlog
Showing posts with label সেক্স হেলথ. Show all posts

এখনকার সময়ে অনেক পুরুষই যৌনাকাঙ্ক্ষা কম হওয়ার সমস্যায় ভুগে থাকেন। এই সমস্যার পিছনে খাদ্যাভাস মারাত্মক প্রভাব থাকতে পারে। খাদ্যাভাস আপন...


এখনকার সময়ে অনেক পুরুষই যৌনাকাঙ্ক্ষা কম হওয়ার সমস্যায় ভুগে থাকেন। এই সমস্যার পিছনে খাদ্যাভাস মারাত্মক প্রভাব থাকতে পারে। খাদ্যাভাস আপনার লিবিডোতে ক্ষতিকর প্রভাব ফেলতে পারে। বিশেষ করে যখন বয়স বাড়তে থাকে তখন এই ক্ষতিকর প্রভাব পড়ার সম্ভাবনা বেড়ে যায়। তাই যেসব খাবার আপনার যৌন ইচ্ছা কমিয়ে দেয় বা যৌন ক্ষমতা নষ্ট করে সেগুলি খাবারের তালিকা থেকে বাদ দেওয়াই ভালো। যেমন-
সয়া: 
সয়াবিন থেকে তৈরি বেশিরভাগ পণ্যই সাইটোয়েস্ট্রোজেন নামে একটি রাসায়নিক পদার্থ থাকে। এটি পুরুষ ও নারীর দেহে হরমোনের ভারসাম্যে বিরূপ প্রভাব ফেলে। একটি গবেষণায় দেখা গেছে, বিশ্বব্যাপী যারা সয়া পণ্য ভোগ করে তাদের মধ্যে যৌন আগ্রহ কম। তাই যেসব পুরুষ সন্তান গ্রহণের কথা ভাবছেন তারা খাদ্য তালিকা থেকে সয়া একদম বাদ দিয়ে দিন। কারণ সয়া শুক্রাণুর পরিমাণও কমিয়ে দেয়।
পুদিনা পাতা: 
সুগন্ধির জন্য পুদিনা পাতা অনেক বেশি জনপ্রিয়। কিন্তু যৌন জীবনের জন্য এটি মোটেও ভালো নয়। এটি শরীরে যৌন উদ্দীপনা সৃষ্টিকারী হরমোন টেসটোসটের মাত্রা কমিয়ে দেয় যা শরীরকে ঠাণ্ডা করে দেয় এবং যৌন আগ্রহ কমিয়ে দেয়। তাই সুগন্ধির জন্য পুদিনা বাদ দিয়ে আদা খাওয়ার অভ্যাস করা যেতে পারে। আদা অনেক ভালো।
কফি: 
কফি আপনার যৌন ইচ্ছা বাড়ানোতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। কফিতে যে ক্যাফেইন থাকে তা আপনার যৌনতার মুড কার্যকর রাখে। তবে অতিমাত্রায় কফি খেলে হতে পারে বিপত্তি! এটি মূত্রথলির ক্ষতি করে এবং যৌন ও থাইরয়েড হরমোন ভারসাম্যহীনতা তৈরি করে।
পনির: 
গরুর দুধ থেকে তৈরি পনির এখন সুপার মার্কেটে খুবই সহজলভ্য। পনির ছাড়া অনেকের নাশতাই যেন জমে না। পনিরকে হরমোন ও অ্যান্টিবডি তৈরির কৃত্রিম উৎসও মনে করা হয়। তবে বেশি মাত্রায় পনির খেলে শরীরে এস্ট্রোজেন-জাতীয় পদার্থের নিঃসরণ হয়, যা মানুষের যৌন আকর্ষণ কমিয়ে দেয়। এমনকি এর প্রভাবে যৌনশক্তি লোপ পেতেও পারে।
যৌন শক্তি কমার আরও কিছু কারণ:
কমে যাচ্ছে ফার্টিলিটি:
ফার্টিলিটি বা উর্বরতা কমে যাওয়া আধুনিক সমাজে পুরুষদের মধ্যে ক্রমাগত দুশ্চিন্তা বাড়িয়ে চলেছে। স্পার্ম কাউন্ট কমে যাওয়ার এই ব্যাপারটার পেছনে কারণ হিসেবে অতিরিক্ত কীটনাশক অন্যতম। ‘এন্ডরফিন’ নামের হরমোন কমিয়ে দিতে সক্ষম রাসায়নিক যেমন বিসফেনলসহ আরও অনেক রাসায়নিক, কৃত্রিম পদার্থ আমাদের দেহে ঢুকছে খাদ্য এবং পানির মাধ্যমে।
রাসায়নিক প্রভাবে পুরুষদের মধ্যে বেড়ে যাচ্ছে ‘নারীত্ব’: 
ফথ্যালেট নামের এক ধরনের রাসায়নিকের সংস্পর্শে বেশি সময় কাটানোর কারণে পুরুষদের স্বাভাবিক টেস্টোস্টেরন নিঃসরণ কমে যাচ্ছে এবং যৌনাঙ্গে দেখা দিচ্ছে অস্বাভাবিকতা। বিভিন্ন ধরনের প্লাস্টিকে এসব ফথ্যালেট পাওয়া যায়। এমনকি গর্ভে অবস্থান করার সময়ে মায়ের শরীরেও যদি এর প্রভাব পড়ে, তবে ছেলের মধ্যে পুরুষসুলভ আচরণের ঘাটতি থাকবে।

‘মেট্রোসেক্সুয়াল’ অস্থিরতা:
এখনকার সামাজিক অবস্থার কারণে, ভদ্র এবং নম্র দেখানোর চেষ্টায় অনেক পুরুষই পরিণত হয়েছেন “মেট্রোসেক্সুয়াল” মানুষে। এই পুরুষেরা একই নারীর সঙ্গে জীবন কাটিয়ে দেওয়ার চিন্তায় শঙ্কিত হন এবং বারবার সঙ্গিনী পরিবর্তন করেন। ফলে সমাজে সৃষ্টি হচ্ছে অস্থিরতা এবং নারীরাও জীবনে স্থায়ী হবার জন্য উপযুক্ত পুরুষসঙ্গী খুঁজে পাচ্ছেন না। এসব পুরুষেরা একেবারেই ভুলে যান যে, অনেক সঙ্গিনীর রেকর্ড থাকা নয় বরং একজন নারীর প্রতি বিশ্বস্ত থাকাটাই আসলে পৌরুষত্বের লক্ষণ।

বিয়ের পূর্বে শারীরিক সম্পর্ক নারীর জীবনে ডেকে আনতে পারে যে ৮টি মারাত্বক সমস্যা ! বিয়ের পূর্বে শারীরিক সম্পর্ক নারীর জীবনে ডেকে আনতে ...

