LightBlog
Showing posts with label পুষ্টিকর খাবার. Show all posts

সাধারণত আমরা সকলেই কম বেশি এই ধরনের খাবার খাই শখ করে, বন্ধুদের সাথে বা বিভিন্ন অনুষ্ঠানে আর এগুলো আমদের অজান্তেই প্রতিনিয়ত লিভার কে ক্...


সাধারণত আমরা সকলেই কম বেশি এই ধরনের খাবার খাই শখ করে, বন্ধুদের সাথে বা বিভিন্ন অনুষ্ঠানে আর এগুলো আমদের অজান্তেই প্রতিনিয়ত লিভার কে ক্ষতিগ্রস্ত করছে। দীর্ঘদিন ধরে এরূপ খাবারগুলো খাওয়ার ফলে আমাদের লিভার ড্যামেজ হওয়ার মত ঘটনাও ঘটতে পারে যা সত্যিই ভীতির কারণ। তাই লিভার সুস্থ রাখতে ডিটক্স ওয়াটার এর ব্যবহার আমাদের বড় ধরনের ক্ষতি থেকে রক্ষা করতে পারে। অনিয়ন্ত্রিত খাদ্যাভ্যাসের কারণে আমাদের দেহে যে ক্ষতিকারক পদার্থ জমে তা আমরা ডিটক্স ওয়াটার পান করে বের করে দিতে পারি বা দেহকে খুব সহজেই ডিটক্সিফাইড করে নিতে পারি। নিম্নে লিভার সুস্থ রাখতে ডিটক্স ওয়াটার এর ৩টি অত্যন্ত কার্যকরী রেসিপি দেওয়া হলো।

শশা লেবুর ডিটক্স ওয়াটার

লিভার পরিস্কার ও সুস্থ রাখতে শশা ও লেবুর কার্যকরীতা অনেক বেশি। এই পানীয় যেমন স্বাদে সেরা তেমনি কাজেও অনন্য। শশায় বিদ্যমান ভিটামিন K, আঁশ ও পানি খুব দ্রুত লিভার ডিটক্সিফাইড করে। উপরন্তু লেবুর ভিটামিন সি ও বিভিন্ন এনজাইম লিভার কে পরিস্কার করে এবং সুস্থ ভাবে কাজ করে যেতে সহায়তা করে।
উপকরণ ও প্রস্তুত প্রণালী
শশা একটি, কুচি কুচি করে কেটে নিতে হবে।
লেবু একটি, টুকরো টুকরো করে কেটে বা চিপে রস করে নিন।
আধা লিটার বিশুদ্ধ পানি।
সব গুলো উপকরণ একটি পরিস্কার পাত্রে বা ডিটক্স জগে নিয়ে ভালো ভাবে মিশিয়ে নিন। ঠান্ডা করার জন্য ফ্রিজে রাখতে পারেন বা বরফ কুচি দিতে পারেন। আপনার সারা দিনের পানির চাহিদার সাথে কম বেশি এই ডিটক্স ওয়াটার পান করুন।

আপেল সিডার ভিনেগার ডিটক্স ওয়াটার

অন্যান্য ডিটক্স এ এই আপেল সিডার ভিনেগার এর মত কার্যকরী উপাদান খুব কম এ আছে। কারণ এর শক্তিশালী ডিটক্সিফাইড এজেন্ট একে অন্য সকল প্রাকৃতিক ডিটক্সিফাইড ওয়াটার থেকে এগিয়ে রেখেছে। দেহের স্বাস্থ্যকর পিএইচ এর মাত্রা বাড়াতে এর জুড়ি মেলা ভার।
উপকরণ ও প্রস্তুত প্রণালী
২ টেবিল চামচ আপেল সিডার ভিনেগার
২৫০ মিলি লিটার ঠান্ডা পানি।
১ টেবিল চামচ মধু।
আপেল সিডার ভিনেগার ডিটক্স ওয়াটার এর ভালো ফল পেতে উপকরণ গুলো ভালো ভাবে মিশ্রণ করে প্রতিদিন রাতে ঘুমানোর আগে পান করুন। আশা করি আপনার লিভার ডিটক্সিফাইড করতে এটি বিশেষ কাজে দিবে।

