LightBlog
Showing posts with label ধর্ম স্বাস্থ্যসেবা. Show all posts

কুরআনের ঘোষণায় যা খাওয়া হারাম, জেনে নিন অত্যন্ত প্রয়োজনীয় তথ্যটি .. কুরআনের ঘোষণায় যা খাওয়া হারাম, জেনে নিন অত্যন্ত প্রয়োজনীয় তথ্যট...

কুরআনের ঘোষণায় যা খাওয়া হারাম, জেনে নিন অত্যন্ত প্রয়োজনীয় তথ্যটি ..



কুরআনের ঘোষণায় যা খাওয়া হারাম, জেনে নিন অত্যন্ত প্রয়োজনীয় তথ্যটি ..
আল্লাহ তাআলা কুরআনের অসংখ্য জায়গায় অনেক জিনিসই মানুষের জন্য হারাম বা নিষিদ্ধ করেছেন। কিন্তু মুশরিকরা হালাল জানোয়ারকে নিজেদের জন্য হারাম করে নিত। তাই মহান আল্লাহ তাআলা মুশরিকদের কর্মকাণ্ডের জবাবে আয়াত নাজিল করে জানান একান্ত অনন্যোপায় হওয়া ছাড়া আল্লাহ তাআলা কর্তৃক হারাম করা জানোয়ার খাওয়া যাবে না। আল্লাহ তাআলার নামে ছাড়া অন্য কারো নামে জবেহকৃত জানোয়ারের ব্যাপারেও বিধি-নিষেধ করেছেন। এ প্রসঙ্গে আল্লাহ তাআলা বলেন-
‘আল্লাহ তাআলার পক্ষ থেকে তোমাদের প্রতি (পানাহারের) যে নিষেধাজ্ঞা রয়েছে তাহলো এই যে, মৃতজীব ভক্ষণ করো না; রক্ত ও শূকরের গোশত থেকে দূরে থাকো। আর এমন কোনো জিনিস খেয়ো না যার ওপর (জবেহের সময়) আল্লাহর ছাড়া আর কারোর নাম নেয়া হয়েছে। তবে যে ব্যক্তি অক্ষমতার মধ্যে অবস্থান করে এবং এ অক্ষমাবস্থায় আইন ভংগ করার কোনো ইচ্ছা ছাড়াই বা অনন্যোপায় হয়ে, প্রয়োজনের সীমা অতিক্রম না করে এর মধ্য থেকে কোনোটা খায়; সে জন্য তার কোনো গোনাহ হবে না। আল্লাহ ক্ষমাশীল করুনাময়।’ (সুরা বাক্বারা : আয়াত ১৭৩)
পূর্ববর্তী আয়াতে আল্লাহ তাআলা মানুষকে হালাল খাদ্য গ্রহণে শুকরিয়া আদায়ের নির্দেশ দিয়ে বলেন যে, যদি তোমরা শুধুমাত্র আল্লাহ তাআলার বিধানের অনুসারী হও তবে, জাহেলি যুগের ন্যায় ধর্মীয় পণ্ডিত, পুরোহিত, পাদরি, যাজক, যোগী, সন্যাসী এবং পূর্ব-পুরুষেরা যে সব অবাঞ্চিত আচার-আচরণ ও বিধি-নিষেধের বেড়াজাল সৃষ্টি করে সেগুলোকে ছিন্ন করে দাও। আল্লাহ যা কিছু হারাম করেছেন তা থেকে অবশ্যই দূরে থাক। কিন্তু যেগুলোকে আল্লাহ তাআলা হালাল করেছেন তা কোনো প্রকার ঘৃণা ও সংকোচ ছাড়াই সেগুলো পাহানার কর।
উল্লেখিত আয়াতে চার শ্রেণীর প্রাণীকে হারাম করা হয়েছে। এ ছাড়াও আরো অনেক প্রাণীই খাওয়া হারাম। কিন্তু এ আয়াতে আল্লাহ তাআলা বলেন যে, তোমরা যেগুলো হারাম ঘোষণা করে থাকো সেগুলো হারাম নয় বরং ইসলামি শরিয়তে প্রাণীকুলের মধ্যে যা হারাম তা তুলে ধরে মুশরিকদের মনগড়া ভ্রান্ত বিশ্বাসের খণ্ডন করা হয়েছে।
আয়াতে মৃতপ্রাণীকে হারাম ঘোষণা করা হয়েছে; তবে হাদিসে দুটি মৃতপ্রাণীকে বাদ দেয়া হয়েছে আর তা হলো ‘মাছ ও পঙ্গপাল’। হালাল পশু যথা নিয়মে জবেহ ছাড়া মারা গেলে বা জবাই করলে তা পানাহারে নিষিদ্ধ করা হয়েছে। তাছাড়া যে কোনো প্রাণীর রক্ত খাওয়াও হারাম।
আর শূকরের গোশত খাওয়া হারাম ঘোষণা করা হয়েছে। তা জীবিত হোক কিংবা মৃত হোক। কারণ শূকর নিকৃষ্ট জানোয়ার; তা যথাযথ নিয়মে জবাই করা হলেও আল্লাহ তাআলার বিধানে তা খাওয়া হারাম। শূকরের গোশতই হারাম নয় বরং তার অস্থি, চর্বিসহ সবকিছুই খাওয়া হারাম।
ইসলামি শরিয়তে ঐ সকল হালাল প্রাণীকেও হারাম ঘোষণা করা হয়েছে, যেগুলো আল্লাহ ছাড়া অন্য কারো নামে জবেহ করা হয়। আল্লাহ তাআলা ব্যতিত অন্য কারো নামে নজরানা হিসাবে যে খাদ্য তৈরি করা হয় এ বিধান সেসব খাদ্য দ্রব্যের ওপর আরোপিত হয়।
আয়াতে শেষাংশে বলা হয়েছে, ‘চরম প্রয়োজনের মুহূর্তে উল্লেখিত হারাম বস্তুগুলোও ন্যূনতম পরিমাণে আহার করা করা যায়। কেননা আল্লাহ তাআলা অত্যন্ত ক্ষমাশীল এবং দয়ালু। আরাম হারাম জিনিস পানাহারে যে চরম প্রয়োজন দেখা দিতে পারে তাহলো-
১. ক্ষুধার তাড়নায় জীবনের শেষ নিঃশ্বাস বের হয়ে যাচ্ছে বলে মনে হওয়া; ঐ সময় হালাল খাবার কোনো উপায়ে সংগ্রহ করতে না পারা;
২. সীমাহীন দারিদ্র্যের কারণে হালাল খাদ্য সংগ্রহের সামর্থ্য না থাকলে;
৩. কোনো রোগ-ব্যাধির কারণে বিদ্যমান হালাল খাবার আহারের অযোগ্য হলে;
৪. কোনো শাসক বা সবল প্রতিপক্ষ হারাম খাদ্য গ্রহণে বাধ্য করলে; যা থেকে বেঁচে থাকার কোনো উপায় থাকে না সে মুহূর্তে উল্লেখিত হারাম খাদ্য ভক্ষণ করা যাবে।