বিয়ের পূর্বে শারীরিক সম্পর্ক নারীর জীবনে ডেকে আনতে পারে যে ৮টি মারাত্বক সমস্যা !


বিয়ের পূর্বে শারীরিক সম্পর্ক নারীর জীবনে ডেকে আনতে পারে যে ৮টি মারাত্বক সমস্যা !
আমাদের সমাজে এমন অনেক পুরুষ রয়েছেন যারা শুধুমাত্র নারীদেহ ভোগ করার উদ্দেশ্যেই প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তোলেন এবং কাজ হাসিল হয়ে গেলে সম্পর্কের দায়ভার নিতে চান না। নারীরাও যে এমন করে না তা নয়, তবে তুলনামূলকভাবে এমন নারীর সংখ্যা কম। আশংকার ব্যাপার হচ্ছে আজকাল অনেক উঠতি বয়সী মেয়েই এই ধরণের শারীরিক সম্পর্ককে আধুনিকতা মনে করে থাকে।
অথচ বিয়ের আগে শারীরিক সম্পর্কের ফলে যে সমস্যা দেখা দেয়, তা পোহাতে হয় নারীদেরকেই! মোদ্দাকথা হলো, বিয়ের আগে শারীরিক সম্পর্ক নারীদের ঠেলে দিতে পারে ঝুঁকির মুখে, তাদের জীবনে ডেকে আনতে পারে নানাবিধ মারাত্মক সমস্যা। তাই সাবধান হোন এবং জেনে নিন অনাকাঙ্খিত সমস্যাগুলো সম্পর্কে।
অনাকাঙ্খিত গর্ভধারণ
বিয়ের আগে শারীরিক সম্পর্কের সবচেয়ে ভয়াবহ যে সমস্যাটি হতে পারে তা হলো অনাকাঙ্খিত গর্ভধারণ। নিরোধক ব্যবহারের পূর্ব পরিকল্পনা না থাকা, আবেগের বশে হঠাত্‍ করেই যৌন সম্পর্ক করা ইত্যাদি এর অন্যতমত কারণ। শারীরিক সম্পর্কের চিহ্ন ধারণ করে সাধারণত মেয়েরাই। কোনো মেয়ের শারীরিক সম্পর্ক হয়েছে কি না তা ডাক্তারি পরীক্ষার মাধ্যমে সনাক্ত করা যায়, কিন্তু ছেলেদের যায় না। একইভাবে গর্ভধারণের যাবতীয় সমস্যার মধ্য দিয়ে যেতে হয় শুধু মেয়েদেরই। এর ফলে পরিবার, সমাজ এবং নিজের কাছে অপরাধী হতে হয় নারীদের।
ঝুঁকিপূর্ণ গর্ভপাত
বিয়ের আগে শারীরিক সম্পর্কের ফলে গর্ভধারণ করে ফেললে তখন গর্ভপাত করা ছাড়া আর কোনো উপায় থাকে না। গর্ভপাত একটি ঝুঁকিপূর্ণ প্রক্রিয়া। এতে যেমন শারীরিক ক্ষতি হয় তেমনি মানসিক ক্ষতির সম্মুখীনও হতে হয়। গর্ভপাতের সময় অতিরিক্ত রক্তক্ষরণসহ নানা ধরনের শারীরিক সমস্যা হতে পারে। এর দীর্ঘমেয়াদী কুফলও রয়েছে। যেমন পরবর্তীতে গর্ভধারণে সমস্যা হওয়া বা গর্ভধারণ করতে না পারা ইত্যাদি। প্রথম সন্তান জন্মদানের আগে গর্ভপাতের ঘটনা ঘটলে পরবর্তীতে বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই সন্তান ধারনে সমস্যা দেখা দেয়। গর্ভপাতের মানসিক ক্ষতিও কম নয়। সন্তান হারিয়ে অনেকে মানসিকভাবে বিপর্যস্ত হয়ে পড়ে। এমনকি অনেকে বিকারগ্রস্ত পর্যন্ত হয়ে পড়ে।
জন্মনিয়ন্ত্রণের পিল ও অন্যান্য ঝুঁকি
বিয়ের আগে শারীরিক সম্পর্কের কারণে অনেকেই জন্মনিয়ন্ত্রণের পিল বা অন্যান্য ওষুধ গ্রহণ করে থাকে। অনবরত জন্মনিয়ন্ত্রণের পিল গ্রহণ অনাকাঙ্খিত গর্ভধারণ রোধ করলেও ডেকে আনতে পারে মারাত্মক সব সমস্যা। এর মধ্যে অন্যতম হলো সন্তানধারণের ক্ষমতা হারানো। প্রথম সন্তান জন্মের আগেই দীর্ঘদিন পিল গ্রহণের ফলে পরবর্তীতে গর্ভধারণে ঝুঁকি হতে পারে, হতে পারে বারবার গর্ভপাতের সমস্যা। এছাড়া হরমোনের সমস্যা, মুটিয়ে যাওয়া, খাবারে অনীহা,সন্তান উৎপাদনে অক্ষম হয়ে যাওয়া ইত্যাদি সমস্যাও দেখা দিতে পারে।
অপ্রাপ্ত বয়সে শারীরিক সম্পর্কে জড়ানোর ঝুঁকি
বয়ঃসন্ধিকাল থেকেই কিশোর-কিশোরীদের মধ্যে শারীরিক বিষয়াবলির প্রতি আকর্ষণ জন্মায়। ফলে প্রেমের সম্পর্কে কোনো কিছু না ভেবেই শারীরিক সম্পর্কে জড়িয়ে যাওয়ার প্রবণতা তাদের মধ্যে দেখা যায় বেশি। কিন্তু অপরিণত বয়সে শারীরিক সম্পর্কের পরিণতি হতে পারে মারাত্মক। এর ফলে হতে পারে যৌনসংক্রমণ, ক্যানসারের মতো ভয়াবহ সব রোগ। বিশেষ করে কমবয়সী মেয়েরা থাকে হুমকির মুখে। জরায়ুমুখ সংক্রমণ ও জরায়ুমুখ ক্যানসারের ঝুঁকি থাকে সর্বোচ্চ।
মানসিক ভীতি
বিয়ের আগে শারীরিক সম্পর্ক মানে প্রথমবারের মতো যৌন সম্পর্ক স্থাপন। আমাদের দেশের প্রেক্ষাপটে এই কাজটি প্রেমিক যুগলেরা করে থাকে লুকিয়ে, যা পরবর্তীতে একজন নারীর জন্য মানসিক ভীতি বা বিকারের কারণ হয়ে দাঁড়াতে পারে। বিশেষ করে অনেক ক্ষেত্রেই প্রেমিকেরা অপ্রাপ্ত বয়স্ক প্রেমিকাকে চাপ প্রয়োগ করে মিলিত হয়ে থাকে। পরে সম্পর্কটি ভেঙে গেলে এসব অনেক মেয়ের ওপর এমন মানসিক চাপ ফেলে, যা ক্রমশ বিকারে রূপ নেয়। যেমন শারীরিক সম্পর্কে অনীহা বা ভীতি, বিবাহভীতি, পুরুষদের প্রতি ঘৃণা বা ভয় ইত্যাদি। এর ফলে যেমন প্রেমের সম্পর্ক ভেঙে যেতে পারে, তেমনি ভাঙন আসতে পারে বিয়ের সম্পর্কেও।
বিয়ের পর দাম্পত্যে সমস্যা
বিয়ের আগে প্রেমিকের সাথে শারীরিক সম্পর্কে জড়ালে দাম্পত্যজীবনেও দেখা দিতে পারে নানা সমস্যা। নারীরা হতে পারেন স্বামীর অবিশ্বাসের পাত্র। এমনকি প্রেমিকের সাথে বিয়ে হলেও তিনি করতে পারেন নানা রকমের দোষারোপ, করতে পারেন চরিত্র নিয়ে সন্দেহ। ঝগড়ার সময় হয়তো কথায় কথায় বলে বসতে পারেন যে, তার সাথে যেহেতু বিয়ের আগে শারীরিক সম্পর্ক ছিল এমনি হয়তো আরো অনেকের সাথেই ছিল। মোটকথা, দাম্পত্যের প্রতিটি পদে নারীকে শুনতে হতে পারে নানা রকমের কটু কথা।
দাম্পত্যে আকর্ষণ হারানো
অনেক ভালোবাসার সম্পর্ক পায় বিয়ের পরিণতি। যেহেতু স্বামীর সঙ্গে বিয়ের আগে থেকেই শারীরিক সম্পর্ক থাকে, তাই অনেকেই দাম্পত্যজীবনে হারিয়ে ফেলতে পারেন আকর্ষণ। স্বামী-স্ত্রী পরস্পরের কাছ থেকে নতুন কিছু পাবার থাকে না বলে বিয়ের সম্পর্কে বাজতে পারে ভাঙনের সুর। অনেকে বাগদান বা আংটি বদল সম্পন্ন করে একটি দৃঢ় বন্ধন তৈরি হয়েছে ভেবে শারীরিক সম্পর্কে জড়িয়ে যান। বাগদানের পর বিয়ে ভাঙার ঝুঁকি তো থাকেই, সাথে রয়ে যায় দাম্পত্য আকর্ষণহীন হয়ে যাবার শঙ্কাটাও।
সামাজিক লাঞ্ছনা