হলুদ ডিটক্স ওয়াটার

খুব প্রাচীন কাল থেকেই ওষুধ হিসাবে এই হলুদের ব্যবহার করা হয়। বিশেষ করে চীনের আয়ুর্বেদ ওষুধে এর ব্যবহার বেশ প্রাচীন কাল থেকেই। এতে আছে এন্টি ইনফ্লামেটরি এজেন্ট, এন্টি ওক্সিডন্ট, ক্যান্সার ও ডিপ্রেশানের বিরুদ্ধে কাজ করা সহ আরো অনেক উপকারী উপাদান। প্রতিদিন সকাল বেলা এই পানীয় পান করলে আপনার লিভার ভালো থাকবে।
উপকরণ ও প্রস্তুত প্রণালী
১/২ লেবুর রস
১/৪-১/২ টেবিল চামচ হলুদ গুরো
এক গ্লাস গরম পানি
আধা চামচ পরিমান মধু
অল্প আঁচে পানি ফুটিয়ে তার মাঝে হলুদ গুরো মিশিয়ে দশ মিনিট গরম করে নিন। চুলা থেকে নামিয়ে তার সাথে লেবুর রস ও প্রয়োজন মত মধু মিশিয়ে পান করুন। হলুদ গুরো যাতে তলানিতে জমে না যায় তা খেয়াল করে পান করুন আর এই সমস্যা এড়াতে আপনি শুকনো হলুদের টুকরো দিয়েও এই পানিয় তৈরি করতে পারেন।
আসলে মূল কথা হলো আমাদের অনিয়ন্ত্রিত খাদ্যাভ্যাস দ্বারা আমাদের লিভার ক্ষতিগ্রস্ত হয়। লিভার সুস্থ রাখতে ডিটক্স ওয়াটার পান করুন ও একটি সুন্দর খাদ্যাভ্যাস গড়ে তুলুন। এছাড়াও লিভার সুস্থ রাখতে প্রতিদিন সবুজ চা পান করার অভ্যাস করুন। প্রচুর পরিমানে পানি পান করুন। যত বেশি সম্ভব সবুজ শাকসবজি খাদ্য তালিকায় প্রতিদিন রাখুন আর বিশেষ করে লাল মাংস খাওয়া এড়িয়ে চলুন। আশা করি উল্লেখিত ডিটক্স ওয়াটার গুলো আপনার লিভার সুস্থ রাখতে সাহায্য করবে। এগুলো নিয়মিত পানে লিভার সংক্রান্ত অন্যান্য রোগ থেকেও রক্ষা পাবেন। শুধু তাই নয় এই ডিটক্স ওয়াটার আপনাকে ওজন কমাতেও সাহায্য করবে।

মধুর ১০ টি স্বাস্থ্য উপকারিতা -Top 10 Health Benefits Of honey Health Tips- মধুর যাদু।সকাল বেলা ১ চামচ মধু আপনার দিনের শুরুটাকে মধুর মত ম...

মধুর ১০ টি স্বাস্থ্য উপকারিতা -Top 10 Health Benefits Of honey
Health Tips- মধুর যাদু।সকাল বেলা ১ চামচ মধু আপনার দিনের শুরুটাকে মধুর মত মিষ্টি করে দিতে পারে।পৃথিবীতে একটি মাত্র খাবার আছে যা কখনো নষ্ট হয় না, বলুনতো খাবারটি কি হ্যাঁ আপনি ঠিকই ভাবছেন সেটা মধু। প্রাচীনকাল থেকেই মধু এক দিকে যেমন একটি খাদ্য তেমনি অপর দিকে একটি মহামূল্যাবান ঔষধ।মধু আমাদের শরীরের জন্য অত্যন্ত উপকারী এবং নিয়মিত মধু সেবন করলে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি পায় ফলে অসংখ্য রোগবালাই থেকে মুক্তি পাওয়া যায়। মধুর রয়েছে হাজারো স্বাস্থ্য উপকারিতা ।এখানে বিজ্ঞানের দ্বারা সমর্থিত মধুর ১০ টি স্বাস্থ্য উপকারিতা তুলে ধরা হলো –
10 Health Benefits Of honey-Health Tips-