পরিশেষে…

দুনিয়ার সকল প্রাণী, শস্য, ফলমূল বা অন্য যে কোনো খাদ্য-দ্রব্যের মালিক হলেন আল্লাহ তাআলা। তিনিই ঐ হালাল জিনিসগুলো তাঁর বান্দর জন্য অনুগ্রহ করে দান করেছেন। সুতরাং তাঁর এ অনুগ্রহের স্বীকৃতি, সাদকাহ বা নজরানা হিসেবে একমাত্র তারই নামে উৎসর্গ করা যেতে পারে। আর কারো নামে নয়।
আল্লাহ ব্যতিত আর কারো নামে নজরানা পেশ করার অর্থ হলো আল্লাহ তাআলার পরিবর্তে অথবা আল্লাহর সাথে সাথে তারও প্রাধান্য স্বীকার করে নেয়া। তাকেও অনুগ্রহ ও নিয়ামত প্রদানকারী বলে মনে করা।
আল্লাহ তাআলা মুসলিম উম্মাহকে হারামকৃত জিনিস থেকে বেঁচে থাকার তাওফিক দান করুন। মৃতজীব ভক্ষণ, শূকরের মাংস, রক্ত এবং আল্লাহ ব্যতিত অন্য কারো নামে জবাইকৃত হালাল জিনিস গ্রহণ করাও হারাম বিধায় এ সকল বস্তুগুলো বর্জন করে ইসলামি শরিয়তের বিধান বাস্তবায়নের তাওফিক দান করুন। আমিন।