বিয়ের আগে শারীরিক সম্পর্কের কথা জানাজানি হলে নারীরা হন নানা রকম লাঞ্ছনা-গঞ্জনার শিকার। সমাজ তাকে অপরাধীর দৃষ্টিতে দেখে। তার জীবন হয়ে ওঠে বিষময়। অনাকাঙ্খিত গর্ভধারণ করলে এবং সেটার কথা জানাজানি হলে ফলাফল হয় ভয়াবহ। মেয়েটি সামাজিকভাবে হয়ে যায় একঘরে। পরিবার, আত্মীয়স্বজন, বন্ধুবান্ধব সকলেই দূরে চলে যায়, তাকে পাপীর দৃষ্টিতে দেখে। ফলে সুষ্ঠুভাবে বাকি জীবন কাটানো অসম্ভব হয়ে যায়, জীবন হয়ে ওঠে দুর্বিসহ।

মেযেদের কনডম কি ভাবে মেযেরা কনডম ব্যাবহার করবেন নারীদের কন্ডম এ ক্ষেত্রে নারীরা নিজেদের জন্মনিয়ন্ত্রন পদ্ধতি নিজেরাই পছন্দ করত...

মেযেদের কনডম কি ভাবে মেযেরা কনডম ব্যাবহার করবেন




নারীদের কন্ডম
এ ক্ষেত্রে নারীরা নিজেদের জন্মনিয়ন্ত্রন পদ্ধতি নিজেরাই পছন্দ করতে পারে। এটি অবশ্য পুরুষ লিঙ্গ যোনী স্পর্শ করার পুর্বেই পরতে হবে।
ব্যবহার পদ্ধতি-
  • সাবধানে প্যাকেটটি খুলুন যেটার মাঝে কনডমটি আছে, খেয়াল রাখুন যেন তা ছিড়ে না যায়। বন্ধ দিকটি নিজের তর্জনী বা বুড়ো আঙ্গুলের মাঝে ধরুন । যেখানে একটি পাতলা রিং আছে আরেক হাত দিয়ে যোনী উন্মুক্ত করুন ।
  • তারপর রিং টি যোণীতে প্রবেশ করান এবং মধ্য আঙ্গুল দিয়ে রিং এর মাঝে অংশ যোনির যতটুকু ভিতরে সম্ভব ততটুকু ভিতরে প্রবেশ করান । পাতলা রিংটি যোনীর জতটুকু বাইরের দিকে সম্ভব সেখানে রাখুন । খেয়াল রাখুন পুরুষ লিঙ্গ যেন যোনী এবং কনডমের  মাঝ দিয়ে  চলে যায়।
  • মিলেনের পর কনডমের শেষ অংশ ধরে কন্ডম বের করে আনুন । খেয়াল রাখুন কনডম যেন ছিড়ে না যায়। তাতে বীর্য দেহে প্রবেশ করতে পারে । এমন হলে ডাক্তারের পরামর্শে ইমার্জেন্সি পিল সেবন করুন।

স্ত্রী যেসব কারণে অতৃপ্ত তা স্বামীর অবশ্যই জানা উচিত পুরুষের তুলনায় যৌন জীবনে নারীদের অসুখী হবার হার অনেক বেশি যেসব কারণে স্ত্রী অ...