মধুর খাদ্য উপাদান- মধুতে প্রায় ৪৫ টি খাদ্য উপাদান বিদ্যমান থাকে।সাধারনত ফুলের পরাগের মধুতে ২৫ থেকে ৩৭ শতাংশ গ্লুকোজ, ৩৪ থেকে ৪৩ শতাংশ ফ্রুক্টোজ, ০.৫ থেকে ৩.০ শতাংশ সুক্রোজ এবং ৫ থেকে ১২ শতাংশ মন্টোজ।আরো থাকে ২২ শতাংশ অ্যামাইনো এসিড, ২৮ শতাংশ খনিজ লবন এবং ১১ ভাগ এনজাইম।এতে কোন চর্বি নেই।১ চা-চামচ (২১ গ্রাম) মধুতে থাকে ৬৪ ক্যালরি।
মধুর ১০ টি স্বাস্থ্য উপকারিতা (10 Health Benefits Of honey)-Health Tips
 
১। রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে- মধু শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে।গবেষনায় প্রমানিত যে, মধুতে রয়েছে উচ্চ শক্তি সম্পন্ন অ্যান্টি-মাইক্রোবিয়াল এজেন্ট।এই এজেন্ট শরীরের রোগ জীবানুর বিরুদ্ধে লড়াই করে শরীরকে রাখে রোগ মুক্ত।

২। ক্যান্সার ও হার্ট অ্যাটাকের ঝুকি কমায়- মধু রক্তের অ্যান্টিঅক্সিডেন্টের মান বৃদ্ধি করে।আর এই অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট হার্ট অ্যাটাক, স্ট্রোক এবং কিছু ধরনের ক্যান্সারের ঝুকি কমাতে সাহায্য করে।প্রতিদিন সকালে এক গ্লাস হালকা গরম পানির সাথে এক চা-চামচ মধু ও অল্প দারুচিনির গুঁড়ো মিশিয়ে পান করতে পারেন

৩। উচ্চ রক্তচাপ কমায়- প্রতিদিন মধু খেলে উচ্চ রক্তচাপ কমে।প্রতিদিন সকালে ও সন্ধ্যায় খাবার ১ ঘন্টা আগে দু চা-চামচ মধুর সাথে রসুনের রস মিশিয়ে সকাল ও সন্ধ্যায় নিয়মিত এই মিশ্রন পান করতে হবে ।

৪। ওজন কমায়- মধুতে কোন চর্বি নেই তাই প্রতিদিন সকালে হালকা গরম পানিতে লেবুর রস ও মধু মিশিয়ে খালি পেটে খেলে ওজন দ্রুত কমে যায়।চিনির বদলে মধুর ব্যবহার মুটিয়ে যাওয়ার হাত থেকেও রক্ষা করে।

৫। কোলেস্টেরলের মাত্রা কমায়- উচ্চ কোলেস্টেরলের মাত্রা হৃদরোগের একটি গুরুত্বপূর্ন ঝুঁকি।প্রতিদিন মধু খেলে দেহে এলডিএল (খারাপ) কোলেস্টেরল হ্রাস করে এবং এইচডিএল (ভাল) কোলেস্টেরলের মাত্রা বৃদ্ধি করে।তাই দিনে অন্তত ১ বার চা-চামচ মধু খেয়ে নিন যেকোন সময়।