আয়াতুল কুরসি লেখা কাগজ ঘরে ঝুলিয়ে রাখা : কী বলে ইসলাম আয়াতুল কুরসি লেখা কাগজ ঘরে ঝুলিয়ে রাখা : কী বলে ইসলাম !! পবিত্র কোরআনের ১১...

আয়াতুল কুরসি লেখা কাগজ ঘরে ঝুলিয়ে রাখা : কী বলে ইসলাম


আয়াতুল কুরসি লেখা কাগজ ঘরে ঝুলিয়ে রাখা : কী বলে ইসলাম !!
পবিত্র কোরআনের ১১৪টি সূরার ৬৬৬৬টি আয়াতের সবই ফজিলতপূর্ণ। প্রত্যেকটি আয়াতের রয়েছে আলাদা আলাদা তাৎপর্য ও রহস্য। তার পরও সূরা বাকারার ২৫৫ নম্বর আয়াতটিকে কোরআনের সর্বশ্রেষ্ঠ আয়াত বলা হয়। আয়াতটি সমাজে আয়াতুল কুরসি নামে বেশি পরিচিত।
হাদিসে ইরশাদ হয়েছে, হজরত আবু উমামা (রা.) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, হজরত রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, যে ব্যক্তি প্রতি ফরজ নামাজ শেষে আয়াতুল কুরসি পড়ে, তার জান্নাতে প্রবেশ করতে মৃত্যু ছাড়া আর কোনো বাঁধা থাকে না। -নাসাই শরিফ
হজরত আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত, হজরত রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, সূরা বাকারায় একটি শ্রেষ্ঠ আয়াত রয়েছে, সেটি হলো আয়াতুল কুরসি। যে ঘরে এটি পাঠ করা হবে সেখান থেকে শয়তান পালাতে থাকে। -মুসতাদরাকে হাকিম
আয়াতুল কুরসির এমন ফজিলতের কথা ভেবে অনেকেই ঘরে আয়াতুল কুরসির লিখিত কাগজ বাঁধাই করে ঝুলিয়ে রাখেন। অনেকে এটাকে খুব গুরুত্বও দেন। কিন্তু এভাবে ঘরে আয়াতুল কুরসি লিখিত কাগজ বাঁধাই করে রাখার আলাদা কোনো উপকারিতা, সুফল কিংবা ফজিলত নেই।
ইসলামি স্কলারদের অভিমত হলো, আয়াতুল কুরসি কোরআনে কারিমের একটি আয়াত বৈ অন্য কিছু নয়। কোরআনে কারিমে এ ছাড়া আরও আয়াত রয়েছে। মুসলমানের ঘরে ঘরে রয়েছে কোরআন। মনে রাখবে, কোরআন ঘরে রাখার মাঝে আলাদা কোনো ফজিলত নেই। ঘরে রাখা কোরআনে কারিম তেলাওয়াত করলেই কেবল ঘরে কোরআন রাখা স্বার্থক হবে। কোরআন তেলাওয়াত না করে কোথাও কোরআনের আয়াত লিখে তা ঝুলিয়ে রাখার কথা বলা হয়নি
যেহেতু ঘরে কোরআন রয়েছে, তাহলে আবার আয়াতুল কুরসি লিখে বিশেষভাবে ঝুলিয়ে রাখা কেন? এটা আসলে দৃষ্টিভঙ্গিগত বিষয়। এমন কাজ শুদ্ধ নয়, সঠিক কাজ নয়।
আর যদি কোনো ধরনের প্রভাব থেকে ঘরকে মুক্ত রাখার নিয়তে এমন কাজ করতে হয়, সেক্ষেত্রে উত্তম হলো- কোরআনে কারিমের এই আয়াত তেলাওয়াত করা। আয়াতুল কুরসি বেশি বেশি করার অনেক ফজিলত।
যদি নিরাপত্তার জন্য এবং কোনো ধরনের প্রভাব থেকে নিজেকে মুক্ত রাখার জন্য এ আয়াত তেলাওয়াত করতে হয়, তা যথাসম্ভব উচ্চআওয়াজে তেলাওয়াত করা। এভাবে কোরআন তেলাওয়াত করে ফায়দা নেওয়া। তেলাওয়াত না করে তা শুধু লিখে রাখার আলাদা কোনো ফজিলত নেই।
কোরআন তেলাওয়াত না করলে, কোরআনের বিধান না মানলে শুধু আয়াতুল কুরসি কেন- পুরো কোরআন লিখে ঝুলিয়ে রাখলেও এর মাধ্যমে কোনো সওয়াব হবে না। এমন কাজ সমাজের মানুষে আবেগের বশে করে থাকে।
আল্লাহর কালাম তো অবতীর্ণ হয়েছে একটি নির্দিষ্ট উদ্দেশ্যে। এর কাজ কী হবে, এর হক কী হবে- এগুলো স্পষ্ট করে আল্লাহতায়ালা জানিয়ে দিয়েছেন। সেগুলো না করে কোরআন কিংবা কোরআনের আয়াতের এমন ব্যবহার মূলত কোরআনে কারিমকে অবমাননা ছাড়া আর কিছুই নয়। এ কাজ থেকে সবার বিরত থাকা আবশ্যক।