স্ত্রী যেসব কারণে অতৃপ্ত তা স্বামীর অবশ্যই জানা উচিত


পুরুষের তুলনায় যৌন জীবনে নারীদের অসুখী হবার হার অনেক বেশি
যেসব কারণে স্ত্রী অতৃপ্ত – সকল স্বামীর জানা উচিত
১) ভুল ধারণা ও অজ্ঞতাঃ নারীদের যৌন জীবনে অসুখী রয়ে যাওয়ার মূল কারণ হচ্ছে পর্যাপ্ত যৌন শিক্ষার অভাব। যৌনতা যে কেবল সন্তান উৎপাদনের মাধ্যম নয়, নারী ও পুরুষ উভয়ের জন্যই একটি আনন্দের ব্যাপার- এই ব্যাপারটি সম্পর্কে আজও অজ্ঞ প্রচুর নারী। কী করতে হবে বা কীভাবে করলে আরও আনন্দময় হয়ে উঠবে যৌন মিলন, সেটা জানা নেই বলে তাঁরা রয়ে যান অসুখী ও অতৃপ্ত।

২) নিজেকে বুঝতে না পারাঃ আসলে কী চাইছেন, তার শরীর কোন জিনিসে কীভাবে সাড়া দিচ্ছে, কোন অঙ্গগুলো যৌনতার ক্ষেত্রে স্পর্শকাতর বা নিজের শরীরের চাহিদাগুলো কী কী ইত্যাদি বিষয়ে অজ্ঞতা বা বুঝতে না পারাও যৌন জীবনে অসুখী হবার একটি বড় কারণ। যেমন ধরুন, প্রচুর নারীই জানেন না যে ক্লাইটোরিস কী বা যৌন জীবনে এর প্রভাব কী ।
৩) কী চান সেটা বলতে না পারাঃ নিজেকে বুঝতে পারেন, নিজের চাহিদাও জানেন, কিন্তু মুখ ফুটে বলতে পারছেন না নিজের ভালো লাগা না লাগার কথা। নারীদের যৌন জীবনে অতৃপ্ত থাকার অন্তরালে এটা একটি বিশাল কারণ। এমনকি তিনি যে যৌন জীবনে সুখী নন, এটাও পুরুষ সঙ্গীকে মুখ ফুটে বলতে পারেন না অনেক নারী।

৪) লজ্জা ও সংকোচঃ অনেক নারীই মনে করেন যে মেয়েদের যৌনতার কথা বলতে নেই, কিংবা মেয়েদের যৌনতার বিষয়টি নিয়ে কথা বল বা যৌন চাহিদা প্রদর্শন করার বিষয়টি খুবই লজ্জার। তাই মনের ইচ্ছা মনেই চেপে রাখেন তাঁরা।

৫) পুরুষ সঙ্গীর স্বার্থপরতাঃ বেশিরভাগ পুরুষই নিজের সঙ্গীনির যৌন চাহিদা পূরণের ব্যাপারে মনযোগী নন। বরং নিজের চাহিদা মিটে গেলেই তাঁরা স্বার্থপরের মত আচরণ করতে শুরু করেন। এটাও নারীদের অতৃপ্ত থাকার একটি বড় কারণ।
৬) অরগাজম সম্পর্কে ভুল ধারণাঃ অরগাজম বা চূড়ান্ত সুখ যে কেবল পুরুষের জন্য নয়। নারীরাও যে অরগাজম লাভ করতে পারেন এবং সেটা পুরুষদের মতই প্রত্যেক মিলনে, এই ব্যাপারটি জানেন না প্রচুর নারী। কীভাবে অরগাজম লাভ সম্ভব, কোন পজিশনে মিলিত হলে অরগাজম সহজে আসে ইত্যাদি বিষয়ে অজ্ঞতার কারণে নারীরা রয়ে যান অসুখী।

৭) শারীরিক-মানসিক সমস্যা নিয়ে সংকোচঃ যৌনতায় আগ্রহ নেই বা যৌনতা ঘিরে কোন শারীরিক সমস্যা বোধ করছেন? এমন অবস্থায় ডাক্তারের কাছে যান না অধিকাংশ নারী। ফলে সামান্য একটু চিকিৎসার অভাবেই তাঁদের যৌন জীবন রয়ে যায় বিভীষিকা ময়।

৮) যৌনতা ঘিরে ভয়ঃ অনেক নারীর মাঝেই যৌনতা বিষয়ে নানান রকমের ভীতি কাজ করে। ফলে এই বিষয়টি সম্পর্কে তাঁরা কখনো সহজ মনোভাব পোষণ করতে পারেন না, চিরকাল বিষয়টি নিয়ে আড়ষ্টতা রয়ে যায়।

ছেলেদের লিঙ্গ বড় করার কার্যকর ও পরীক্ষিত পদ্ধতি সম্পর্কে জানুন ছেলেদের লিঙ্গ বা যৌনাঙ্গ বা পুরুষাঙ্গ বড় হওয়া নির্ভর করে এত...