৬।যৌন দুর্বলতায়- মধু যৌন দুর্বলতায় দারুন কাজ করে।যাদের যৌন দুর্বলতা আছে তারা প্রতিদিন মধু ও ছোলা মিশিয়ে খেতে পারেন তাতে উপকার পাওয়া যায়।এছাড়াও দৈহিক ও যৌন শক্তি বৃদ্ধির জন্য প্রতিদিন রাতে এক গ্লাস গরম দুধের সাথে ২ চা-চামচ মধু মিশিয়ে খেলে খুব দ্রুত ভাল ফল পাবেন।

৭।দৃষ্টি শক্তি বাড়ায়- মধু চোখের দৃষ্টি শক্তি বাড়াতে সাহায্য করে।প্রতিদিন গাজরের রসের সাথে মধু মিশিয়ে খেলে চোখের দৃষ্টি শক্তি বৃদ্ধি পায়।

৮। ঠান্ডা কাশি দূর করে- মধু ঠান্ডা, কাশি, কন্ঠনালির ক্ষত, নাক দিয়ে পানি পড়া ইত্যাদি সমস্যা থেকে দ্রুত সারিয়ে তুলতে পারে।শিশুদের দীর্ঘ দিনের কাশি বন্ধ করতে পারে এই মধু।কাশির জন্য মূল ধারার ঔষধ সবসময় কার্যকর হয় না এবং এর পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া থাকতে পারে।এক গবেষনায় দেখা গেছে কাশি সারিয়ে তুলতে দুটি সাধারন কাশির ঔষধের চেয়েও মধু ভাল কাজ করে।তবে ১ বছরের কম বয়সের শিশুদের মধু দেয়া উচিত নয়।১ বছরের বেশি বয়সের শিশুদের জন্য মধু একটি প্রাকৃতিক এবং নিরাপদ কাশি suppressantহিসেবে কাজ করতে পারে।এজন্য ১ চা-চামচ মধুর সাথে সমপরিমান আদার রস মিশিয়ে খেতে পারেন।

৯। ত্বকের যত্নে- এটির অ্যান্টি-ব্যাকটেরিয়াল গুন বিশেষত ত্বকের জন্য বেশ উপকারি।ত্বকের শুষ্কভাব কমিয়ে আনতে মধুর তুলনা নেই।সকালে মধু ত্বকে লাগিয়ে ৩০ মিনিট রেখে ধুয়ে ফেলুন।এতে ত্বক হবে মসৃন ও সুন্দর।ত্বকে নিয়মিত মধু ব্যবহার করলে ত্বকের দাগও চলে যায়। রোদে পোড়া ত্বককে স্বাভাবিক করতেও মধু গুরুত্বপূর্ন ভুমিকা পালন করে। এজন্য প্রতিদিন ১ চা-চামচ মধুর সাথে পানি মিশিয়ে প্রতিদিন মুখে ফেস প্যাকের মত লাগান। ঠোটের যত্নেও মধু ব্যবহার করা হয়।


১০। অনিদ্রায়- মধু অনিদ্রায় খুব ভালো ওষুধ।প্রতিদিন রাতে এক গ্লাস হালকা গরম পানির সাথে ২ চা-চামচ মধু মিশিয়ে খেলে এটি গভীর ঘুম ও সম্মোহনের কাজ করে।

আসলে মধুর যত উপকারিতা আছে তা লিখে শেষ করা যাবে না। এছাড়াও মধুর আরো অনেক উপকারিতা রয়েছে। এক কথায় বলা যায় যে, মধু হচ্ছে সর্ব রোগের মহৌষধ।প্রতিদিন ১ চামচ মধু আপনাকে সারা বছর জুড়ে সুস্থ রাখতে পারে।মধুর অপকারিতা নেই বললেও চলে তবে ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য মধু গ্রহন নিষেধ।

সুস্থ ও সুন্দরভাবে বেঁচে থেকে জীবনটাকে উপভোগ করতে চান। তাহলে এই ১০ টি টিপস আপনার জন্য। সুস্থ ভাবে বেঁচে থাকার গুরুত্ব যে কতখানি, তা কেবল অস...