সুস্থ ও সুন্দরভাবে বেঁচে থেকে জীবনটাকে উপভোগ করতে চান। তাহলে এই ১০ টি টিপস আপনার জন্য। সুস্থ ভাবে বেঁচে থাকার গুরুত্ব যে কতখানি, তা কেবল অস...

সুস্থ ও সুন্দরভাবে বেঁচে থেকে জীবনটাকে উপভোগ করতে চান। তাহলে এই ১০ টি টিপস আপনার জন্য। সুস্থ ভাবে বেঁচে থাকার গুরুত্ব যে কতখানি, তা কেবল অসুস্থ হলেই বোঝা যায়। কিন্তু কিভাবে শরীরকে সুস্থ রাখতে হয় তা আমরা অনেকেই জানিনা।তাই আজ আমি আপনাদের কাছে উপস্থাপন করব কিভাবে  রোগমুক্ত থেকে সুস্থ্যভাবে বেঁচে থেকে জীবনটাকে উপভোগ করবেন তার গুরত্বপূর্ন ১০ টি টিপস।





1| cÖwZw`b mKv‡j †fvi 6 Uvi ci ciB Nyg †_‡K DVvi Af¨vm Kiæb| Gici gyL ay‡qB Lvwj †c‡U 2 †_‡K 3 Møvm cvb cvb Kiæb| 10 wgwbU wekÖvg wb‡q  2 †_‡K 3 wK.wg. A_ev 30 wgwbU nvUzb| GZ K‡i Avcbvi gb I cÖvb m‡ZR _vK‡e Avi kixiI _vK‡e †ivMgy³|

2| mKv‡ji Lvevi my¯’ _vKvi Rb¨ AZ¨šÍ MyiæZ¡c~b©| ZvB hZ ZvivZvwi m¤¢e mKv‡ji bv¯Ív †m‡i †djyb| mKv‡ji bv¯Ív kix‡ii wecvKxq Kv‡h© mnvqZv K‡i| Z‡e mKvj †ejv Ggb ai‡bi Lvevi Lv‡eb bv †h¸‡jv †c‡U M¨vm ˆZwi K‡i| mKv‡j Lvwj †c‡U Pv Kwd cvb Ki‡eb bv|