ছেলেদের লিঙ্গ বড় করার কার্যকর ও পরীক্ষিত পদ্ধতি সম্পর্কে জানুন




ছেলেদের লিঙ্গ বা যৌনাঙ্গ বা পুরুষাঙ্গ বড় হওয়া নির্ভর করে এতে রক্তের চাপ কেমন থাকে তার উপর। পুরুষাঙ্গ একটি মাংসপেশি।অনেকেই মনে করেন অন্য সব মাংসপেশি যেমন ব্যায়াম করলে বৃদ্ধিপ্রাপ্ত হয় তেমনি এটাও ব্যায়ামের মাধ্যমে বাড়াতে হবে। আর ব্যায়াম চালু না রাখলে যেমন মাংসপেশি শুকিয়ে যায় তেমন এটাও কমে যাবে। কিছু কিছু পেনাইল সার্জারির প্রচলন বিদেশে আছে। তবে তা স্থায়ী কোনকিছু নয়। পেনিস পাম্প এর প্রচলন ও আছে। কিন্তু ব্যায়ামের চেয়ে ভাল কিছু আর নেই ।
পুরুষাঙ্গের আকার বৃদ্ধির তিন ধরনের জনপ্রিয় ব্যায়াম আছে বলে শোনা যায়। যথা—
১. শেকিংঃ
প্রথমে আপনার পেনিস টাকে গোড়ার দিকে দুই আঙ্গুলে ধরুন (শিথিল অবস্থায়)। এরপর সেটাকে আস্তে আস্তে ঝাঁকাতে শুরু করুন আস্তে আস্তে ঝাঁকানোর
গতি বাড়ান এভাবে একটানা ২০০-২৫০ বার ঝাঁকান মাঝে মাঝে আপনার ইরেকশন হতে পারে। ইরেকশন হলে পেনিস্ কে শিথিল হওয়ার জন্য কিছু সময় দিন। তারপর আবার করুন এভাবে দিনে দুইবার করুন এটা করার সময় আপনার হস্তমৈথুনের ইচ্ছা জাগতে পারে। ইচ্ছাটাকে পাত্তা দিবেন না। এটা করার সময় যদি হস্তমৈথুন করেন তাহলে ব্যায়াম করা আর না করা সমান কথা। যদি ২০০-২৫০ বারের আগেই বীর্য বেরিয়ে যেতে চায় তাহলে থামুন। উত্তেজনা প্রশমিত হলে আবার করুন এটা করলে আপনার পুরুষাঙ্গে রক্ত সঞ্চালন আশাতীত ভাবে বাড়বে। একটু কষ্ট করে হলেও এক্সারসাইজ চালু রাখুন বাদ দেবেন না।
২. জেল্কিংঃ
প্রথমে পেনিস কে জলে ধুয়ে নিন এবং মুছে ফেলুন। এরপর খানিকটা ক্রিম বা জেল জাতীয় পিচ্ছিল জিনিস, (তেল জাতীয় জিনিস হলেও হবে) যোগাড় করুন। এটি পেনিসে ভালভাবে মাখান (শিথিল অবস্থায়) এবার বুড়ো আঙ্গুল এবং তর্জনীরসাহায্যে ”OK” সাইন এর মত করুন। এবার এই ”OK” সাইন দিয়ে পেনিসের গোড়া ধরুন (একটু জোরে চেপে ধরতে হবে)। এবার আস্তে আস্তে ভেতর থেকে বাইরের দিকে মর্দন করুন। জিনিসটা অনেকটাই হস্তমৈথুনের মতই। কিন্তু খেয়াল রাখবেন এটা শুধু পেনিসের গোঁড়া থেকে অগ্রভাগের দিকে।
উল্টা দিকে করবেন না। এভাবে ৩০-৪০ বার করুন। দিনে দুইবার। এটি করার সময় আপনি নিজেই টের পাবেন যে আপনার লিঙ্গমুণ্ডে রক্তের চাপ বাড়ছে। মাঝে মাঝে আপনার ইরেকশন হতে পারে ইরেকশন হলে পেনিস্ কে শিথিল হওয়ার জন্য কিছু সময় দিন। এটা করার সময় আপনার হস্তমৈথুনের ইচ্ছা জাগতে পারে। ইচ্ছাটাকে পাত্তা দিবেন
না। যদি ৩০-৪০ বারের আগেই বীর্য বেরিয়ে যেতে চায় তাহলে থামুন। উত্তেজনা প্রশমিত হলে আবার করুন এটি করার সময় লিঙ্গমুণ্ডে সামান্য
সাময়িক ব্যাথা বোধ হতে পারে। এছাড়া আপনি দেখবেন লিঙ্গমুণ্ডকে লাল হয়ে ফুলে উঠতে। রক্তের চাপের কারনে এমন হয়।
৩. স্ট্রেচিংঃ
প্রথমে লিঙ্গমুণ্ড পাঁচ আঙ্গুলে সামনে থেকে চেপে ধরুন এবার এটাকে সামনের দিকে টেনে ধরুন এমনভাবে ধরে রাখুন যাতে পিছলে না যায় এভাবে ২০ সেকেন্ড ধরে রাখুন ২০ সেকেন্ড পর ছেড়ে দিন এভাবে একটানা ২০ বার করুন (দিনে ২ বার) মাঝে মাঝে আপনার ইরেকশন হতে পারে৷ ইরেকশন হলে পেনিস্ কে শিথিল হওয়ার জন্য কিছু সময় দিন তারপর আবার করুন৷ এর ফলে ধীরে ধীরে আপনার পুরুষাঙ্গ দীর্ঘতায় বাড়বে৷
যে তিনটি ব্যায়ামের কথা বলা হয়েছে সেগুলো একত্রে প্রতিদিন দুইবার করে করুন। একসাথে না করলে লাভের সম্ভাবনা কম। এক্সারসাইজের সময় হস্তমৈথুন করবেন না। হস্তমৈথুন করলে ব্যায়াম করার কোন দরকারই নাই। কারণ তাতে কোন লাভ হবেনা।
উৎসঃ জানাঅজানা
কোনটি আপনার ভাল লাগলে নিজ ঝুঁকিতে পরীক্ষা করতে পারেন।

যে দেশে কনডম দিয়ে মাছ ধরে, ও  চুল বাঁধে তাদের অবাক তথ্য জানলে আপনিও অবাক হবেন যে দেশে কনডম দিয়ে মাছও ধরে, চুলও বাঁধে তাদের অবাক তথ্...