সুস্থ ও সুন্দরভাবে বেঁচে থেকে জীবনটাকে উপভোগ করতে চান। তাহলে এই ১০ টি টিপস আপনার জন্য। সুস্থ ভাবে বেঁচে থাকার গুরুত্ব যে কতখানি, তা কেবল অসুস্থ হলেই বোঝা যায়। কিন্তু কিভাবে শরীরকে সুস্থ রাখতে হয় তা আমরা অনেকেই জানিনা।তাই আজ আমি আপনাদের কাছে উপস্থাপন করব কিভাবে  রোগমুক্ত থেকে সুস্থ্যভাবে বেঁচে থেকে জীবনটাকে উপভোগ করবেন তার গুরত্বপূর্ন ১০ টি টিপস।





1| cÖwZw`b mKv‡j †fvi 6 Uvi ci ciB Nyg †_‡K DVvi Af¨vm Kiæb| Gici gyL ay‡qB Lvwj †c‡U 2 †_‡K 3 Møvm cvb cvb Kiæb| 10 wgwbU wekÖvg wb‡q  2 †_‡K 3 wK.wg. A_ev 30 wgwbU nvUzb| GZ K‡i Avcbvi gb I cÖvb m‡ZR _vK‡e Avi kixiI _vK‡e †ivMgy³|

2| mKv‡ji Lvevi my¯’ _vKvi Rb¨ AZ¨šÍ MyiæZ¡c~b©| ZvB hZ ZvivZvwi m¤¢e mKv‡ji bv¯Ív †m‡i †djyb| mKv‡ji bv¯Ív kix‡ii wecvKxq Kv‡h© mnvqZv K‡i| Z‡e mKvj †ejv Ggb ai‡bi Lvevi Lv‡eb bv †h¸‡jv †c‡U M¨vm ˆZwi K‡i| mKv‡j Lvwj †c‡U Pv Kwd cvb Ki‡eb bv|

3| Lvevi mgq Zvivûiv Ki‡eb bv| ax‡imy‡¯’ Lvevi fvj K‡i wPwe‡q Lvb| GZ K‡i cvPb wµqv wVK _‡K Ges mwVKfv‡e nRg nq|

4| Lvevi LvIqvi gv‡S KL‡bvB cvwb cvb Ki‡eb bv| Lvevi LvIqvi 30 wgwbU c~‡e© Ges 30 wgwbU c‡i cvwb cvb Kiæb| Lvevi LvIqvi gv‡S cvwb cvb Ki‡j cwicvKwµqv evavMÖ¯Í nq hv nR‡g weNœ NUvq| Lvevi LvIqvi gv‡S cvwb cvb Ki‡j Avcbvi G¨vwmwWwUi mgm¨v evo‡Z cv‡i|

5| wd«‡Ri VvÛv cvwb w`‡q Ilya Lv‡eb bv Ges Ilya Lvevi mv‡_ m‡_B ï‡q ci‡eb bv| ï‡Z hvevi Av‡M 5 †_‡K 10 wgwbU Av‡¯Í Av‡¯Í nvUzb Zvici ï‡Z hvb|

6| cÖwZw`b Lvev‡ii ZvwjKvq h‡_ó cwigvb kvK-mewR I dj _vKv Avek¨K| meyR kvK-mewR †KvôKvwVb¨ `~i K‡i Ges †`‡ni †ivM cÖwZ‡iva ÿgZv evovq| hviv kvK-mewR I djgyj †ewk cwigv‡b Lvb Zv‡`i nvucvwb I Av¨vjvwR©i SzuwKI bvwK Kg _v‡K|

7| dv÷dzW Ges †Kvgj cvbxq‡K bv ejyb| G¸‡jv‡Z jywK‡q _v‡K cÖPzi cwigvb wPwb I wewfbœ cÖKvi ÿwZKviK c`v_© | Gme Lvevi †L‡j IRb †e‡o hvIqv mn D”Pi³Pvc, ü`‡ivM, †÷ªvK, Wvqv‡ewUm I K¨vÝv‡ii gZ RwUj †ivM †`Lv w`‡Z cv‡i|