3| Lvevi mgq Zvivûiv Ki‡eb bv| ax‡imy‡¯’ Lvevi fvj K‡i wPwe‡q Lvb| GZ K‡i cvPb wµqv wVK _‡K Ges mwVKfv‡e nRg nq|

4| Lvevi LvIqvi gv‡S KL‡bvB cvwb cvb Ki‡eb bv| Lvevi LvIqvi 30 wgwbU c~‡e© Ges 30 wgwbU c‡i cvwb cvb Kiæb| Lvevi LvIqvi gv‡S cvwb cvb Ki‡j cwicvKwµqv evavMÖ¯Í nq hv nR‡g weNœ NUvq| Lvevi LvIqvi gv‡S cvwb cvb Ki‡j Avcbvi G¨vwmwWwUi mgm¨v evo‡Z cv‡i|

5| wd«‡Ri VvÛv cvwb w`‡q Ilya Lv‡eb bv Ges Ilya Lvevi mv‡_ m‡_B ï‡q ci‡eb bv| ï‡Z hvevi Av‡M 5 †_‡K 10 wgwbU Av‡¯Í Av‡¯Í nvUzb Zvici ï‡Z hvb|

6| cÖwZw`b Lvev‡ii ZvwjKvq h‡_ó cwigvb kvK-mewR I dj _vKv Avek¨K| meyR kvK-mewR †KvôKvwVb¨ `~i K‡i Ges †`‡ni †ivM cÖwZ‡iva ÿgZv evovq| hviv kvK-mewR I djgyj †ewk cwigv‡b Lvb Zv‡`i nvucvwb I Av¨vjvwR©i SzuwKI bvwK Kg _v‡K|

7| dv÷dzW Ges †Kvgj cvbxq‡K bv ejyb| G¸‡jv‡Z jywK‡q _v‡K cÖPzi cwigvb wPwb I wewfbœ cÖKvi ÿwZKviK c`v_© | Gme Lvevi †L‡j IRb †e‡o hvIqv mn D”Pi³Pvc, ü`‡ivM, †÷ªvK, Wvqv‡ewUm I K¨vÝv‡ii gZ RwUj †ivM †`Lv w`‡Z cv‡i|

8| cÖPzi cwigvb cvwb cvb Kiæb| my¯’fv‡e †eu‡P _vKvi Rb¨ Aw·‡R‡bi c‡iB cvwbi ¯’vb| cÖwZw`b 8 †_‡K 10 Møvm cvwb cvb Kiæb|

9| cÖwZw`b iv‡Z 6 †_‡K 8 N›Uv Nygv‡bvi †Póv Kiæb| chv©ß Ny‡gi Afv‡e Avgv‡`i †`‡n kw³ Drcv`b, Møy‡KvR †gUvewjRg K‡g hvq Ges e‡qve„w× cÖwµqv †e‡o hvq| Z‡e w`‡bi †ejv Nyg Gwo‡q Pjyb|

10| a~gcvb I gদ্যcvb †_‡K weiZ _vKzb| †h †Kvb ZvgvKRvb cb¨ †_‡K `y‡i _vKvi †Póv Kiæb|



Avwg g‡b Kwi Dc‡iv³ 10 wU wbqg hw` †KD †g‡b P‡j Zvn‡j †m my¯’ I my›`ifv‡e Rxeb hvcb Ki‡Z cvi‡e| A¯^vfvweK Rxebhvcb I wbqg †g‡b bv Pjvi Kvi‡b Avgiv bvbv †iv‡M AvµvšÍ nB| ZvB wbqg¸‡jv †g‡b Pjyb Ges my¯’ my›`ifv‡e Rxeb hvcb Kiæb| m„wóKZv©i Dci wek¦vm ivLyb| m„wóKZv© mevB‡K my¯’ I my›`i Rxeb `vb Kiæb G Kvgbv Kwi