যে দেশে কনডম দিয়ে মাছ ধরে,ও  চুল বাঁধে তাদের অবাক তথ্য জানলে আপনিও অবাক হবেন



যে দেশে কনডম দিয়ে মাছও ধরে, চুলও বাঁধে তাদের অবাক তথ্য জানলে আপনিও অবাক হবেন !!
একটি জনপ্রিয় হিন্দি কমেডি ছবিতে দেখানো হয়েছিল, বার্থ ডে পার্টিতে বেলুনের বদলে উড়ছে কনডম। সেটা নিছক হাস্যরসের কারণ হলেও, বাস্তবেই এমন এক দেশ রয়েছে যেখানে বেলুনের বদলে ওড়ানো হয় কনডম। শুধু তাই নয়, মাছ ধরতে কাজে লাগে কনডম, এমনকী চুলও বাঁধা হয় কনডম দিয়ে। গল্পটা শুনতে মজার বটে! তবে কঠিন সমস্যার মুখে পড়ে কনডমকেই কার্যত নিত্যদিনের ব্যবহারের জিনিসে পরিণত করেছে সেই দেশ।
সাদা বালির সমুদ্র সৈকত আর তামাকের খেতে ভরা দ্বীপ রাষ্ট্র কিউবা কমিউনিস্টের অধীনে। আমেরিকার বাণিজ্যিক নিষেধাজ্ঞার মুখে পড়ে কিউবার বাজার প্রায়ই শূন্য থাকে। নিত্যপ্রয়োজনীয় নানা ধরনের জিনিস সেখানে সহজলভ্য নয়। আর যদিও বা কিছু জিনিস আসে, সেগুলোও চযা দামে বিকিয়ে যায় ব্ল্যাক মার্কেটে। তাই সাধারণ মধ্যবিত্তের পক্ষে সে সব হাতের নাগালে পাওয়া বেশ মুশকিল। বেশির ভাগ মানুষেরই মাসিক আয় ৩০ ডলারের নিচে।
তবে কনডম এখানে বেশ সহজলভ্য। কিউবাতেও তৈরি হয় কনডম। পাশাপাশি এশিয়া থেকে রফতানি হওয়া কনডমও বেশ সস্তায় মেলে সে দেশে। সেক্সুয়াল হেল্থের কথা মাথায় রেখে কিউবার সরকার সাবসিডিও দেয়। সেখানে তিন প্যাকেট কনডম পেলে মাত্র ২ ডলার সেন্টেইল। তাই জিনিসপত্রের অভাবে কনডমকেই নিত্যসঙ্গী বানিয়ে ফেলেছে কিউবার মানুষ।
বিউটি পার্লারগুলোতে কনডম দিয়েই বাঁধা হয় চুল। গার্ডার পাওয়া যায় না। কী করা যাবে! তাই এই উপায়। এমনকি মাছ ধরতেও কাজে লাগানো হয় এই কনডম। কিউবার হাভানায় কনডমকে বেলুনের মত ফুলিয়ে তাতে মাছ ধরার বিশেষ হুক লাগিয়ে পানিতে ছেড়ে দেওয়া হয়। বাদ যায় না বার্থ ডে পার্টিও। বেলুনের মত ফুলিয়ে কন্ডোমেই সাজানো হয় পার্টি।
তবে এই সব ব্যবহারের মধ্যে সব থেকে বেশি উদ্ভাবনী হল, ওয়াইন তৈরি। আঙুরের রস থেকে এ দেশে তৈরি হয় ওয়াইন। সংরক্ষণ করার সময় সেই রস ঢেকে রাখা হয় কন্ডোমে। সেই রস যখন গাঁজিয়ে যায়, তখন যে গ্যাস তৈরি হয় তাতে কনডম তথা রবারের থলিকে ফাঁপিয়ে দেয়, ফলে একেবারে বোতলের মত আকার নেয়। আর তখনই পুরো প্রসেস সম্পূর্ণ হয়।
এভাবেই কনডমে ভরসা করে দিন চালাচ্ছেন কিউবার মানুষ।সূত্র: কলকাতা ২৪x৭

মেয়েরা নিজেদের থেকে কম বয়সী ছেলেদের কেন বেশি পছন্দ করে ! মেয়েরা নিজেদের – মেয়েরা নিজেদের থেকে কম- জন লিলি বলেছিলেন, “প্রেম এবং ...

মেয়েরা নিজেদের থেকে কম বয়সী ছেলেদের কেন বেশি পছন্দ করে !



মেয়েরা নিজেদের – মেয়েরা নিজেদের থেকে কম- জন লিলি বলেছিলেন, “প্রেম এবং যুদ্ধে সব ন্যায্য।” আপনাকে ঐশ্বরিয়া রাই বচ্চন বা ফারাহ খান এর মতন ছোট কাউকে ফাঁদে ফেলতে হবে না।
আপনাকে কেবল সেটির সম্পর্কে আওয়াজ তুলতে হবে এবং আপনি কি পছন্দ করেন তা স্বীকার করতে হবে। প্রেম একটি সুন্দর অনুভূতি যা কোন বিভেদ এবং সীমানা জানেনা, তার গতিবিধি সময়ের সাথে পরিবর্তন করা হয়েছে।
এমনকি, বয়সকে আধুনিক যুগের প্রেমের গল্পে বোঝা হিসেবেই ভাবা হয়। যখন আপনার ভালোবাসার মহিলা সঙ্গীটি যখন আপনার চেয়ে বয়সে বড় হয়। তারা কি আদও জানেন যে তারা তাদের জীবনে নিজের চেয়ে বয়সে বড় একজন মহিলাকে নিয়ে আসতে চলেছে?
সমাজ প্রায়ই ভালবাসার গল্পে শত্রু হয়ে থাকে, বিশেষ করে, যখন আপনার মহিলা সঙ্গী আপনার থেকে বড় হয়। আসুন দেখি এমনই কিছু গল্প যেখানে একজন নিজের থেকে বয়সে কম একজনকে ভালোবেসেছে।

এটা আপনার থেকে বেশী

বয়স্ক পুরুষেরা তাদের কর্মজীবন স্থির করে এবং তাদের কাঁধে দায়িত্বের একটি বোঝা রাখে, কিন্তু একটি অল্প বয়স্ক সঙ্গী উদ্দীপনায় পরিপূর্ণ থাকে এবং আপনি চাইবেন আপনাদের একসঙ্গে কাটানো সেই সময়ের সে প্রশংসা করুক ।

ইজি পিজি হানি

হাফিংটনের পোস্ট অনুসারে, অল্পবয়সী পুরুষ উন্মুক্ত মনের এবং আপনার কাছে সহজ স্বভাবের, যদি আপনার এমন কিছু মনে হয় যে আপনার প্রাক্তন আপনার সাথে মতামত জ্ঞাপন করে না, তাহলে এই রইল আপনার জন্য সুযোগ।

বিচার ? সেটা কি?