8| cÖPzi cwigvb cvwb cvb Kiæb| my¯’fv‡e †eu‡P _vKvi Rb¨ Aw·‡R‡bi c‡iB cvwbi ¯’vb| cÖwZw`b 8 †_‡K 10 Møvm cvwb cvb Kiæb|

9| cÖwZw`b iv‡Z 6 †_‡K 8 N›Uv Nygv‡bvi †Póv Kiæb| chv©ß Ny‡gi Afv‡e Avgv‡`i †`‡n kw³ Drcv`b, Møy‡KvR †gUvewjRg K‡g hvq Ges e‡qve„w× cÖwµqv †e‡o hvq| Z‡e w`‡bi †ejv Nyg Gwo‡q Pjyb|

10| a~gcvb I gদ্যcvb †_‡K weiZ _vKzb| †h †Kvb ZvgvKRvb cb¨ †_‡K `y‡i _vKvi †Póv Kiæb|



Avwg g‡b Kwi Dc‡iv³ 10 wU wbqg hw` †KD †g‡b P‡j Zvn‡j †m my¯’ I my›`ifv‡e Rxeb hvcb Ki‡Z cvi‡e| A¯^vfvweK Rxebhvcb I wbqg †g‡b bv Pjvi Kvi‡b Avgiv bvbv †iv‡M AvµvšÍ nB| ZvB wbqg¸‡jv †g‡b Pjyb Ges my¯’ my›`ifv‡e Rxeb hvcb Kiæb| m„wóKZv©i Dci wek¦vm ivLyb| m„wóKZv© mevB‡K my¯’ I my›`i Rxeb `vb Kiæb G Kvgbv Kwi

মস্তিষ্কের উন্নয়নে ১০টি খাবার- নিয়মিত খান এবং আপনার মনকে সব সময় সতেজ রাখুন ব্রেইন আমাদের দেহের গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ। ব্রেইনের...