আপনার যদি এমন একজন সঙ্গী থাকে যে এখনও কিছু অর্জনের পথে রয়েছে তবে আপনি এর সাথে সম্পর্কযুক্ত হবেন । তরুণ পুরুষ সাধারণত কম অভিজ্ঞ হয়, এবং এই কারণ তাদের কম বিচারক করে তোলে।

শারীরিক আকর্ষণ তার শিখরে ।

FoxNews এর খবরের সাথে আমাদের জৈবিক বিষয়গুলি স্পষ্ট করে তুলুন, একজন তরুণ সঙ্গীর মধ্যে অনেক শক্তি এবং দৃঢ়তা থাকে আপনাকে খুশি করার জন্য । সে সব সময় আরও রোমান্টিক হওয়ার জন্য আপনাকে উৎসাহিত করে ।

এই জিনিসগুলি তাকে চিন্তিত করে না

যখন আপনি একটি নতুন সম্পর্ক আসেন, এটা স্পষ্ট যে আপনি আপনার অতীতকেও সঙ্গে নিয়ে আসেন, কিন্তু আপনার বর্তমান সম্পর্ক তাতে ক্ষতিগ্রস্ত হয় না, এটাই আপনার তরুণ সঙ্গী শেখায়। তরুণ সঙ্গী কম স্বতন্ত্র এবং সম্পর্কের মধ্যে স্বাধীনতাকে গুরুত্ব দিয়ে থাকে ।

তারা আপনাকে প্রাণবন্ত করে তোলে

ঐ সব সুন্দর মুখভঙ্গি করে ডিনারের তারিখগুলি চূড়ান্ত করা থেকে, আপনার অল্পবয়সী গুরুত্বপূর্ণ সঙ্গী আপনাকে হতাশ করবে না এবং আপনাকে খুব অল্প বয়স্ক মনে করাবে, কারণ একজন যুবক সঙ্গীর অল্প বয়স্ক বন্ধু থাকে এবং তাই তারা সহজতর জীবনযাপন করেন।

পরীক্ষা

এইচ.টি বলছে যে, যুবক সঙ্গী নতুন জিনিসগুলি পরীক্ষা করার সময় উদ্দীপনার সঙ্গে করে ।
সম্ভবত এটি সবচেয়ে মজার জিনিসগুলির মধ্যে একটি।
আপনি নতুন জিনিস চেষ্টা করতে পারেন, আপনি সেখানে যান যেখানে আপনি কখনো যাননি।

তারা হট এবং অপরিবর্তনীয়

পরিপক্ক পুরুষ এবং মহিলাদের কোন অপরাধ নেই, কিন্তু তরুণদের বিধি ভাঙ্গাঁর ঝোঁক থাকে। তারা তাদের চেহারার উপর জোর দেয় এবং তারা তাদের কাজ অবিলম্বে করতে প্রস্তুত থাকে। যা, বেশিরভাগ সময় সত্যিই হট হয় ।

আপনার উপলব্ধি তাকে খুশি করে

আপনার অভিজ্ঞতা এবং জ্ঞান তার জন্য মূল্যবান, এবং আপনি জীবনে কিছু অর্জন করার সময় তারা সবসময় সুখী হবে।

জীবন সাহসী হয়ে যায়

এটা তাত্ক্ষণিক ভ্রমণ, একসাথে ঘোড়া বা একটি নতুন কার্যকলাপ বা একসঙ্গে খেলার মাধ্যমে জীবনকে উপভোগ করা একটি তরুণ সঙ্গীর চারপাশে ঘিরে থাকে।

শীতে ত্বকের যত্নে 10 টি টিপস (শীর্ষ 10 শীতকালীন স্কিন কেয়ার টিপস) যদি আপনি লক্ষ্য করেন যে, আপনার ত্বক শুকনো, নিস্তেজ এবং আর্দ্রতা হারি...

শীতে ত্বকের যত্নে 10 টি টিপস (শীর্ষ 10 শীতকালীন স্কিন কেয়ার টিপস)


যদি আপনি লক্ষ্য করেন যে, আপনার ত্বক শুকনো, নিস্তেজ এবং আর্দ্রতা হারিয়ে যাচ্ছে তাহলে বুঝে নিবেন শীত এসে গেছে.শীতল ছোঁয়া শরীরের জন্য আরামদায়ক হলেও ত্বকের জন্য মোটেও নয়.শীতে আপানর ত্বকে নিশ্চয়ই কিছু পরিবর্তন লক্ষ্য করেছেন। শীত বাড়ার সাথে সাথে ত্বকেও বাড়তে থাকে বিভিন্ন রকম সমস্যা.বিশেষ করে শুষ্ক ত্বকের জন্য শীত যেন এক ভয়ংকর দুঃস্বপ্ন.এ কারনে এ সময়ে ত্বকের বিশেষ যত্ন নিতে হয়.তাই শীতকালে সব ধরনের ত্বকের যত্নে কি করা উচিত এ নিয়ে আজকে আমরা গুরুত্বপূর্ন 10 টি টিপস দিব (শীর্ষ 10 শীতকালীন স্কিন কেয়ার টিপস)। আশা করি এই 10 টি টিপস আপনাদের কাজে লাগবে -----

(শীর্ষ 10 শীতকালীন স্কিন কেয়ার টিপস)

শীর্ষ 10 শীতকালীন স্কিন কেয়ার টিপস (স্বাস্থ্য টিপস)

1। পরিচ্ছন্নতা- পরিষ্কার ত্বকের যত্নের প্রথম ধাপই হচ্ছে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা। শীতে অনেকেই গোসল এড়িয়ে চলেন আবার অনেকে অতিরিক্ত গরম পানি দিয়ে অনেকক্ষন গোসল করেন , এ দুটি অভ্যাসই ত্বকের জন্য ক্ষতিকর.এজন্য কুসুম গরম পানিতে গোসল করুন প্রতিদিন.গোসলের পানিতে কয়েক ফোটা গ্লিসারিন মিশিয়ে নিতে পারেন এতে করে ত্বকের আদ্রতা বজায় থাকবে অনেকক্ষন 



২। যত্ন- মুখের যখনি বাইরে থেকে আসবেন অবশ্যই ফেসওয়াস দিয়ে মুখ ধুয়ে নিবেন.মুখে সাবান ব্যবহার করবেননা একদমই.এরপর ভালো কোন ব্রান্ডের ময়েশ্চারাইজযুক্ত ক্রিম ব্যবহার করতে পারেন। যাদের মুখে ব্রনের সমস্যা আছে তারা ক্রিমের সংগে একটু পানি মিশিয়ে ব্যবহার করতে পারেন 

3। ক্রিম ব্যবহার- সানস্ক্রিন অনেকেই মনে করেন শীতকালে সানস্ক্রীন ক্রিম লাগানোর দরকার নেই। এটা একদম ভুল ধারনা। শীতকালেও বাইরে বের হওয়ার 30 মিনিট পূর্বে এসপিএফ 30 থেকে 50 যুক্ত সানস্ক্রীন ব্যবহার করুন।

4। পানি- শীতের শুষ্ক আবহাওয়া আমাদের শরীর থেকে প্রচুর পরিমান পানি শুষে নেয়.যার ফলে ত্বক হয়ে উঠে শুষ্ক ও রুক্ষ.তাই এ সময় প্রচুর পরিমাণ পানি পান করতে হবে।


5। খাওয়া-দাওয়া- সঠিকভাবে খাওয়া-দাওয়া ত্বক ভালো রাখতে সাহায্য করে.তাই খাদ্য তালিকায় যোগ করুন শীতকালীন বিভিন্ন ফলমূল ও শাক সবজি.টমেটো , গাজর, ফুলকপি, আমলকি, কমলা এগুলো ভিটামিন সি এর ভালো উৎস.যা ত্বক ভালো রাখতে সাহায্য করে.এছাড়া প্রতিদিন সকালে এক চা-চামচ মধু খেতে পারেন এত করে আপনার ঠান্ডা যেমন লাগবে না আবার ত্বকের উজ্বলতাও বাড়াবে 


6। যত্ন- পায়ের শীতে আমাদের একটি প্রধান সমস্যা হচ্ছে পা ফেটে যাওয়া। এ জন্য হালকা গরম পানি দিয়ে পা ভালো ভাবে ব্রাশ দিয়ে ঘসে পরিষ্কার করে ধুয়ে ভালোভাবে মুছে ফেলুন তারপর লোশন বা গ্লিসারিন লাগান । সবচেয়ে ভালো হয় রাতে শোয়ার আগে পায়ে ভালো করে ভ্যাসলিন মেখে মোজা পড়ে ঘুমান আহলে আর পা ফাটবেনা 

7। যত্ন- ঠোঁটের শীতে আর একটি প্রধান সমস্যা হচ্ছে ঠোঁট ফেটে যাওয়া। ঠোঁটের ত্বক অত্যন্ত পাতলা ও সংবেদনশীল তাই খুব দ্রুতই শীতে ঠোঁট আদ্রতা হারিয়ে ফেলে এবং ফেটে যায়.হালকা গরম পানিতে নরম টুথ ব্রাশ দিয়ে ঠোঁট ঘষে পরিষ্কার করে তারপার ভ্যাসলিন বা চ্যাপস্টিক ঠোঁটে হালকা করে লাগিয়ে দিন.দিনে 3 থেকে 4 বার চ্যাপস্টিক লাগাতে পারেন.ভুলেও জিভ দিয়ে বার বার ঠোঁট ভেজাবেন না। এতে ঠোঁট আরও শুষ্ক হয়ে ফেটে যাবে।

8। যত্ন- চুলের শীতকালে ধুলা-বালি বেশি থাকে বলে অনেকের চুলেই খুশকির প্রভাব বেড়ে যায় । এক্ষেত্রে সপ্তাহে 3 থেকে 4 দিন চুলে এ্যান্টি ড্যানড্রাফ শ্যাম্পু লাগাতে পারেন.শ্যাম্পু করার সময় আঙ্গুলের ডগা দিয়ে ভালকরে ম্যাসাজ করে তারপার ধুয়ে ফেলতে হবে । এছাড়াও খুশকি মুক্ত থাকতে নিয়মিত কিটোকোনাজল শ্যাম্পু ব্যবহার করতে পারেন 

9। শীতে মেক-আপ- শীতে মেকা-আপ নষ্ট হওয়ার ভয় থাকে না.তাই কালারফুল মেকা-আপে সাজিয়ে তুলুন নিজেকে.তবে মেক-আপ করার আগে অবশ্যই ময়েশ্চারাইজার লাগাতে হবে.শীতে ক্রিম বেসড মেক-আপ লাগানো ভালো.লিপিস্টিকের বদলে লাগাতে পারেন লিপগ্লস।

10। ফেসপ্যাক- গরমে যে ধরনের ফেসপ্যাক ব্যবহার করেন সেগুলো শীতে ব্যবহার করা যাবে না.তাহলে ত্বক শুষ্ক হয়ে ফেটে যাবে.ময়দা, বেসন, চালের গুরা দিয়ে তৈরি ফেসপ্যাক লাগাবেন না.কারন এগুলো ত্বক শুষ্ক করে দেয় 

শীতে সব ধরনের ত্বকের উপযোগী কয়েকটি ফেসপ্যাক নিচে দেয়া হলো-

  • · পাকা কলা + + মধু = ফেসপ্যাক।      
  • · পাঁকা পেপে + + মধু = ফেসপ্যাক।      
  • · কোকো পাউডার + + টক দই + + মধু = ফেসপ্যাক।      


আশা করি এ টিপসগুলো মেনে চললে আপনাদের ত্বক থাকবে সুন্দর ও সমস্যামুক্ত.তাই ত্বকের যত্ন নিন এখন থেকেই আর শীতেও থাকুন সজীব ও উজ্জ্বল.এর পরেও যদি ত্বকে কোন সমস্যা দেখা দেয় তবে দেরী না করে ডাক্তারের পরামর্শ্ নিন। আশা করি শীতকালটা আপনাদের ভালোই কাটবে।
(শীর্ষ 10 শীতকালীন স্কিন কেয়ার টিপস)