মস্তিষ্কের উন্নয়নে ১০টি খাবার- নিয়মিত খান এবং আপনার মনকে সব সময় সতেজ রাখুন



ব্রেইন আমাদের দেহের গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ। ব্রেইনের যত্ন নেয়ার কথা আমরা তেমন ভাবি না! শুধু অভিযোগ করে যাই আমার মাথা ঠিকমতো কাজ করছে না বা আজকাল আমার কিছুই মনে থাকে না! অন্যান্য অঙ্গের মতো ব্রেইনেরও খাবার, পুষ্টি এনার্জি দরকার। টোটাল বডি এনার্জির ২০ শতাংশ ব্রেইন ব্যবহার করে
তাই আমাদের দৈনিক খাবার মেনু এমন হওয়া উচিত, যেন তা ব্রেইনের জন্য প্রয়োজনীয় পুষ্টি এনার্জি সরবরাহ করতে পারে
যে খাবার ডায়েট চার্টে রাখতে হবে
স্বাস্থ্যকর ফ্যাট- ব্রেইন গঠন করে
স্বাস্থ্যকর ফ্যাট হল ওমেগা- ফ্যাটি এসিড যা ব্রেইনের মেরামত নতুন কোষ তৈরিতে সাহায্য করে। এছাড়া এগুলো আপনাকে নতুন কিছু শিখতে আগ্রহী করে এবং মানসিকভাবে ভালো অনুভব করায়। ওলিক এসিড ব্রেইনকে ক্ষীপ্র করে
অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট- ব্রেইনকে সুরক্ষা দেয়
খাবারে উপাদানের অভাব থাকলে বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে স্মৃতিশক্তি কমতে থাকে। তাই Antioxidants সমৃদ্ধ খাবারের দিকে নজর দিতে হবে। এর ভালো উৎস হল- সবুজ চা, ব্লুবেরী অন্যান্য বেরীজাতীয় ফল, লাল আঙ্গুর, টমেটো, গাজর, রসুন, পালং শাক, whole grains সয়া দ্রব্য
ভিটামিন মিনারেলস- ব্রেইনের গঠনকারী ইট
সুনির্দিষ্ট কিছু ভিটামিন মিনারেলস ব্রেইনের গঠনে প্রয়োজন। ব্রেইনের কাজের জন্য গুরুত্বপূর্ণ ভিটামিন হল- Vitamins C, B12 I B6. মিনারেলসের মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ হল- ক্যালসিয়াম আয়রন। এসব ভিটামিন মিনারেলস নিয়মিত খেতে হবে
আঁশ- ব্রেইনে ফুয়েল সরবরাহ নিয়ন্ত্রণ করে
ব্রেইন শুধু গ্লুকোজ থেকেই শক্তি নিতে পারে। রক্তে গ্লুুকোজের সরবরাহ ধীর নিয়মিত রাখতে সাহায্য করে আঁশজাতীয় খাবার। ভালো পরিমাণে আঁশ পাওয়া যাবে : শুষ্ক ফল (কিশমিশ, খেজুর, কালো কিশমিশ), বিভিন্ন রকমের শাকসবজি, আস্ত ফল (যেমন- আপেল, কমলা, নাসপতি) whole wheat grains (বার্লি, লাল চাল, বিভিন্ন ধরনের whole wheat pastas and cereals)
পানি- ব্রেইনকে আর্দ্র রাখে
সামান্য পানিশূন্যতাও মানসিক শক্তি কমিয়ে দেয় এবং স্মৃতিশক্তির ওপর প্রভাব ফেলে।তাই কমপক্ষে .- লিটার দৈনিক পানি পান করা উচিত
কার্বোহাইড্রেট প্রয়োজন
কার্বোহাইড্রেটজাতীয় খাবার serotonin-এর লেভেল ঠিক রাখে। ঘুমের ধরন, মুড, appetite ইত্যাদি নিয়ন্ত্রণ করতে ব্রেইনের কোষ serotonin ব্যবহার করে। এছাড়া অতিরিক্ত খাবার খাওয়ার ইচ্ছাও নিয়ন্ত্রণ করে serotonin তাই জটিল কার্বোহাইড্রেট খেতে হবে
প্রয়োজন নিয়মিত গ্লুকোজ সরবরাহ
ব্রেইন শুধু গ্লুকোজ থেকেই শক্তি নিতে পারে। নিয়মিত খাবার গ্রহণ না করলে রক্তে গ্লুকোজ লেভেল কমে যায়। ফলে মেমোরি লস হতে পারে। দেখা যায় যারা সকালের নাশতা বাদ দেয় তাদের স্মৃতিশক্তি দুর্বল হয়। খুব তাড়াতাড়ি গ্লুকোজ পাওয়া যাবে আস্ত ফল থেকে, যেমন- আপেল, কমলা, আঙ্গুর ইত্যাদি
শিম (Fava Beans)
শিমে খুব ভালো পরিমাণে আছে লোভাডোপা। আমাদের ব্রেইন লোভাডোপাকে ডোপামিনে রূপান্তরিত করে
হার্বস
হার্বস খাবারের স্বাদই শুধু বাড়ায় না, আমাদের চিন্তা-ভাবনায়ও বিশেষ প্রভাব ফেলে। হার্বস স্মৃতিশক্তি উন্নত করে, মানসিক দক্ষতা বাড়ায়, মনোযোগ বাড়ায়, মানসিক সতর্কতা বাড়ায়
মাছ
প্রোটিন হল নিউরোট্রান্সমিটার তৈরির জন্য গুরুত্বপূর্ণ উপাদান। এটি মানসিক স্বাস্থ্যের প্রয়োজন। মাছ হল প্রোটিনের ভালো উৎস। এছাড়া মাছে আছে essential oils যা ব্রেইনের বর্ধন, সুরক্ষা কাজের জন্য প্রয়োজন

বিভিন্ন রকমের বাদাম বীজজাতীয় খাবার ফুলকপি, ব্রোকলি, বাঁধাকপি ব্রেইনের জন্য উপকারী